ovizat.com

ovizat.com

Share

Health and beauty products

31/07/2026
30/07/2026

একটা জিনিস খেয়াল করেছেন?
বাসা থেকে বের হয়ে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার পথে রাস্তার দুপাশে তাকালে কী দেখেন? সারি সারি ঔষধের দোকান, আর অসংখ্য ক্লিনিক।
মনে প্রশ্ন জাগে না, এত ঔষধের দোকান কেন? এত ক্লিনিক কেন?

কারণ আমরা কম-বেশি সবাই অসুস্থতার ঝুঁকিতে আছি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের অনেকেরই নিয়মিত ঔষধের উপর নির্ভর করতে হয়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি ৭০-৮০ বছর পর্যন্ত সুস্থভাবে বাঁচতে পারি না?
সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, পারি।

ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত 'বাক ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ অন এজিং' এর গবেষকদের মতে, সঠিক লাইফস্টাইলের মাধ্যমে দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবন সম্ভব। প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ও সিইও এরিক ভার্ডিন বলেন, যদি আগে থেকেই বার্ধক্য প্রতিরোধে কাজ শুরু করা যায়, তবে অনেকে ৯০ থেকে ৯৫ বছর পর্যন্ত সুস্থ থাকতে পারেন।
এ বিষয়ে প্রথম আলো একটি রিপোর্ট করে ০২/০২/২০২৬ ইং তারিখে।

তাহলে সুস্থ থাকতে কী করবেন?
১. স্বাস্থ্যকর খাবার খান: প্রতিদিনের খাবারে পুষ্টিকর খাবার রাখুন। যেমন - ডিম, শাক-সবজি, ফলমূল।
২. ভালো ঘুমান: চেষ্টা করুন তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যেতে এবং তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে।
৩. সচল থাকুন: নিয়মিত হাঁটুন এবং হালকা ব্যায়াম করুন।
৪. ফাস্টিং করুন: নিয়ম মেনে ফাস্টিং শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৫. মানসিক শান্তি বজায় রাখুন: মানসিক শান্তির জন্য নিয়মিত নামাজ আদায় করুন অথবা মেডিটেশন করুন।
সুস্থতা একদিনে আসে না, এটি একটি প্রতিদিনের অভ্যাস। আজ থেকেই শুরু করুন, আজীবন সুস্থ থাকার স্বপ্ন দেখতেই পারেন।

পোস্ট শেয়ার করে সবাইকে সাস্থ্য সচেতন করে তুলুন। কোনো ঔষধ গ্রহণ বা বর্জনের আগে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

#স্বাস্থ্য #সচেতনতা

25/07/2026

যখন হেলদি লাইফস্টাইলে ছিলাম না। তখন প্রায়ই রেস্টুরেন্টে যেতাম। সেখানে খেতাম ফ্রাইড চিকেন, বার্গার, পিতজা, ফ্রেঞ্চফ্রাই জাতীয় খাবার। একটা জিনিস অনুভব করতাম, রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষন পরেই পিপাসা লাগত।
আপনার যদি রেস্টুরেন্টে এসব খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে ব্যাপার খেয়াল করেছেন নিশ্চয়ই। এসব খাবারের সাথে কোক খেয়েও কিছুক্ষন পরেই পিপাসা অনুভব করেন।
কেন এমন হয় ?
কারন এসব খাবারে ব্যবহার করা হয় টেস্টিং সল্ট। রাসায়নিক নাম ' মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট বা এমএসজি'। এই রাসায়নিক আমাদের কোষ থেকে পানি বের করে বাইরে নিয়ে আসে। তাই আমারা পিপাসা অনুভব করি।
আপনি যদি প্রতিদিন ১ গ্রাম এমএমজি খান তাহলে ইনসুলিন রেজিসট্যান্স বেড়ে যেতে পারে ১৪%। ল্যাবে প্রচুর পরিমান এমএমজি খাওয়ানো হয় কোন প্রাণীকে মোটা করার প্রয়োজনে। তাই বলা যায়, এ জাতীয় খাবার যত বেশী খাবেন, তত ওজন বাড়তে পারে।
এমএসজি'র সাথে ক্যান্সার থেকে শুরু করে অসংখ্য মেটাবলিক ডিজিজ ও ডিজর্ডারের সম্পর্ক। দোকানে পাওয়া আল্ট্রা প্রসেসড সব ফুডেই আছে এমএমজি'র উপস্থিতি।
বাসায় ফিরতে বাচ্চাদের এই খাবার গুলো কিনি আনন্দের সাথে। একটুও খেয়াল করিনা, পুষ্টি নাকি বিপত্তি কিনছি।
স্বাস্থ্যকর খাবারের পিছনে টাকা ব্যয় করুন। এতে আগামী দিনে সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। কমে যাবে ডাক্তার আর হাসপাতালের পিছনে সময় ব্যয় আর টাকা খরচের মচ্ছব উৎসব।

