YEON

YEON

Share

YEON – Gentle Skin, Honest Care 🌿

YEON (연) means soft, graceful beauty — like a lotus that grows calm and pure even in muddy water. It comes from understand

We created YEON for one simple belief:
👉 Good skin doesn’t come from expensive products alone.

06/07/2026

আমরা অনেকেই ভাবি, এন্টি-এইজিং নিয়ে মাথা ঘামানো উচিত ৩৫-৪০ এর পর গিয়ে, যখন ত্বকে অলরেডি বয়সের ইফেক্ট পরা শুরু করে।

একটা সহজ উদাহরণ দিই। ধরুন, একটি তাজা টাটকা শসা বাইরে ফেলে রাখলেন। কয়েকদিন পর সেটা ধীরে ধীরে পানি হারিয়ে কুঁচকে গেল। তখন যদি সেটাকে যত্ন করে মুড়িয়ে ফ্রিজে রাখেন, সেটি কি আবার আগের মতো সতেজ হবে? কিন্তু যদি শসাটি টাটকা, ভালো থাকতেই ঠিকভাবে সংরক্ষণ করেন, তাহলে কি সেটি অনেক দিন ভালো থাকবে না?? অবশ্যই থাকবে। আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রেও বিষয়টি অনেকটাই এমন। বয়সের ছাপ স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর এন্টি-এইজিং রুটিন মেইনটেইন করে আসলে খুব বেশি উপকার পাওয়া যায় না। বরং বয়সের আগে থেকেই যত্ন নিলে এই বয়সের ছাপ অনেক দেরিতে আসে। প্রপার এন্টি-এইজিং স্কিনকেয়ার এর উদ্দেশ্য ত্বকে কোলাজেন ধরে রাখা, ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখা এবং এইজিং প্রসেসকে যতটা সম্ভব ধীর করা। আজ আপনি আপনার ত্বকের জন্য যে যত্ন নেবেন, তার ফলই দেখতে পাবেন আগামী ৫–১০ বছর পরে। কারণ সুন্দর ত্বক একদিনে তৈরি হয় না, আগেভাগে নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্তের ফলেই দীর্ঘদিন ধরে সুন্দর থাকে।

এন্টি-এইজিং রুটিন এর জন্য প্রপার স্কিনকেয়ার এর পাশাপাশি প্রপার ডায়েট, হাইড্রেশনও অনেক দরকারি। আর প্রপার এন্টি-এইজিং স্কিনকেয়ার এর জন্য খুব বেশি প্রোডাক্ট লাগে না, ত্বকের ধরণ বুঝে অল্প কিছু প্রোডাক্ট সঠিকভাবে ব্যবহার করে যথেষ্ট!

#

05/07/2026

অদ্ভুত এক দেশে বাস করি আমরা। এখানে ক্ষতিকর প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য জেল হয়, জরিমানা হয়, শিরোনাম হয়। তারপর? আবার সেই একই রমরমা ব্যবসা। সম্প্রতি এক 'চামড়া সাদা করে দেয়া', '৭ দিনে ফর্সা', 'ম্যাজিক হোয়াইটেনিং' হেনতেন অনেক কিছু করা আপুর পেইজটা আবার সামনে আসলো। উনি মাঝে কিছুদিন জেলেও ছিলেন। অথচ এখন তার ব্যবসা তুঙ্গে, মানুষ পাগলের মতো কিনছে তার থেকে সেই ক্ষতিকর প্রোডাক্টগুলোই।

