Bangla Health Tips

Bangla Health Tips

Share

Bangla Health Tips এর পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম।

23/03/2026

ঈদে অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, মিষ্টি জাতীয় খাবার এবং অনিয়ন্ত্রিত খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং ডায়াবেটিসের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ছাড়াও, অনিয়মিত ঘুম, বাইরের খাবার গ্রহণ এবং ভ্রমণজনিত ধকলের কারণে পেটের পীড়া, বমি, পানিশূন্যতা এবং ফুড পয়জনিংয়ের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ঈদের প্রধান স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সতর্কতা:

পাকস্থলীর সমস্যা: হঠাৎ ভারী খাবারের কারণে পেট ফাঁপা, গ্যাস ও এসিডিটি হতে পারে। তাই অল্প পরিমাণে বারবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।

রক্তচাপ ও হৃদরোগ: অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত মাংসে রক্তচাপ হঠাৎ বাড়তে পারে, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। চর্বি কম খাবেন এবং সালাদ বেশি রাখবেন।

ডায়াবেটিস: মিষ্টি ও ফিরনি পরিমিত খান, প্রয়োজনে ডায়েট মিষ্টি ব্যবহার করুন।

দূষিত খাবার: বাইরের খোলা খাবার বা অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে ফুড পয়জনিং ও ডায়রিয়া হতে পারে।

নিদ্রাহীনতা ও অবসাদ: অতিরিক্ত রাত জাগা ও দিনের বেলা বেশি ঘুমানো শরীরের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, তাই ঘুমের নিয়ম ঠিক রাখুন।

ভ্রমণ ঝুঁকি: যাত্রাপথে বিশুদ্ধ পানি ও ঘরের তৈরি খাবার খান, বাইরের পানীয় এড়িয়ে চলুন।

পরামর্শ: সুষম খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান এবং হালকা ব্যায়াম বা হাঁটার মাধ্যমে এবারের ঈদ স্বাস্থ্যকরভাবে উদযাপন করুন।

03/10/2024

বিবাহিতদের খাবার! ❤️
প্রতিদিন সকালের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন💕

15/08/2024

উচ্চতা বাড়াতে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ—

একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব হয় না। ছেলেদের ক্ষেত্রে এই বয়সের সীমা ১৬-১৮ বছর আর মেয়েদের ১৪-১৬ বছর।

১. ডায়েট: খাবারে প্রোটিন (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, বাদামজাতীয় খাবার) বেশি থাকবে। পাশাপাশি ওজন কমাতে ক্যালরি কম, এমন খাবার খেতে হবে। ক্যালরি কীভাবে কমানো যায়, শিখে নিতে হবে। রান্নায় তেল কম হবে। শরীরের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিদিন পরিমাণ মতো ভাগ করে করে খেতে হবে। কোনো পুষ্টি যেন বাদ না যায়।

২. ব্যায়াম: উচ্চতা বাড়াতে বাস্কেটবল, ভলিবল, সাঁতার, দড়ি লাফানো, সাইকেল চালানো, রিং ঝোলা ইত্যাদি ব্যায়ামগুলো বেশি ভালো। পাশাপাশি বাড়তি ওজন কমাতে দ্রুত হাঁটা, জগিং, দৌড়ানো ভালো। জিমে গিয়ে অ্যারোবিক এক্সারসাইজও করতে পারো।

৩. ঘুম: ওজন কমাতে বা উচ্চতা বাড়াতে রাতে পর্যাপ্ত (৬-৮ ঘণ্টা) ঘুম অত্যন্ত জরুরি। কারণ, রাতে ঘুমালে শরীরের গ্রোথ হরমোন (জিএইচ) হাড় ঘন ও লম্বা করার কাজ করে। এটাকে প্রাকৃতিকভাবে উচ্চতা বৃদ্ধির ওষুধ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের সামগ্রিক বৃদ্ধির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে রাত জেগে দিনে অনেকটা সময় ধরে ঘুমালে ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