পোস্ট শেয়ার করে সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলুন।

21/07/2026

বাচ্চারা কথা শুনেনা। কিছু বললে চেঁচিয়ে ওঠে। মেজাজ খিটখিটে, কি করবেন আপনি? আপনাকে যা করতে তা বলব। তার আগে বিখ্যাত একজন মানুষের কাহিনী শুনি। তিনি ক্রোয়েশিয়ায় জন্ম গ্রহণকারী বিজ্ঞানী ' নিকোলাই টেসলা '।

তিনি তার কর্মজীবনের প্রায় সবটাই কাটিয়েছেন আমেরিকায়। কাজ করেছেন বিখ্যাত বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের সাথে। পৃথিবী যতটা টমাস আলভাকে চিনে ততটা টেসলাকে চিনেনা। কিন্ত বহু কল্যাণকর বিষয়ের উদ্ভাবক টেসলা। ইলন মাস্ক তার সম্মানেই ইলেকট্রিক গাড়ির নাম রেখেছেন ' টেসলা'।

কর্মজীবনে ঢুকেই টেসলা জুয়া খেলা শুরু করেন। জুয়ায় একেবারে ওস্তাদ। রীতিমত নেশায় আসক্ত হয়ে পরেন। কিন্ত তার বাবা জুয়া খেলা সহ্য করতেন না। বাবা-মা চিন্তিত হয়ে পড়লেন। টেসলা বাবাকে বোঝাতেন, "আমার তো নেশা ধরে না জুয়ার, যেকোনো সময় খেলা থামিয়ে দিতে পারব, কিন্তু কী লাভ জুয়া খেলা বন্ধ করে?"

বাবা মাঝে মাঝে প্রচণ্ড বকতেন, কিন্তু মা কখনো এমনটা করেননি। মা বুঝতে পেরেছিলেন, নিজে থেকে বুঝতে না পারলে ছেলে জুয়া ছাড়তে পারবে না।
একদিন দুপুরের পর, সব টাকা পয়সা হেরে বসে আছে টেসলা, তখন মা এসে তাকে আরও টাকা দিয়ে বললেন, 'যাও, উপভোগ করো জুয়া। আমাদের বাড়ি, জমিজমা যত দ্রুত শেষ হবে, তত তাড়াতাড়ি তোমার বুঝ হবে। তখনই কেবল তুমি এসব ছাড়তে পারবে।' খুব লজ্জা পেল বিজ্ঞানী। অনুতপ্ত হল। বাকি জীবনে আর কখনো জুয়া খেলেনি টেসলা।

তাই বলি কি, সন্তানের 'বোধ' কে জাগিয়ে তুলুন। আর বিশেষ খেয়াল রাখুন তার খাবারের দিকে। কেক, মিষ্টি, বার্গার, কুকিস এজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমান কার্ব থাকে। যা খাওয়ার পরে সাথে সাথেই শরীরে ইনসুলিন স্পার্ক করে। ইনসুলিন সব কার্ব কোষে ঢোকায়। এ কারনে ঘন ঘন ক্ষিধে লাগে, আর ঐ জাতীয় খাবার খেতে চায়। ব্লাড সুগারের ওঠানামার কারনেই মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।

তাই বাচ্চাকে প্রসেসড ফুডের বদলে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ান। ধীরে ধীরে আপনার সন্তানের মেজাজ ও আচরণ দুটোই শান্ত ও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
পোস্ট শেয়ার করে সব বাবা মাকে সহায়তা করুন।

18/07/2026

আপনার কফি খাওয়ার প্রধান কারন কি?
১. কফি আপনার এনার্জি বাড়ায়।
২. কাজে মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়।
৩. কফির স্বাদ আপনার বেশ ভালো লাগে।
৪. প্রতিদিন খাওয়ার অভ্যাস হয়েছে, তাই খান।
কমেন্ট বক্সে লিখে জানান আপনার কফি খাওয়ার কারন।