ফর্সা মানেই সুন্দর, এই ধারণাটা আমাদের এতটাই গভীরে গেঁথে আছে যে, অনেকেই নিজের সুস্থ ত্বকের চেয়ে ফর্সা রঙকে বেশি গুরুত্ব দেন। ফেসবুকের চটকদার বিজ্ঞাপন, ইউটিউবের "ম্যাজিক ক্রিম", পরিচিত কারও পরামর্শ, কিংবা এক সপ্তাহে ত্বক ফর্সা করার লোভ, এসবের পেছনে ছুটতে গিয়ে মানুষ প্রতিদিন নিজের ত্বকের সঙ্গেই বেইমানি করছেন। কেউ স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম মাসের পর মাস ব্যবহার করছেন। কেউ পারদের (Mercury) মতো বিষাক্ত উপাদান থাকা অজানা ক্রিম মুখে লাগাচ্ছেন। আবার কেউ হাইড্রোকুইনোন বা অন্যান্য শক্তিশালী কেমিক্যাল চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ব্যবহার করছেন। এতে শুরুতে হয়তো ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল দেখায়। কিন্তু কয়েক মাস পর? ত্বক পাতলা হয়ে যায়, রক্তনালি স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ব্রণ বেড়ে যায়, দাগ আরও গাঢ় হয়, সূর্যের আলোতে ত্বক অতিসংবেদনশীল হয়ে পড়ে। কিছু ক্ষেত্রে কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে,বিশেষ করে পারদযুক্ত পণ্য দীর্ঘদিন ব্যবহারে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো এই পণ্যগুলোর অনেকগুলোর কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। তবুও সেগুলো অনলাইনে, কসমেটিকস দোকানে, এমনকি পরিচিত মানুষের হাত দিয়েও সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে মানুষের কাছে।

মনে রাখুন, ত্বকের রঙ আপনার পরিচয় নয়। সুস্থ ত্বকই আসল সৌন্দর্য।

04/07/2026

কপালে বা গালে হঠাৎ একটা ব্রণ উঁকি দিলেই আমাদের হাত যেন নিজে থেকেই চলে যায় সেটা খুঁটতে। মনে হয়, "এখনই একটু চেপে দিই, তাহলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে!" কিন্তু বাস্তবতা একেবারে উল্টো। ব্রণ খুঁটলে তা তাড়াতাড়ি সারার বদলে ত্বকের ভেতরের প্রদাহ বরং আরও বেড়ে যায়, ব্যাকটেরিয়া চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে নতুন নতুন ব্রণ তৈরি করে, আর সেরে ওঠার পরও রেখে যায় জেদি কালো দাগ কিংবা স্থায়ী acne scar।
তাহলে ব্রণের সাথে লড়াই করার আসল উপায়টা কী? উত্তর একটাই—ধৈর্য ধরে সঠিক skincare routine মেনে চলা।
প্রতিদিন একটি gentle cleanser দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখুন। ব্রণ ও অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করুন Salicylic Acid বা Azelaic Acid সমৃদ্ধ serum। ব্রণ-পরবর্তী দাগ হালকা করতে যোগ করুন Niacinamide বা Tranexamic Acid (TXA) যুক্ত serum। ত্বকের natural barrier অক্ষত রাখতে ব্যবহার করুন lightweight moisturizer, আর দিনের বেলায় কখনোই ভুলবেন না SPF 30 বা তার বেশি sunscreen লাগাতে।
ব্রণকে এক রাতেই তাড়িয়ে দেওয়ার তাড়াহুড়ো আসলে ত্বকের ক্ষতিই বাড়িয়ে দেয়। বরং সঠিক যত্ন, নিয়মিত skincare আর একটুখানি ধৈর্যই একদিন আপনাকে উপহার দেবে পরিষ্কার, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল আর দাগহীন এক ত্বক।