৪. শারীরিক পরিশ্রম: দ্রুত ওজন কমানোর সবচেয়ে ভালো পথ হলো শরীরে জমা বাড়তি ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলা। তার জন্য শুয়ে-বসে থাকা কমিয়ে যতটা সম্ভব হাঁটাচলা করতে হবে। শারীরিক পরিশ্রম বাড়াতে হবে। এতে ওজন তো কমেই, শারীরিক বৃদ্ধিও ঘটে।

তোমার প্রতিদিনের জীবনযাপনের সঙ্গে মিল রেখে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শমতো ডায়েট চার্ট তৈরি করে নেওয়া জরুরি। তিনি একই সঙ্গে তোমাকে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমানো ও উচ্চতা বাড়ানোর আরও পরামর্শ দিতে পারবেন, যা তোমার উপযোগী।

30/06/2021

খুশখুশে কাশিতে ভুগছেন?

সমাধানঃ ১ টেবিল চামচ হলুদ এর সঙ্গে ১/৮ টেবিল চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো নিয়ে সেটি চা, দুধ কিংবা অন্য কোন পানীয় যেমন কোনো জুসে্র সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ দেয় হলুদ। কাশি কমাতে হলে হলুদের রস খেয়ে নিন কয়েক চামচ, কিংবা এক টুকরো হলুদের সাথে মধু মাখিয়ে তা মুখের মাঝে রেখে আস্তে আস্তে চুষতে পারেন।

22/05/2021

ত্বকের যত্নে ঘরোয়া ময়শ্চারাইজ়ার!

গরমকাল মানেই রোদ, ঘাম আর চিটচিটে ত্বক। রোজকার রূপরুটিনের এমনিতেই বারোটা বাজে তখন। ত্বক বেশি তৈলাক্ত হলে স্বাভাবিক ভাবেই গরমকালে ময়শ্চারাইজ়ার লাগানো এড়িয়ে যান অনেকে। কিন্তু ময়শ্চারাইজ়ার শুধু শীতে নয়, গরমেও লাগানো দরকার। ত্বকের ধরন বুঝে সব ঋতুতেই উপযুক্ত ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করতে পারলে ত্বক থাকবে কোমল। আর্দ্রতার অভাবে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। ত্বক উজ্জ্বলতা হারাতে থাকে। তবে হ্যাঁ, শীতে যে প্রডাক্ট ব্যবহার করতে পারেন, গরমে সেগুলো ব্যবহার না করাই ভাল। তাই প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার বেছে নিলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে, কিন্তু ত্বক তৈলাক্তও হবে না।

প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার

কাঠবাদাম ও মধুর প্যাকের কার্যকারিতা অনেক। কাঠবাদাম সারারাত ভিজিয়ে, পরদিন বেটে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু এবং সামান্য গরম জল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে ত্বকে ব্যবহার করুন।

একটি পাত্রে গরম জল নিন। তার উপরে একটা বাটিতে আধ কাপ নারকেল তেল ঢেলে, ওই অবস্থায় তিনটে ভিটামিন ই ক্যাপসুল, ১২ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মেশান। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে কাচের পাত্রে রেখে ব্যবহার করুন।

এক চামচ আমন্ড অয়েল আর বিওয়াক্স মিশিয়ে গরম করুন। ঠান্ডা হলে এক চামচ গ্রিন টি এসেন্স, এসেনশিয়াল অয়েল, অ্যালো ভেরা জুস, গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। ফ্রিজে রাখলেই তৈরি ময়শ্চারাইজ়ার। দূষণ থেকে বাঁচতে, ত্বকের দাগছোপ দূর করতে এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এটি খুবই ভাল।

দু’টি আপেলের বীজ বার করে সিদ্ধ করে মিক্সিতে মিহি পেস্ট বানান। মিশ্রণে এক চা চামচ অলিভ অয়েল দিন। ঠান্ডা হলে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই ভাল ময়শ্চারাইজ়ার।

