Nimer Chua
প্রাকৃতিক যত্নে সজীব থাকুন ।
21/08/2025
নিম সাবানের উপকারিতা
1. এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও এন্টি-ফাঙ্গাল প্রভাব
ত্বকের জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন প্রতিরোধে সাহায্য করে।
2. ব্রণ ও একনে কমায়
অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস ও স্কিন পিম্পলস দূর করতে কার্যকর।
3. ত্বকের জ্বালা ও চুলকানি কমায়
এলার্জি, ফাঙ্গাস, র্যাশ বা চুলকানি হলে তা প্রশমিত করে।
4. অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রভাব
ত্বকের লালচে ভাব, ফোলাভাব বা ইনফ্লেমেশন কমাতে সাহায্য করে।
5. প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার
ত্বক শুষ্ক হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং নরম রাখে।
6. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়
নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার, সতেজ ও উজ্জ্বল দেখায়।
7. ড্যান্ড্রাফ প্রতিরোধে সাহায্য করে
মাথায় ব্যবহার করলে খুশকি ও স্ক্যাল্প ইনফেকশন প্রতিরোধে কার্যকর।
👉 বিশেষ করে তৈলাক্ত, ব্রণ-প্রবণ এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য নিম সাবান খুবই উপকারী।
পালং শাকের ১০টি স্বাস্থ্যকর গুনাগুণ যা জেনে রাখা ভালো
১। রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে
২। দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে
৩। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে
৪। চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে
৫। ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে
৬। দেহের ক্লান্তিভাব দূর করতে সাহায্য করে
৭। প্রদাহ জনিত সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে
৮। হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে
৯। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
১০। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে
#শরীল_কেমন
বর্তমান সময়ের কমন একটা রোগ।
শিশুদের রক্ত সল্পতা।
শিশুর শরীরে দ্রুত রক্ত বাড়ানোর জন্য কিছু প্রাকৃতিক এবং স্বাস্থ্যকর খাবার এবং ঔষধ কার্যকর হতে পারে। শিশুর রক্ত স্বল্পতার প্রধান কারণ হতে পারে আয়রনের অভাব। আয়রন সমৃদ্ধ খাবার এবং আয়রন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করে এই সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে।
প্রধান ফল
ডালিম (Pomegranate): আয়রন, কপার, এবং পটাসিয়ামের সমৃদ্ধ উৎস যা রক্ত তৈরিতে সহায়ক।
বিটরুট (Beetroot): উচ্চ আয়রন সমৃদ্ধ যা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করতে সহায়ক।
আপেল (Apple): আয়রন এবং অন্যান্য ভিটামিন সমৃদ্ধ যা হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সহায়ক।
স্ট্রবেরি (Strawberry): আয়রন এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
খেজুর (Dates): উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং শক্তির উৎস যা রক্তস্বল্পতা কমাতে সহায়ক।
ঔষধ
ফেরাস সালফেট (Ferrous Sulphate): চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহৃত আয়রন সাপ্লিমেন্ট।
ফেরাস গ্লুকোনেট (Ferrous Gluconate): সহজে হজমযোগ্য আয়রন সাপ্লিমেন্ট যা চিকিৎসকের পরামর্শে গ্রহণ করা যেতে পারে।
আয়রন ড্রপ (Iron Drops): শিশুদের জন্য প্রযোজ্য বিশেষ আয়রন সাপ্লিমেন্ট।
অন্যান্য পরামর্শ
ভিটামিন সি: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন কমলা, লেবু, আমলকি ইত্যাদি আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি করতে সহায়ক।
সবুজ শাকসবজি: পালং শাক, কলমি শাক, মেথি শাক ইত্যাদি আয়রন সমৃদ্ধ।
লাল মাংস: গরুর মাংস এবং মুরগির যকৃৎ আয়রনের ভালো উৎস।
