Ruhaff

Ruhaff

Share

রুহাফ – প্রকৃতির মূলেই আত্মবিশ্বাস
Ruhaff – Confidence Rooted in Nature MigraHeal Drops (Since 2024)

2.

শরীর ও মনের আরামে প্রকৃতির ছোঁয়া— Ruhaff তার যাত্র শুরু করেছে প্রাকৃতিক ব্য-থা নাশক তেল দিয়ে, ভবিষ্যতে আসছে আরও ভরসাজনক প্রাকৃতিক সমাধান।ইনশাআল্লাহ🌿

1. Pain Elixir oil (Since 2024)

3. .........coming Soon

🔎www.ruhaff.com

04/08/2026

'ব্যথা আছে ‍ঠিকই, কিন্তু থামার জন্য না'

23/07/2026

ব্যথা থেকে মুক্তি শরীরের এক্সট্রা ক্ষতি করা ছাড়াই।✅

'ব্যথা আছে ‍ঠিকই, কিন্তু থামার জন্য না'

19/07/2026

সাথে রাখুন রুহাফ ভেক্সন অয়েল!✅

'ব্যথা আছে ‍ঠিকই, কিন্তু থামার জন্য না'

18/07/2026

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাবা আমাদের সেরাটা বেছে দিয়েছেন। আমরা কি তার বেলাতে সেরাটা দিচ্ছি?

'ব্যথা আছে ‍ঠিকই, কিন্তু থামার জন্য না'

18/07/2026

ভালো পণ্যের সবচেয়ে সুন্দর বিজ্ঞাপন-
একজন সন্তুষ্ট ব্যবহারকারীর হাসি।💜💚

'ব্যথা আছে ‍ঠিকই, কিন্তু থামার জন্য না'

13/07/2026

আছে কি এমন কোনো গল্প যা তারা যাবার আগেই বলতে চান?

'ব্যথা আছে ‍ঠিকই, কিন্তু থামার জন্য না'

11/07/2026

ব্যথা জন্য আর তাহাজ্জুদ থাকবে না! ইনশাআল্লাহ

'ব্যথা আছে ‍ঠিকই, কিন্তু থামার জন্য না'

09/07/2026

১০০% সবাই উপকার পাবে?
না সবাই পাবে না তবে আলহামদুলিল্লাহ প্রায় ৯০+- গ্রাহক উপকার পাচ্ছে।

যারা পাচ্ছেন না তাদের বেশির ভাগের কারণ হচ্ছে তারা নিয়মিত ব্যবহার করছেন না।

দোয়া করি সবাই যেনো রুহাফ ভেক্সন এর উসিলায় ব্যথা থেকে মুক্তি পায়।

আল্লাহুম্মা বারিক।

'ব্যথা আছে ‍ঠিকই, কিন্তু থামার জন্য না'

04/07/2026

৩২ বছর বয়সী একজন মা, দুই সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ত সংসার। কিছুদিন ধরে খেয়াল করছিলেন পেটটা কেমন ফাঁপা লাগে, ক্ষুধা লাগে না, টয়লেটে গেলেও পেটটা ঠিক পরিষ্কার হতে চায় না। আমাদের অনেকের মতোই তিনিও এটাকে সিরিয়াসলি নেননি। ডাক্তার দেখানোর ঝামেলায় না গিয়ে পাশের ফার্মেসি থেকে নিজে নিজেই একটা গ্যাসের ওষুধ কিনে খাওয়া শুরু করলেন Seclo 40। প্রথম কয়েকদিনেই বেশ আরাম পেলেন।
তার সাথে ছিল একটা অভ্যাস, ভাত খাওয়ার পরপরই এক কাপ কড়া লিকারের চা না হলে তার চলতো না। আর ব্যস্ততার মাঝে দুধ, দই বা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া হতোই না বলা চলে।
কিন্তু সমস্যা হলো অন্য জায়গায়। ওষুধটা কিছুদিন বন্ধ রাখলেই পেট যেন আগের চেয়েও বেশি ফাঁপতো, গ্যাস হতো, অস্বস্তি বাড়তো। তার মনে মনে একটা ভয় ঢুকে গেল যে "এই ওষুধ ছাড়া বোধহয় আমার পেট আর চলবেই না, এটা আমাকে নিয়মিত খেয়ে যেতেই হবে।"
এই ধারণা থেকে, কোনো ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই, টানা ২ বছর তিনি প্রতিদিন Seclo 40 খেয়ে গেলেন।