01/07/2026

কার কার জামাই মেকাপ আইটেম কিনে দিতে চায় না? বা এগুলো কিনে দিতে দিতে বিরক্ত? 🙊

উনাদের বলবেন, মেকাপ কেনা লাগবে না, তাহলে একদম অল্প কিছু স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট কিনে দাও। বেশি কিছুনা, এই একটা Cosrx এর ফেইসওয়াশ, একটা I Am From Rice টোনার, একটা Cosrx এর স্নেইল মিউসিন এসেন্স, একটা Anua এর পোর মিনিমাইজিং সিরাম, একটা Centella এর ব্রাইটেনিং সিরাম, একটা Purito এর ময়েশ্চারাইজার, একটা Mary & May এর আই ক্রিম, একটা Laneige এর লিপ মাস্ক, Beauty of Joseon এর সানস্ক্রিন ক্রিম, Medicube এর কয়েকটা কোলাজেন মাস্ক কিনে দিতে। এই কয়টা প্রোডাক্ট ডেডিকেটেড ভাবে ইউজ করলে দেখবেন আর মেকাপ ইউজ করতেই ইচ্ছা করবে না, মুখ একদম মাখন লাগবে, মাখন!
তবে হ্যা, আর মেকাপ বা স্কিন কেয়ার করেন বা নাই করেন, আপনার উনার চাঁদতো আপনিই!!

আর উপরে মেনশন করা প্রোডাক্টগুলো কিন্তু অথেন্টিকটা আমাদের স্টকেই পেয়ে যাবেন, তাও প্রোমোশনাল প্রাইজে!

30/06/2026

ধরুন, সুপারশপে গিয়েছেন। দুটো সিরাম পাশাপাশি রাখা — একটার দাম ৮০০ টাকা, আরেকটার দাম মাত্র ১৫০ টাকা। মন বলবে, একই তো জিনিস, কম দামেরটাই নিই!
কিন্তু থামুন একটু। নিজেকে প্রশ্ন করুন, এত কম দামে এই প্রোডাক্টটা বানানো সম্ভব হচ্ছে কীভাবে? উত্তরটা ভয়ংকর হতে পারে। কোনো প্রোডাক্ট সত্যিই কম দামে ভালো মানের হতে পারে কিন্তু কিছু ব্র্যান্ড খরচ বাঁচাতে এমন কিছু উপাদান মিশিয়ে দেয়, যা আপনার ত্বকের জন্য ধীরগতির বিষের মতো কাজ করে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার কী জানেন? এই ক্ষতিটা প্রথম দিনেই ধরা পড়ে না।আপনি প্রোডাক্টটা ব্যবহার করতে থাকবেন, মনে হবে সব ঠিকই আছে। তারপর হঠাৎ একদিন খেয়াল করবেন ,

🔴 ত্বক আগের চেয়ে বেশি শুষ্ক লাগছে
🔴 হঠাৎ হঠাৎ জ্বালাপোড়া বা চুলকানি হচ্ছে
🔴 ব্রণ যেন কমার বদলে বেড়েই চলেছে
🔴 মুখে লালচে দাগ বা র‍্যাশ দেখা দিচ্ছে
🔴 ত্বক আগের মতো হেলদি ফিল হচ্ছে না — Skin Barrier ভেঙে গেছে

আর ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কারণ Skin Barrier একবার দুর্বল হয়ে গেলে সেটা ঠিক করতে সময় লাগে মাস থেকে বছর।

তাহলে উপায় কী?
দাম দেখার আগে, Ingredients List দেখার অভ্যাস করুন। প্যাকেটের গায়ে যদি দেখেন

⚠️ লিস্টের শুরুতেই Alcohol
⚠️ অতিরিক্ত Artificial Fragrance
⚠️ এমন সব নাম যা পড়তেই পারছেন না, বুঝতেও পারছেন না
⚠️ কোম্পানির নাম-ঠিকানা কোথাও স্পষ্ট নেই তাহলে বুঝে নিন, এটা আপনার ত্বকের অবস্থা খারাপের দিকেই বেশি যাচ্ছে।

মনে রাখবেন, সবচেয়ে দামি প্রোডাক্ট মানেই সেরা না, আবার সবচেয়ে সস্তা প্রোডাক্ট মানেই খারাপ না। আসল কথা হলো প্রোডাক্টটা কি নিরাপদ, অথেনটিক, আর আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত? পরেরবার প্রোডাক্ট হাতে নেওয়ার আগে, দাম নয় — প্রথমে দেখুন Ingredients, Authenticity, আর সেটা আপনার Skin Type-এর জন্য সঠিক কিনা।

29/06/2026

অনেকেই ভাবেন, আমি তো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করি , তাহলে আবার Hydrating Serum কেন ব্যবহার করব?