এক চা চামচ কোকো বাটার আর আমন্ড অয়েল মেশান। একটা পাত্রে গরম জল নিয়ে তার উপরে অন্য একটি বাটি বসিয়ে কোকো বাটারের মিশ্রণটি ঢালুন। একটু ঠান্ডা করে এক চামচ মধু আর অল্প গোলাপ জল মেশান। ঠান্ডা হলে কাচের শিশিতে রাখুন। সংবেদনশীল ত্বকের এটি জন্য ময়শ্চারাইজ়ার হিসেবে দারুণ।

পরিষ্কার পাত্রে চার চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে দুই চামচ নারকেল তেল মেশান। ভাল করে মিশলে এক চামচ ভিটামিন ই ও আমন্ড অয়েল দিন। এটি রোজ স্নানের পরে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বক, দাগছোপ ইত্যাদি সমস্যায় বেশ ভাল কাজে দেয় এই ময়শ্চারাইজ়ার।

চটজলদি সমাধান...

তৈলাক্ত ত্বকে টম্যাটোর রস খুব ভাল ময়শ্চারাইজ়ারের কাজ করে।

ভিটামিন এ ভরপুর পাকা পেঁপের মধ্যে থাকা ফ্রুট এনজ়াইম ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। এক টুকরো মুখে মেখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

ময়শ্চাইজ়ারের সঙ্গে দু’-তিন কোয়া কমলালেবুর রস লাগালে ত্বকের কমনীয়তাও ফেরে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য মধু এবং ডিমের কুসুম খুব ভাল প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার। সমপরিমাণে মধু এবং ডিমের কুসুম মিশিয়ে মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে জলে ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে মুখ এবং ঘাড়ে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

অর্ধেক কলা এবং চার টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে মিনিট ২০ রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ময়শ্চারাইজ় করার সঙ্গে সঙ্গে উজ্জ্বলতাও বাড়ে।

দুই টেবিল চামচ মধু এবং কাঁচা দুধ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ময়শ্চারাইজ়ারের সঙ্গে টোনার হিসেবেও কাজ করে।

জবা ফুলের গুঁড়োর সঙ্গে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

শোয়ার আগে সমপরিমাণ গ্লিসারিন, গোলাপজল মিশিয়ে হাত, পা, ঠোঁট ও ত্বকে লাগান। এটি ন্যাচারাল ময়শ্চারাইজ়ার।

মুখ ধোয়ার পরে, স্নানের পরে এবং ঘুমোতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করে নিয়মিত হালকা ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করলে আপনার ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও কোমল।

19/05/2021

পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাবেন যে ভাবে।

18/05/2021

স্বাভাবিক উপায়ে হজমশক্তি বাড়াবেন কী করে? কী করে কমাবেন মেদ?

হজমশক্তি বা মেটাবলিজমের সঙ্গে ওজনের সম্পর্ক আছে। যাঁদের হজমশক্তি কম, তাঁদের শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মেদ জমে। নানা ভাবে মেটাবলিজম বাড়ানো যায়। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ সরল।

কী ভাবে স্বাভাবিক উপায়ে হজমশক্তি বাড়াবেন? রইল সন্ধান।

প্রোটিন খান: প্রতি বার খাবারে কিছুটা প্রোটিন রাখুন। ডিম, মাছ বা অল্প মাংস। প্রোটিন হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়। প্রতি বার অল্প করে প্রোটিন খেলে হজমশক্তি প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

পেশির গঠন: মনে রাখবেন শুধু মাত্র দৌড় বা ‘ফ্রিহ্যান্ড’ শরীরচর্চায় হজমশক্তি বাড়ে না। বরং যদি এমন শরীরচর্চায় নজর দেন, যেগুলিতে পেশির গড়ন ভাল হবে— তা হলে হজমশক্তি বাড়বে।

ঠান্ডা জল: বারবার জল খান। এতেও হজমশক্তি বাড়বে। মেদও কমবে। ঘরের তাপমাত্রার জল হজমশক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে।

অল্প খান, বারবার খান: এ ভাবে খেলে হজমশক্তি বাড়বে। একই সঙ্গে ক্যালোরিও কমবে তাড়াতাড়ি। অল্প করে খেলে শরীর সেই খাবারটাও সহজে হজম করে তাকে পেশি গঠনের কাজে লাগাতে পারে।