গত কয়েক মাস ধরে তার হাত, পা আর কোমরে কামড়ানোর মত ব্যথা শুরু হয়েছিল। পরিবারের সবাইকে বলতেন "শরীরটা কেমন ম্যাজম্যাজ করে, হাড়ের ভেতর কামড়ায়।"
দুই বাচ্চার মা, সংসারের খাটুনি, সবাই ভাবল কাজের ক্লান্তি। তিনি নিজেও পাত্তা দেননি।

তারপর একদিন ঘরের ভেতর হাঁটার সময় খাটের পায়ার সাথে সামান্য একটা ধাক্কা লাগলো। আর তিনি ভারসাম্য হারিয়ে মেঝেতে পড়ে গেলেন। এতটুকু একটা সাধারণ পড়ে যাওয়া, কোনো বড় দুর্ঘটনা নয়। কিন্তু এই সামান্য আঘাতেই মট করে ভেঙে গেল তার হিপ জয়েন্ট (কোমরের নিচের হাড়ের জোড়া)।
অসহ্য ব্যথায় ছটফট করা অবস্থায় উনাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলো। এক্স-রেতে হিপ ফ্র্যাকচার ধরা পড়লো। অপারেশনের আগে রুটিন যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার (ব্লাড কাউন্ট, কিডনি-লিভার ফাংশন, ইসিজি) সেগুলো সব করিয়ে সফলভাবে অপারেশন শেষ হলো, হাড়ও জোড়া লাগানো হলো।

কিন্তু আসল রহস্যটা বের হলো অপারেশনের পর, পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে। রোগী তখন কিছুটা সুস্থ। ডাক্তার সাহেব ফাইলটা হাতে নিয়ে একটু সময় নিয়ে বসলেন পুরো ইতিহাসটা জানার জন্য। এক্স-রে রিপোর্ট আর হাড় ভাঙার ধরন দেখে তার খটকা লাগছিল, আসল এই বয়সের একজন মানুষের এত সামান্য একটা ধাক্কায় হিপ জয়েন্ট ভাঙার কথা নয়। লক্ষণগুলো পুরো Osteoporosis বা হাড় ক্ষয়ের মতো যা সাধারণত বয়সের ভারে বা নারীদের মেনোপজের (মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়া) পর দেখা যায়।

নিশ্চিত হওয়ার জন্য ডাক্তার সাহেব থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড, রক্তের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি লেভেল, কিডনির অবস্থা সব পরীক্ষা করালেন। কিন্তু অবাক করা বিষয়, সব রিপোর্ট একদম নরমাল এলো! শরীরে হাড় ক্ষয়ের কোনো দৃশ্যমান রোগ বা কারণ খুঁজে পাওয়া গেল না।

তখন ডাক্তার সাহেব একটা সহজ প্রশ্ন করলেন, "আচ্ছা মা, আপনি কি নিয়মিত অন্য কোনো ওষুধ খান?"
তিনি একটু ভেবে বললেন, "না তো তেমন কিছু না স্যার, শুধু গ্যাসের একটা ট্যাবলেট খাই মাঝে মাঝে..."

"মাঝে মাঝে মানে কতদিন ধরে? আর কতদিন পর পর খান?"
তিনি আমতা আমতা করে বললেন, "ঐ... প্রতিদিন সকালে একটা করে খাই, প্রায় ২ বছর ধরে।"

উত্তরটা শোনার সাথে সাথেই তিনি বুঝে গেলেন, আসল অপরাধী কে।
চলুন বুঝি শরীরের ভেতরে আসলে কী ঘটেছিল:

গ্যাস্ট্রিকের এই ওষুধগুলো (Omeprazole, Esomeprazole যাদের আমরা PPI বলি) মূলত পাকস্থলীর এসিড তৈরি বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমাদের শরীরকে খাবার থেকে ক্যালসিয়াম বের করে নিতে হলে এই এসিডেরই প্রয়োজন হয়। এসিড কমে যাওয়ায় তার শরীর খাবার থেকে ক্যালসিয়াম পাচ্ছিল না। একে তো খাবারে ক্যালসিয়াম কম ছিল, তার ওপর ভাত খাওয়ার পরপরই কড়া চা খাওয়ার অভ্যাস। চায়ের 'ট্যানিন' নামের উপাদানটি ক্যালসিয়াম শোষণে আরও বাধা দেয়।
তো শরীর যখন খাবার থেকে ক্যালসিয়াম পায় না, তখন সে পড়ে মহাবিপদে। কারণ রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক না থাকলে হৃৎপিণ্ড আর পেশি কাজ করবে না। তখন প্যারাথাইরয়েড হরমোন সক্রিয় হয়ে ওঠে। সে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখতে হাড় থেকে ক্যালসিয়াম চুরি করা শুরু করে।
দীর্ঘদিন ধরে রক্তে ক্যালসিয়ামের লেভেল ঠিক রাখতে গিয়ে হাড় ভেতরের দিক থেকে একদম ফাঁপা আর ভঙ্গুর হয়ে পড়েছিল। এই কারণেই ডাক্তার সাহেবের টেস্টে রক্তের ক্যালসিয়াম স্বাভাবিক এসেছিল, কিন্তু হাড়ের ভেতরের অবস্থা ছিল একদম শোচনীয়।

আসলে দীর্ঘদিন এই ওষুধ খাওয়ার পর হুট করে বন্ধ করলে পাকস্থলী রেগে গিয়ে হয়ে আগের চেয়েও দ্বিগুণ এসিড তৈরি করে। একে বলে 'রিবাউন্ড ইফেক্ট'। রোগীরা ভাবেন, "দেখলেন, ওষুধ ছাড়লেই গ্যাস বাড়ে, রোগ তো ভালো হয়নি!" আসলে এটা নতুন কোনো রোগ নয়, ওষুধ বন্ধ করার কারণে শরীরের একটা সাময়িক প্রতিক্রিয়া মাত্র। এই চক্রেই মানুষ বছরের পর বছর আটকে থাকে।
তার যে পেট ফাঁপা বা বদহজমের সমস্যা হচ্ছিল, সেটা আসলে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেই দিন দিন বাড়ছিল, আর তিনি ভাবছিলেন ওষুধটাই তার সমস্যা ঠিক রাখছে!

এখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, শুধু একটু সচেতন হওয়া দরকার। ডাক্তারের পরামর্শে নির্দিষ্ট মেয়াদে (যেমন ১ থেকে ৪ সপ্তাহ) গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ। (এই পোস্ট পড়ে আপনার চলমান কোনো জরুরি ওষুধ হুট করে বন্ধ করবেন না।)
সমস্যা হলো ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া, নিজের বুদ্ধিতে মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর এই ওষুধ চালিয়ে যাওয়া।
বিশেষ করে ১ বছরের বেশি সময় ধরে নিয়মিত উচ্চ ডোজে (যেমন ৪০ মি.গ্রা.) এই ওষুধ খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
ঝুঁকি তাদের আরও বেশি যাদের খাবারে ক্যালসিয়াম কম, যারা ধূমপান করেন, অলস জীবনযাপন করেন কিংবা পরিবারে হাড় ক্ষয়ের ইতিহাস আছে।

কখন একটু বাড়তি সতর্ক হবেন?
- যদি মনে হয় গ্যাসের ওষুধ ছাড়া আপনার একদিনও চলছে না।
- হাত-পা-কোমরে দীর্ঘদিন ধরে কোনো কারণ ছাড়াই কামড়ানো ব্যথা থাকলে।
- খুব সামান্য আঘাতেই হাড় মচকে বা ভেঙে গেলে।

আসলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা বদহজম মানেই কিন্তু "গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা" নয়। এর পেছনে আইবিএস (IBS), খাদ্যাভ্যাসের ত্রুটি, লিভারের সমস্যা বা অন্য অনেক কারণ থাকতে পারে; যা কেবল একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারই নির্ণয় করতে পারেন। গ্যাসের ওষুধ কোনো মুড়ি-মুড়কি নয় যে আজীবন খেয়ে যেতে হবে।
ডাক্তারের কাছে গেলে আপনি নিয়মিত নিজে নিজে যেসব ওষুধ খান, তার সঠিক তালিকাটা ঠিকমতো ডাক্তারকে বলা। এই একটি ছোট্ট তথ্যই ডাক্তারের কাছে পুরো রহস্যের সমাধান করে দিতে পারে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজতে রাখুন।
নিজে জানুন, প্রিয়জনকে জানান। সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

শাহরিয়ার, এমবিবিএস ফাইনাল ইয়ার, নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Dit Project, Merul Badda, Dhaka-1212
Dhaka