আসলে একটি বিষয় আমরা প্রায়ই ভুলে যাই যে ময়েশ্চারাইজার এবং Hydrating Serum একে অপরের বিকল্প নয়, বরং পরিপূরক। Hydrating Serum-এর মূল কাজ হলো ত্বকে পর্যাপ্ত Hydration পৌঁছে দেওয়া, আর Moisturizer সেই আর্দ্রতাকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। আমাদের ত্বক প্রতিদিন সূর্যের তাপ, ধুলাবালি, এসির বাতাস, দূষণ এবং বারবার মুখ ধোয়ার কারণে ধীরে ধীরে আর্দ্রতা হারায়। এই আর্দ্রতার ঘাটতি অনেক সময় বাইরে থেকে বোঝা যায় না, কিন্তু ত্বক তখন নানাভাবে সংকেত দিতে শুরু করে।

🔸 মুখ ধোয়ার পর টান টান লাগে
🔸 ত্বক নিস্তেজ ও ক্লান্ত দেখায়
🔸 অয়েলি স্কিন আরও বেশি তেল উৎপাদন করতে শুরু করে
🔸 মেকআপ সুন্দরভাবে বসে না
🔸 ত্বক রুক্ষ অনুভূত হয়
🔸 ছোট ছোট ফাইন লাইন আরও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে

এসবই হতে পারে Dehydrated Skin-এর লক্ষণ। একটি ভালো Hydrating Serum শুধু ত্বকে

✨ ত্বককে ভেতর থেকে Plump ও Healthy দেখাতে সাহায্য করে।
✨ Skin Barrier-কে শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে, যাতে ত্বক সহজে Irritated না হয়।
✨ Redness ও Sensitivity কমাতে সাহায্য করে।
✨ ত্বকের Elasticity বজায় রাখতে সহায়তা করে।
✨ পরবর্তী স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট আরও কার্যকরভাবে শোষিত হতে সাহায্য করে।
✨ ত্বককে সারাদিন সতেজ, কোমল ও আরামদায়ক অনুভব করায়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Hydration কোনো Skin Type-এর জন্য নয়, এটি প্রতিটি Skin-এর প্রয়োজন। আপনার ত্বক যদি Oily হয়, তবুও Hydration দরকার। Dry Skin-এর ক্ষেত্রে তো অবশ্যই, আর Combination ও Sensitive Skin-এর জন্যও Hydrating Serum সমান গুরুত্বপূর্ণ।
তাই স্কিনকে শুধু সুন্দর দেখানোর জন্য নয়, সুস্থ রাখার জন্যও Hydrating Serum একটি Essential Step। কারণ ভালো স্কিন শুরু হয় Healthy Skin Barrier এবং সঠিক Hydration দিয়ে।
আপনি কি এখনো Hydrating Serum ব্যবহার করেননি? নাকি এটি ইতোমধ্যেই আপনার Daily Skincare Routine-এর একটি অংশ? কমেন্টে জানাতে পারেন।

28/06/2026

স্কিনের সমস্যা আসলে কেন হয়?