16/07/2026

হরমেটিক স্ট্রেস (Hermetic Stress )। সাধারণত চিকিৎসা ও বিজ্ঞানের ভাষায় এটি হরমিসিস। এটা আবার কি ? এটা হল এক ধরনের 'অল্প চাপ'।

যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয় বরং দীর্ঘমেয়াদে উপকারী। হরমিসিস শরীরকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

সহজ কথায়, "যা আমাদের মেরে ফেলে না বরং আরও শক্তিশালী করে তোলে।" এই দর্শনটাই হলো হরমিসিস বা হরমেটিক স্ট্রেস।
কেন একথা বলছি। আগামীকাল শুক্রবার। ছুটির দিনে আমি আপনাদের মনে করিয়ে দেই লম্বা ফাস্টিংয়ের কথা।

লম্বা ফাস্টিং করলে শরীরের উপর চাপ তৈরি। আর এই চাপে শরীরের ক্ষতি তো হয়ই না উলটো উপকার হয়। অটোফেজি চালু হয়। বিজ্ঞানীরা প্রমান করেছেন, অটোফেজি হরমিসিসে অবদান রাখে। তাপ, শক, প্রতিক্রিয়া, প্রোটোস্টেসিস এ অটোফেজির অবদান ইতিবাচক। যারা বয়স্ক তাদের এইচএসএফ ১ নিয়ন্ত্রিত ফাংশন গুলোতে অটোফেজি প্রয়োজন।

অতএব আগামীকাল ছুটির দিনে বার বার খাওয়া নয়। ফাস্টিং করুন। সারাদিনে একবারই স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

14/07/2026

সন্ধ্যার ঠিক পরপর। বাসায় ফিরতে বেশ তৃষ্ণা পেল আমার। চায়ের দোকান থেকে একটি পানির বোতল নিলাম। বোতলের মুখ খুলে একটি টুলে বসলাম।
পাশেই একটি ছোট রেস্টুরেন্ট। সেখানে পেঁয়াজু, বেগুনি, পুরি, টমেটো সস ইত্যাদি খাবার আছে। ভেতরে চারটে টেবিল। প্রতি টেবিলে চারটি করে চেয়ার। অনেকেই সন্ধ্যার স্ন্যাকস হিসেবে এই ভাজাপোড়া খাবারগুলো বেশ তৃপ্তি নিয়ে খাচ্ছেন।

অনেকেই আছেন যারা কোনো বাছবিচার ছাড়াই একের পর এক ভাজাপোড়া বা ভারী খাবার খেয়ে চলেন। অথচ ইদানিং একটা বিষয় খেয়াল করছি—আমাদের চারিপাশে অসুস্থ মানুষের ভিড় দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে যারা ৪০ পেরিয়েছেন, তাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৬ জনেরই কারো হার্টে রিং পরানো। কেউ ডায়াবেটিস বা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত। ক্যানসার, হৃদরোগ, কিডনি সমস্যার মতো রোগগুলো যেন ধেয়ে আসছে মহামারী আকারে!

অথচ এই বয়সে এসেও আমরা আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটুও খেয়াল রাখছি না। শরীরের জন্য ক্ষতিকর জেনেও প্রতিনিয়ত এই বাজে খাবারগুলো খেয়েই চলেছি, যা আমাদের অসুস্থতাকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

একবার নিজের দিকে খেয়াল করুন। আপনার সুস্থতাই কিন্তু আপনার ও আপনার পরিবারের আসল সুখ। আপনি সুস্থ থাকলে পরিবারকে আগলে রাখতে পারবেন। ভালো থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে বহুগুণ।
তাই বলি কি, লাইফস্টাইল বদলে ফেলুন। হেলদি লাইফস্টাইল অনুসরন করুন। আর শুরু করুন আজই। স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে পোস্ট শেয়ার করুন।

13/07/2026

সুপার ফুড। এখন বেশ পরিচিত শব্দ। কিন্ত কিনতে গেলে আমরা দ্বিধায় পরে যাই। এত দাম! কিনোয়া,ওটস, বাকহুইট ইত্যাদি। এগুলো আমদানিকৃত প্রডাক্ট, তাই দামও অনেক বেশি। আপনার হাতের কাছেই আছে একটি দেশি সুপার ফুড। দামেও সস্তা। নাম মিষ্টি আলু।
জেনে নিন মিষ্টি আলুর উপকারিতা আর রান্নার সহজ একটি রেসিপি।