মশলা: রান্নায় কিছু মশলা দিন। গবেষণা বলছে, মশলা থেকে এমন কিছু উপাদান খাবারে মেশে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়।

কালো কফি: দীর্ঘমেয়াদি নয়, কিন্তু অল্প সময়ের জন্য নিজের হজমশক্তি বাড়াতে চাইলে দুধ-চিনি ছাড়া কালো কফি খেতে পারেন।

ভাল ঘুম: রাতে ৭-৮ ঘণ্টার ঘুম হজমশক্তি অনেকটাই বাড়িতে দিতে পারে। রোজ ভাল করে ঘুমালে এই কারণেই ওজন কমে অনেকটাই।

17/05/2021

দীর্ঘ কর্মঘণ্টা মৃত্যুর কারণ : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা

দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে বিশ্বে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্সের।

ইনভায়রনমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণা নিবন্ধটি দীর্ঘ কর্মঘণ্টা নিয়ে প্রথম কোনো বৈশ্বিক গবেষণা। এতে দেখা যায়, ২০১৬ সালে ৭ লাখ ৪৫ হাজার মানুষ দীর্ঘ কর্মঘণ্টা জনিত কারণে স্ট্রোক বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ২০০০ সাল থেকে এই হার অন্তত ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক মারিয়া নিরা বলেন, ‘সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার কর্মঘণ্টা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ তথ্যের মাধ্যমে যা করতে চাই তা হলো কর্মীদের সুরক্ষায় আরও পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রচারণা চালানো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৭২ শতাংশই পুরুষ এবং তারা মধ্যবয়সী অথবা আরও বয়স্ক। অনেক সময় তাৎক্ষণিক সময়ের চেয়ে এই মৃত্যু ঘটে অনেক পরে, হয়তো কয়েক দশক পরে।

এতে আরও দেখা গেছে, দক্ষিণ পূর্ব ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে ক্ষতিগ্রস্তের হার সবচেয়ে বেশি। এই অঞ্চলের মধ্যে চীন, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াও রয়েছে।

এই গবেষণায় ১৯৪ টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, সপ্তাহে ৩৫ থেকে ৪০ কর্মঘণ্টার চেয়ে ৫৫ বা তার বেশি কর্মঘণ্টার ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ ও হৃদরোগের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

এই গবেষণায় ২০০০ সালে থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই মহামারির বছর এতে যুক্ত করা হয়নি। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে বাসায় বসে কাজ করা এবং বৈশ্বিকভাবে অর্থনীতির গতি ধীর হয়ে যাওয়ার ফলে এই ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘মহামারি এমন বিষয়গুলোকে ত্বরান্বিত করছে যা কাজের সময় বাড়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দিতে পারে।’ ধারণা করা হচ্ছে, মহামারির সময় অন্তত ৯ শতাংশ মানুষ আগের চেয়ে বেশি সময় ধরে কাজ করছে।

বিশ্ব সংস্থার প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুসসহ সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, তারা নিজেরাও মহামারির সময় আগের চেয়ে বেশি সময় কাজ করছেন। মারিয়া নিরা বলেন, এই গবেষণার আলোকে তারা সংস্থাটির কাজের নীতি আরও উন্নত করবেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টেকনিক্যাল কর্মকর্তা ফ্র্যাঙ্ক পেগা বলেন, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা নিয়োগকর্তার জন্য উপকারী হতে পারে কারণ এর ফলে কর্মীর কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।

তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির সঙ্কটের মধ্যে কর্মঘণ্টা না বাড়ানোটাই আসলে বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক।

24/04/2021

"রমজানে শরীরের পুষ্টি গুণ ঠিক রাখতে আপনারা পুষ্টিকর খাবার খান। সেহরি & ইফতারে প্রচুর পরিমানে পানি প্রাণ করুন।"

10/10/2020

ঘাম হওয়ার কারণ ও করণীয়

গরমের সময় ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। তবে বেশি ঘাম হলে নানারকম সমস্যা হতে পারে।