শিশুর শরীরে রক্তের অভাব থাকলে অবশ্যই একজন শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে চিকিৎসা শুরু করা উচিত। শিশু বিশেষজ্ঞ শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন।
19/05/2024
শিশুদের বা বাচ্চাদের জল বসন্ত বা গুটি বসন্ত হলে আমরা কিভাবে বুঝতে পারব :
১.শিশুর শরীরে জ্বর বেশি থাকবে।
২.শিশু অনেক বেশি কান্না করবে।
৩.শরীরের কাপড় রাখতে চাইবে না।
৪.সমস্ত শরীরে অর্থাৎ মুখে, বুকে, পিঠে ঘামাচির মত গোটা গোটা দানা দেখা দিবে।
৫.ঘামাচির মত এই গোটা দ্বিতীয় দিন থেকে একটু বড় হবে এবং লাল হবে।
৬.প্রচুর পরিমাণ চুলকানি থাকবে।
৭.মুখ ও জিব্বা শুকিয়ে যাবে এবং পিপাসা বেড়ে যাবে।
17/05/2024
মৌসুম পাল্টাচ্ছে। এই গরম, তো এই বৃষ্টি। এই সময় অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন জ্বরে। কিন্তু জ্বর নিয়ে আমাদের কিছু ভ্রান্ত ধারণা আছে।
গা গরম মানেই জ্বর
অনেকে গা গরম লাগা বা শরীর ম্যাজম্যাজ করাকেই জ্বর বলে থাকেন। অনেকে বলেন, আমার তো সব সময়ই গায়ে জ্বর থাকে। কেউ বলেন, জ্বর থাকে, কিন্তু থার্মোমিটারে ধরা পড়ে না! আসলে গা গরম বোধ হওয়া মানেই জ্বর নয়। শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপরে না গেলে তাকে জ্বর বলা ঠিক নয়। জ্বরের সমাধান নিতে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে বাড়িতে থার্মোমিটারে কয়েকবার জ্বর মাপুন।
জ্বর মানেই খারাপ কিছু
যেকোনো জীবাণু বা খারাপ কিছুর বিরুদ্ধে শরীরের প্রথম প্রতিরোধ জ্বর। তাই জ্বর খারাপ কিছু নয়। অনেক ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও নানা ধরনের জীবাণু প্রতিনিয়ত আমাদের আক্রমণ করছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে জ্বর। তাই জ্বর নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
জ্বর ওঠামাত্র নামিয়ে ফেলতে হবে
জ্বর বাড়া ঠিক নয়, অনেকক্ষণ থাকাও ঠিক নয়—এ ধারণা অনেকের। জ্বর ১০১ ডিগ্রির ওপরে ওঠামাত্র যেকোনো উপায়ে জ্বর নামাতে হবে, নইলে সর্বনাশ হতে পারে—এ ধারণারও কোনো ভিত্তি নেই। বেশির ভাগ জ্বর কয়েক ঘণ্টা পরপর আসে, কিছুক্ষণ থেকে আবার নেমে যায়। খুব কম জ্বরই একটানা চলতে থাকে। এটা নির্ভর করে কারণের ওপর। আর জ্বরে খারাপ লাগা ও অস্বস্তি হয় বলে জ্বর নামাতে হয়, কিছু না করলেও ক্ষতি নেই।
জ্বরের জন্য চাই আলাদা পথ্য
একসময় জ্বর হলে রোগীকে আলাদা পথ্য দেওয়া হতো। এখনো অনেকে রোগীকে স্যুপ, জাউ ইত্যাদি দিয়ে থাকেন। আসলে জ্বরের জন্য কোনো খাবার খেতে নিষেধ নেই। এমনকি ঠান্ডা খাবারও। বরং জ্বরের সময় যথেষ্ট পুষ্টিকর খাবার খাওয়া চাই। আরেকটা কথা, জ্বরের কারণে পানিশূন্যতা হয়। তাই পানি পান করতে হবে প্রচুর।
যতবার জ্বর, ততবার প্যারাসিটামল
জ্বর দিনের মধ্যে যতবারই ওঠে, ততবারই প্যারাসিটামল দিয়ে নামানোর চেষ্টা করারও দরকার নেই। মাত্রাতিরিক্ত প্যারাসিটামল ক্ষতিকর হতে পারে। অনেকের ধারণা, মুখে খাবার বড়ির মাত্রা নির্দিষ্ট থাকলেও সাপোজিটরির কোনো মাত্রা নেই, যত খুশি দেওয়া যায়। এটাও ঠিক নয়।
জ্বরের চিকিৎসা অ্যান্টিবায়োটিক?
জ্বর মানে সংক্রমণ, আর অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়া এর চিকিৎসা অসম্পূর্ণ—এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ভুল। নানা কারণেই জ্বর আসতে পারে। এর অনেকগুলোতেই অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই। যেমন ভাইরাসজনিত জ্বর, ফ্লু, অ্যালার্জিজনিত জ্বর, ফুড পয়জনিং ইত্যাদি। জ্বর হলে তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
যে কোন ঔষধ সেবনের আগে অবশ্যয় রেজিস্ট্রেট চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করবেন।
পিরিয়ড চলাকালীন যৌন মিলন করা কী উচিত?