অনেকেই ভাবেন, স্কিনের সব সমস্যার কারণ শুধু বাইরে। কিন্তু বাস্তবে, আমাদের ত্বক শরীরের ভেতরের অবস্থারই একটি প্রতিফলন। আর এই ত্বকের সমস্যার কারণ থাকতে পারে অনেক, যেমন
🌿 হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
🌿 গাট (অন্ত্র) স্বাস্থ্যের সমস্যা
🌿 অতিরিক্ত মানসিক চাপ
🌿 পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
🌿 পুষ্টিকর খাবারের ঘাটতি
🌿 সূর্যের UV রশ্মি ও দূষণ
🌿 ভুল বা অনুপযুক্ত স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার

এসব কারণেই দেখা দিতে পারে ব্রণ, পিগমেন্টেশন, কালচে দাগ, অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব, শুষ্কতা বা নিস্তেজ ত্বক।

তাই শুধু বাইরে থেকে যত্ন নিলেই হবে না। ভেতরের সুস্থতা আর সঠিক স্কিনকেয়ার, দুটোই একসঙ্গে দরকার। কারণ, সুন্দর ত্বকের শুরু হয় সুস্থ শরীর থেকে। 🌿🤍

28/06/2026

আপনার প্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারের স্কিনকেয়ার কেন আপনার উপর কাজ করে না?

রাত ১২টা বাজে। আপনি বিছানায় শুয়ে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করছেন। হঠাৎ একটা ভিডিও সামনে এলো, একজন জনপ্রিয় সেলিব্রেটি তার গ্লোয়িং স্কিন এর রহস্য শেয়ার করছেন। একটা সিরাম ব্যবহার করে তার স্কিন এমন হয়েছে বলে তার দাবি। আর তার মসৃণ, উজ্জ্বল, ফ্ললেস স্কিন দেখে আপনারও মনে হলো, এটা ইউজ করলে আমার স্কিনও এমন হয়ে যাবে! তারপর শুরু হলো আপনার নতুন স্কিনকেয়ার জার্নি। অনেক আশা নিয়ে প্রোডাক্ট কিনলেন, নিয়ম মেনে ব্যবহার করলেন… কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পরও আয়নায় দেখলেন, সেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনটা নেই। তখন অনেকেই ভাবেন যে প্রোডাক্টটা হয়তো ফেইক বা খারাপ। কিন্তু আমরা একটা বিষয় ভুলে যাই। কোনো প্রোডাক্ট আপনাকে কখনোই গ্লাস স্কিন দিতে পারবে না। কখনোই না।

ক্যামেরার সামনে যে ইনফ্লুয়েন্সারদের যেই স্কিন আমরা দেখি, তার পেছনে থাকে বছরের পর বছর স্কিনকেয়ার মেইনটেন্যান্স, এস্টেটিক ট্রিটমেন্ট, নিয়মিত ডার্মাটোলজিস্টদের পরামর্শ, ব্যালেন্সড লাইফস্টাইল, নিয়মিত ঘুম, হেলদি খাবার এবং আরও অনেক কিছু। তাদের ব্যবহার করা একটা প্রোডাক্ট হয়তো তাদের রুটিন এর ছোট্ট একটা অংশ, পুরোটা নয়। কিন্তু আমরা অনেক সময় সেই ছোট্ট অংশটাকেই পুরো সলিউশন ভেবে নেই। একই স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট একজনের স্কিনে দারুণ কাজ করতে পারে, আবার অন্য কারো জন্য তেমন ফল নাও দিতে পারে। কারণ প্রত্যেকের স্কিন আলাদা, স্কিন টাইপ, লাইফস্টাইল, ফুডহ্যাবিট আলাদা এমনকি এনভায়রনমেন্ট ও আলাদা। তাই কারো গ্লোয়িং স্কিন দেখে শুধু তার সেল্ফ এর প্রোডাক্ট কেনার আগে নিজের স্কিন এর কথা ভাবুন। স্কিনের টাইপ বুঝুন। কোন স্কিনকেয়ার এর ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো আপনার স্কিনে ভালো কাজ করে এটা বুঝুন।

কারণ স্কিনকেয়ার কখনো শর্টকাটে হয় না। সঠিক প্রোডাক্ট + সঠিক রুটিন + নিজের স্কিন-এর প্রয়োজন বোঝাই হলো সুন্দর ও হেলদি স্কিন এর আসল রহস্য।