১. ভিটামিন চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। বিটা ক্যারোটিনের অভাবে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। বিশেষ করে শিশু এবং প্রসূতিদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা যায়।

২. এতে থাকা ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা গাটের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে গাটের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৩. আঁশজাতীয় এই আলু খেলে ক্ষুধা লাগে না সহজে। প্রধান মিল হিসেবে, তাই এটি রাখতে পারেন।

৪. গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই উপকারী। এটি গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি সহায়ক।

৫. এতে থাকা পটাসিয়াম হার্টের রোগ থেকে দূরে রাখে। পাশাপাশি মাংসপেশি সুস্থতায় সহায়ক।

৬. এতে থাকা ফাইবার ব্লাড সুগার ও কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

৭. কলার চাইতেও বেশি পটাসিয়াম পাওয়া যায় এই আলু থেকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা খেতে পারেন এই আলু। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।

৮. এতে ক্যারোটিনয়েড এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা পেট, কিডনি এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

৯. স্নায়ুর সুস্থতা বজায় রাখে মিষ্টি আলু।

১০. ত্বক ও চুল ভালো রাখতে চাইলে নিয়মিত খান ।

বিভিন্ন ভাবে মিষ্টি আলু খেতে পারেন। আমি যেভাবে খাই, সেই রেসিপিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। যা যা লাগবে।

কিউব করে কাটা মিষ্টি আলু, পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, কাচামরিচ, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, পাঁচ ফোড়ন, লবন এবং সরিষার তেল।

চুলাতে কড়াই রাখুন। তেল ঢেলে দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিন। রসুন কুচি দিন। লবন দিয়ে একটু সময় নাড়ুন। এবারে পাঁচ ফোড়ন দিন। হলুদ, মরিচের গুঁড়ো দিয়ে অল্প পানি দিন। নাড়তে থাকুন। খানিক টা ঘন হয়ে এলে আলু গুলো ঢেলে দিন । ধীরে ধীরে খানিক টা সময় নাড়ুন। পানি কমে গেলে পরিমানমত পানি দিন, যাতে আলু ভালভাবে সিদ্ধ হয়। পানি প্রায় শুকিয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন। এখন খাওয়ার জন্য প্রস্তত সুপারফুড।

12/07/2026

কয়েকদিন আগে একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। একজন মা স্কুলগামী মেয়েকে নিয়ে রিক্সায় জ্যামে বসে আছেন। তার সামনে একটি ডিম ভর্তি ছোট ট্রাক। তিনি সেখান থেকে ডিম চুরি করলেন। ছোট মেয়ে তাকিয়ে দেখল, মা ডিম চুরি করছে। বাসায় গিয়ে এই ডিম দিয়ে তাকে নুডলস করে দিবে।
গতকাল রাত সাড়ে ৮ টায় ডিম নিয়ে ঘটল আরও মারাত্মক ঘটনা। রীতিমত দুঃখজনক।
সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকা। আলগী ইউনিয়ন। ভাঙ্গা উপজেলা, ফরিদপুর। বড় রাস্তা দিয়ে ডিম বোঝাই ট্রাক ঢাকা থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ চাকা ফেটে ট্রাক উল্টে যায়। ডিম ছড়িয়ে পরে রাস্তার উপর।
স্থানীয় কিছু লোক ডিম কুড়াতে শুরু করেন। এমন সময় ঢাকা থেকে নড়াইলগামী 'নড়াইল এক্সপ্রেসের' একটি বাস তাদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলে ৫ জন নিহত হন। ৮ জন আহত হন। গাড়িটি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
বিক্ষুদ্ধ জনতা রাস্তায় চলমান অন্য ৬ টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
বৃষ্টি ভেজা রাতের অন্ধকার। জনতা যদি ডিম না কুড়িয়ে পুলিশে খবর দিতেন। তাহলে এই মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের দেখতে হত না। ডিম ব্যবসায়ীর ক্ষতি কিছুটা কমত।
আর বৃষ্টি ভেজা রাস্তায় ড্রাইভার কিভাবে বেপরোয়া থাকে? এতগুলো মানুষের উপর বাস তুলে দেয় ! বীভৎস ব্যাপার।
আমরা সামান্য ডিমের লোভ সামলাতে পারিনা! আমাদের মানবতা, চরিত্র তলানিতে। আমাদের বিবেক বোধ জাগ্রত করা দরকার। নইলে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটতেই থাকবে। আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Dhaka
1216