পিরিয়ডের সময় মহিলাদের ভেজাইনালে বিষাক্ত জীবানু থাকে: ফলে স্বামী স্ত্রী উভয়য়ের যেীনাঙ্গে বিভিন্ন ইনফেকশন হতেপারে,
: স্বামীর ব্যালানাইটিস হতেপারে, স্ত্রীর ইস্ট ইনফেকশন অ্যান্ড ব্যাকটেরিয়াল ভেজাইনোসিস ইত্যাদি
এছাড়াও, পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খিটখিটে ভাব, উদ্বেগ, অস্বস্তি লাগা,ফেট ব্যাথা ইত্যাদি হয়ে থাকে...
তাই এসময় সহবাস নয়! যত্ন করুন ফিমেইলদেরকে, তাদের কাজে সাহায্য করুন।
07/05/2024
একটি টুথব্রাশ কত দিন ব্যবহার করবেন?
শেষ কবে টুথব্রাশ বদলেছেন? এই প্রশ্নের উত্তর যদি হয়, ‘মনে নেই’, তবে আপনার উচিত হবে আজই নতুন একটি টুথব্রাশ কেনা। দাঁত ও দাঁতের সুস্থতা নিয়ে আমরা যতটা চিন্তিত, দাঁত পরিষ্কার করার টুথব্রাশ নিয়ে ততটাই উদাসীন। অথচ বিষয় দুটি গভীরভাবে সম্পর্কিত।
দাঁত ও মুখের যত্ন নিয়ে অনেকের ভেতরেই একটা উদাসীন মনোভাব কাজ করে। ‘নিয়মিত দুই বেলা দাঁত মাজছি, এটুকুই তো যথেষ্ট’—এমন মনোভাব নিয়েও বসবাস করেন অনেকে। তবে সুস্থ জীবনযাপনের জন্য দাঁতের যত্ন সবচেয়ে বেশি জরুরি। প্রতিটি খাদ্যদ্রব্য আগে দাঁতের সংস্পর্শে গিয়ে তারপর প্রবেশ করে আমাদের শরীরে। তাই খাদ্যের পুষ্টিতে মনোযোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাঁতের যত্নেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
অনেক ক্ষেত্রেই দাঁতের অযত্ন থেকে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিসের মতো রোগের সংক্রমণ হতে পারে কেবল দাঁতের অযত্ন থেকে। আর এই দাঁতের অযত্নের অন্যতম বড় কারণ হতে পারে পুরনো ও অচল টুথব্রাশ ব্যবহার করা।
কীভাবে বুঝবেন টুথব্রাশ নষ্ট হয়ে গেছে?
আপাত দৃষ্টিতে দাঁত মাজার ব্রাশ নষ্ট হয়েছে কি না, বোঝা বেশ কঠিন। তবে টুথব্রাশের ডাঁটগুলো নেতিয়ে পড়লে বা নরম হয়ে গেলে ধরে নিতে হবে ব্রাশটি নষ্ট হওয়ার পথে রয়েছে।
কত দিন পর পর দাঁত মাজার ব্রাশ বদলানো প্রয়োজন?
প্রতি তিন মাস অন্তর দাঁত মাজার ব্রাশ বদলানো উচিত। তবে ব্যক্তিভেদে সময় কমেও আসতে পারে। তবে কোনোভাবেই তিন মাসের বেশি একটি টুথব্রাশ ব্যবহার করা উচিত নয়।
এছাড়াও কোনো অসুস্থতা, বিশেষ করে ভাইরাল রোগ থেকে সেরে ওঠার পর অবশ্যই টুথব্রাশ বদলে ফেলবেন। বিশেষ করে মৌসুমি জ্বর, কাশি, ঠান্ডা থেকে সেরে ওঠার পর যত দ্রুত সম্ভব টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত। কারণ, রোগ সেরে গেলেও রোগের জীবাণু লেগে থাকতে পারে টুথব্রাশে।
ব্রাশ পরিবর্তন না করলে কী হবে?