ঘাম শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি। গরমে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে তা স্বাভাবিক রাখতে ঘাম হয়। এছাড়াও ঘামের সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যায়। গরমের দিনে ঘাম হওয়া অতি সাধারণ একটি বিষয়। তবে অতিরিক্ত ঘামের কারণে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ঘামের কারণ এবং এর বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার উপায় জানালেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

তিনি বলেন, “মানুষের শরীরে অ্যাক্রিন ও অ্যাপোক্রিন গ্ল্যান্ড নামক দুইধরনের ঘামগ্রন্থি থাকে। রোদের কারণে শরীরের তামপাত্রা বেড়ে যায়। তাই তাপমাত্রা স্বাভাবিক করে আনার জন্য ঘাম হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান বের করে দেওয়ার মাধ্যমে শরীরের ‘প্রটেকটিভ মেকানিজম’ হিসেবেও কাজ করে ঘাম।”

ঘাম হওয়ার আরও কারণ সম্পর্কে ডা. কামরুল হাসান বলেন, “গরম ছাড়াও পরিশ্রম, উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা, ভয়, রাগ ইত্যাদি কারণেও ঘাম হতে পারে। ঠাণ্ডা পরিবেশেও অনেকের হাত ও পায়ের তালু ঘামার সমস্যা দেখা যায়। এ ধরণের রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই থাইরয়েড গ্রন্থি কিংবা বিভিন্ন হরমোনজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।”

“নিউরোলজিকাল ও ঘুমের ওষুধ সেবন করলে কিংবা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণেও ঘাম হতে পারে।” বলেন ডা. কামরুল।

ঘামের অপকারীতা সম্পর্কে তিনি জানান, শরীরে ব্যাকটেরিয়া ছড়ানোর অন্যতম মাধ্যম হল ঘাম। ঘামাচি, চুলকানি, ব্রণ ইত্যাদি তো আছেই। তাছাড়া শরীরের ক্ষতস্থানেও ঘামের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে।

এছাড়া অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়, ফলে পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ঘামে ভেজা পোশাক দীর্ঘ সময় পরে থাকার কারণে ছত্রাকের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শরীর ঘামে ভেজা থাকলে ত্বকে ধুলাবালি আটকে থাকার পরিমাণও বেড়ে যায়।

ঘামের কিছু উপকারী দিকও আছে। এ সম্পর্কে ডা. কামরুল হাসান বলেন, “ঘামে শরীর ভেজা থাকার কারণে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায়। পাশাপাশি শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ বের করে দিয়ে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে। পরিষ্কার রাখে ত্বকের লোপকুপগুলো।”

অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণে করণীয়

অতিরিক্ত ঘাম হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। ফলের শরবত, গ্লুকোজ, স্যালাইন ইত্যাদি পান করাও বেশ উপকারী। তাছাড়া বাইরের গরম থেকে ঘরে ফিরে ঠাণ্ডা পানি না খেয়ে স্যালাইন বা গ্লুকোজ খাওয়ার পরামর্শ দিলেন ডা. কামরুল হাসান।

চা-কফি, ভাজাপোড়া-জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব কম খাওয়াই ভালো।

গরমের মৌসুমে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ নজর দিতে হবে। এক্ষেত্রে একাধিকবার গোসল করা যেতে পারে। তবে ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার ভয় থাকলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে নেওয়া যেতে পারে।

গরমে বাইরে থেকে ফিরেই অতিরিক্ত ঠাণ্ডা স্থানে বসা, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানীয় পান করা বা গোসল না করার পরামর্শ দেন ডা. কামরুল।

তিনি বলেন, “বাইরে থেকে এসে কিছুটা সময় জিরিয়ে নিতে হবে। এতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ পাবে। অন্যথায় ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে।”

এছাড়া ঘামে ভেজা জামাকাপড় বেশিক্ষন পরে থাকা উচিত নয়। গরমের দিনে হালকা রংয়ের পোশাক বেশি আরামদায়ক। ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে পারফিউম ব্যবহার করা যেতে পারে। আর ঘামাচি থেকে বাঁচতে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1230