27/06/2026

প্রচণ্ড গরমে শুধু শরীরই নয়, আমাদের ত্বকও অনেক বেশি স্ট্রেসের মধ্যে থাকে। অতিরিক্ত ঘাম, রোদের UV রশ্মি, ধুলাবালি এবং ডিহাইড্রেশনের কারণে ত্বক নিস্তেজ হয়ে যায়, ব্রণ বেড়ে যেতে পারে, সানবার্ন, রেডনেস এবং অতিরিক্ত অয়েলিনেসও দেখা দিতে পারে।

তাই এই সময়ে স্কিনকেয়ারে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনই আপনার ত্বককে রাখতে পারে সুস্থ, সতেজ ও উজ্জ্বল।

১. জেন্টল ক্লিনজিং দিয়ে শুরু করুন
দিনে ২ বার একটি মাইল্ড ক্লেনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। অতিরিক্ত ঘাম, সানস্ক্রিন ও ধুলাবালি ত্বকে জমে থাকলে পোরস বন্ধ হয়ে ব্রণ হতে পারে। তবে বারবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের ন্যাচারাল ময়েশ্চার নষ্ট হতে পারে।

২. হাইড্রেটিং টোনার ব্যবহার করুন
গরমে ত্বক দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। একটি অ্যালকোহল-ফ্রি, হাইড্রেটিং টোনার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং পরবর্তী স্কিনকেয়ার ভালোভাবে শোষণ হতে সাহায্য করে।

৩. হালকা ও হাইড্রেটিং সিরাম বেছে নিন
হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, প্যানথেনল, সেন্টেলা বা নিয়াসিনামাইড সমৃদ্ধ সিরাম গরমের সময় ত্বককে শান্ত রাখতে, অয়েল ব্যালেন্স করতে এবং স্কিন ব্যারিয়ারকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে।

৪. ময়েশ্চারাইজার বাদ দেবেন না
অনেকেই ভাবেন গরমে ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। আপনার স্কিন টাইপ অনুযায়ী একটি লাইটওয়েট, নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে এবং অতিরিক্ত তেল নিঃসরণও কম হবে।

৫. সানস্ক্রিনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
বাড়ির বাইরে থাকুন বা ঘরের ভেতরে, দিনের বেলায় অবশ্যই SPF 50 PA++++ সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। প্রতি ২–৩ ঘণ্টা পরপর পুনরায় লাগাতে ভুলবেন না, বিশেষ করে যদি বাইরে থাকেন বা বেশি ঘাম হয়।

৬. শরীরের ভেতর থেকেও হাইড্রেটেড থাকুন
পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং পানি সমৃদ্ধ ফল যেমন তরমুজ, শসা, কমলা ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখুন। সুস্থ ত্বকের জন্য ইননার হাইড্রেশনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

🚫 যা এড়িয়ে চলবেন
❌ অতিরিক্ত স্ক্রাবিং
❌ অ্যালকোহলযুক্ত স্কিনকেয়ার
❌ ভারী ও তেলযুক্ত ক্রিম
❌ সানস্ক্রিন ছাড়া রোদে বের হওয়া

মনে রাখবেন, সবার ত্বকের ধরন এক নয়। তাই অন্যের জন্য ভালো কাজ করা কোনো প্রোডাক্ট আপনার জন্যও একইভাবে কাজ করবে—এমনটা নয়। নিজের স্কিন টাইপ ও স্কিন কনসার্ন অনুযায়ী সঠিক রুটিন তৈরি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার স্কিন টাইপ যদি Oily, Dry, Combination, Sensitive বা Acne-প্রাণে হয়, তাহলে কমেন্ট করুন বা ইনবক্স করুন। আপনার ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত স্কিনকেয়ার সাজেস্ট করতে আমরা সবসময় প্রস্তুত।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhanmondi
Dhaka
1209