নিয়মিত বিরতিতে টুথব্রাশ পরিবর্তন না করলে ব্রাশের কার্যকারিতা কমতে থাকে। ঠিকভাবে দাঁত পরিষ্কার হবে না। দাঁতের কোনায় খাবারের কণা ও জীবাণু জমে থাকতে পারে।
যেভাবে ব্রাশের যত্ন নেবেন
অধিকাংশ বাসাতেই পরিবারের সব সদস্যের ব্রাশ একটি পাত্রে সাজানো থাকে। এতে করে একজনের ব্রাশ থেকে রোগজীবাণু অন্য আরেকজনের টুথব্রাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যে কারণে ব্রাশ করার পর প্রতিটি টুথব্রাশ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
দাঁত মাজার পর খুব ভালোভাবে ব্রাশ পরিষ্কার করতে হবে। প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক দিন গরম পানি দিয়ে ব্রাশ পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে ভেতরে জমে থাকা জীবাণু পরিষ্কার হয়ে যাবে।
তথ্যসূত্র: সিএনবিসি
07/05/2024
"নবজাতকের পরিচর্যা এবং ভারনিক্স"
বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লার মত পদার্থ দেখা যায় সেটাকে "ভারনিক্স "বলে। "ভারনিক্স " নামের পদার্থটি প্রায় সকল বাচ্চার শরীরেই দেখা যায়। কোন কোন বাচ্চা শরীরে এত ভারনিক্স নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আবার কোন কোন বাচ্চা একেবারে পরিষ্কার থাকে।
এই ভারনিক্স টা সম্পর্কে অনেকে অবগত নয়, বাচ্চাকে মুছে যখন অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয় তখন শরীরে ভারনিক্স থাকলে তারা ভাবেন বাচ্চাকে ক্লিয়ারলি ক্লিন করা হয়নি বা নিজেরাই মুছতে বসে যান।
সৃষ্টির সবকিছুর পিছনেই গভীর রহস্য লুকায়িত আছে, তাঁর অসীম জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা আমাদের কারোরি নেই!
সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভারনিক্স নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে যা মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তরল পদার্থ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এটি অ্যান্টিবডির মত শিশুর রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
জন্মের পর পরই শিশুকে পরিষ্কার বা মোছার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভারনিক্স ওঠে না যায়। (WHO) এর মতে শিশুর শরীরে ভারনিক্স কমপক্ষে ৬ ঘন্টা রাখা এবং সবচেয়ে ভালো হয় ২৪ ঘন্টা রাখলে।
World Health Organization.
06/05/2024
প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবার কিছু টিপসঃ
✅ প্রতিদিন শরীরে যে পরিমাণ ক্যালরি ক্ষয় হয় তার চেয়ে ৫০০–৭০০ ক্যালরি খাবার বেশি খেতে হবে
✅ ভাত, মাছ, মাংস, ডাল, বীজ, শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, দুগ্ধজাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে
✅ খাদ্যতালিকায় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার যেমন কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তাবাদাম, চিনাবাদাম, খেজুর, কিসমিস, আলুবোখারা, ননিযুক্ত দুধ, ফুলক্রিম দই, পনির, ক্রিম, মুরগির মাংস, গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস, ছাগলের মাংস ও কলিজা, আলু, মিষ্টি আলু, চকলেট, কলা, আ্যভোকাডো, পিনাট, মাখন ইত্যাদি রাখতে হবে
✅ তিন–চার ঘণ্টা পরপর খাবার গ্রহন করতে হবে
✅ দিনে তিনবার প্রধান খাবার হিসেবে শর্করা জাতীয় খাবার যেমন আলু, আটা, চাল, পাস্তা ইত্যাদি গ্রহণ করতে হবে
✅ আমীষ জাতীয় খাবার যেমন ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, ডাল ও বীজজাতীয় খাবার ইত্যাদি গ্রহন করতে হবে
✅ খাবারের সময় প্রোটিনযুক্ত খাবার আগে এবং শাকসবজি শেষে গ্রহণ করতে হবে
✅ প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে
✅ পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত সকাল ও বিকেলে মিনিমাম এক ঘন্টা ব্যায়াম করতে হবে
✅ ঘুমানোর আগে একটা স্বাস্থ্যকর উচ্চ ক্যালরির স্ন্যাকস খাওয়ার চেষ্টা করবেন
✅ প্রতিদিন নিয়মমাফিক মিনিমাম আট ঘণ্টা ভালোভাবে ঘুমাতে হবে
✅ দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে
🚫 গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা যাবে না
🚫 খাওয়ার আগে পানি পান করা যাবে না
🚫 দীর্ঘসময় পেট খালি রাখা চলবে না
🚫 ধূমপান বর্জন করতে হবে
উপরের নিয়মগুলো নিয়ম মাফিক ভাবে মেনে চললে আপনার স্বাস্থ্য ধীরে ধীরে উন্নত হবে, এর পরেও যদি স্বাস্থ্য আগের মতোই থাকে তবে একজন মেডিসিন ডাক্তারের পরামর্শে নিজের শরীরের কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করুন।
HealHealth Tips/স্বাস্থ্য পরামর্শealthtips
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Gazipur City
Gazipur