CFC-Cumilla Feminine Club
Cumilla-3500, Bangladesh.
05/04/2021
প্রতিদিন গড়ে ৫৬ জন মেয়ে মারা যায়। একটি প্যাড সারাদিন পড়ার কারনে ।"
পুরো দিনের জন্য একটি একক প্যাড ব্যবহার করবেন না। আল্ট্রা ন্যাপকিনসে ব্যবহৃত রাসায়নিক যা তরলকে জেলে রূপান্তরিত করে, এটি মূত্রাশয় এবং জরায়ুতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
সুতরাং দয়া করে তুলার তৈরি প্যাডগুলি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং আপনি যদি আল্ট্রা প্যাড ব্যবহার করছেন। প্রতিদিন এটি কমপক্ষে ৫ ঘন্টা দিয়ে পরিবর্তন করুন।
যদি সময় দীর্ঘায়িত হয় তবে রক্ত সবুজ হয়ে যায় এবং গঠিত ছত্রাকটি জরায়ু এবং দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।
দয়া করে এই সংবাদটি সমস্ত মেয়ে এবং এমনকি ছেলেদের কাছে এগিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে লজ্জা বোধ করবেন না যাতে তারা তাদের স্ত্রী এবং মা-বোন, বন্ধুবান্ধবদের সাথে ভাগ করে নিতে পারেন, যাতে তারা যত্নবান হন।
সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ।
নিরাপদে থাকুন, সুস্থ থাকুন ।❣️🥀
24/03/2021
মাসিক নিয়ে আলোচনা হোক পরিবারেই
মাসিক কোনো রোগ নয়৷ প্রতিটা নারীর জীবনচক্রের একটা অংশ৷ তাই প্রতিটা মেয়ে যাতে মাসিক বিষয়টিকে আতঙ্ক হিসেবে না দেখে স্বাভাবিকভাবে দেখতে শেখে এবং সচেতন হয়, সেজন্য পরিবারের অবদান জরুরি৷
নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে একটি অধ্যায় ছিল ‘ঋতুস্রাব এবং এতে করণীয়'৷ আমাদের স্কুলটি ‘বালিকা বিদ্যালয়', অর্থাৎ এখানে কোনো বালকের স্থান ছিল না৷ আর যে শিক্ষক আমাদের পড়াতেন তিনিও নারী৷ কিন্তু তবুও ক্লাসে তিনি আমাদের বলেছিলেন এই অধ্যায়টা বাসায় পড়ে নিও৷ যখনই এই কথাটা উনি বললেন তখনই ক্লাসজুড়ে ফিসফাস মৃদু হাসির গুঞ্জন৷ ক্লাসের পরই ছিল টিফিন পিরিয়ড৷
তাই সবাই মিলে আড্ডা শুরু হলো৷ বিষয় ‘ঋতুস্রাব' বা মাসিক৷ সবাই যার যার অভিজ্ঞতা জানালো৷ এক বান্ধবী জানালো সে একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখে বিছানায় রক্ত৷ এ দেখে সে আঁৎকে উঠেছিল ওর মনে হয়েছিল ব্লেড দিয়ে ওর শরীর কেটে গেছে৷ আতঙ্কে মাকে ডেকেছিল ও৷ কিন্তু মা যখন দেখলেন তখনও কোনো স্বস্তি হলো না৷ বরং আতঙ্ক আরো বাড়িয়ে দিলেন তিনি৷ এখনই বাথরুম যাও, পোশাক বদলাও এবং যথারীতি তাকে এনে দিয়েছিলেন সুতি কাপড়৷ হ্যাঁ, বিংশ শতাব্দীতেও আমাদের মফঃস্বল শহরে বেশিরভাগ বাড়িতেই কাপড়ের চল ছিল৷ তুলা ব্যবহার করতো কেউ কেউ৷ কেবল বাজারে এসেছে ‘সেনোরা', টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখাচ্ছে তাই৷ কিন্তু দামের কারণে খুব কম মেয়েরাই তখন তা ব্যবহার করতো৷
এই বান্ধবীটির মতোই অন্যান্যদের একই গল্প৷ এ সময় দেহে কী কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে, মনে কী ধরনের পরিবর্তন হয়, এতে যে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই এমন কিছুই জানাননি মায়েরা, বাবা বা ভাই তো দূরের কথা৷ আর পরিবারে যেহেতু চল নেই তাই দিদি বা আপারাও বিষয়টাকে এড়িয়ে যেতেন৷ এ সব নিয়ে কারো সাথে কোন কথা বলাই যেন ‘নিষিদ্ধ'৷ আমরাও যখন ক্লাসরুমে বসে গল্প করছিলাম নিতান্ত নীচু গলায়, যাতে অন্য মেয়েরা শুনতে না পায়৷
যেহেতু কাপড় ব্যবহারের চল ছিল, তাই প্রায়ই মেয়েদের স্কুল ড্রেসে রক্তের দাগ লেগে থাকত, আর সেই একফোটা দাগের জন্য একটা মেয়ে যে কী পরিমাণ লজ্জায় সংকুচিত হয়ে যেত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না৷ আর আমাদের টয়লেটে প্যাড ফেলার কোনো জায়গা ছিল না বা বদলানোর মতো পরিচ্ছন্ন টয়লেটও ছিল না৷ বর্তমান অবস্থা বলতে পারবো না৷ তবে ধরে নিচ্ছি অনেক স্কুলের অবস্থা এখনও এইরকম৷ কেননা দিনাজপুর শহরে আমাদের স্কুলটি ছিল সবচেয়ে ভালো মানের৷
এখন আসি নিজের কথায়৷ বাবা মারা যাওয়ার পর আমাদের পরিবার তিন কন্যার৷ আমি, মা আর দিদি৷ বাবা মারা যাওয়ার সময় আমার আর দিদিন বয়স ১০ ও ১২ বছর৷ তাই দিদি এবং আমি দু'জনেই যখন রজঃস্বলা হলাম তখন কেবল মাকেই জানানোর কথা৷ কিন্তু দিদির মাসিক হওয়ার পর মা যা শুরু করলেন তাতে আমিও ভয় পেয়ে গেলাম৷ পূজার কোনো জিনিস ছোঁয়া যাবে না৷ কোনো ছেলের সাথে মিশবে না৷ সাবধানে থাকবে৷ যে কাপড় ব্যবহার করতো তা ছাদে শুকাতে দেয়া হতো অন্য কাপড়ের আড়ালে, যেন দেখা না যায়৷ এ সব আলোচনা হলেও মূল আলোচনা কিন্তু কখনোই হয়নি বা আশ্বস্ত করার মতো কোনো ব্যাপার ঘটেনি৷ আমার বান্ধবীর অনেক মায়েরাই আমার মায়ের চেয়ে উচ্চ শিক্ষিত ছিলেন তারাও মেয়েদের সঙ্গে এ ব্যাপারটা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছিলেন বলে শুনিনি৷
আমরা যেভাবে কাপড় ব্যবহার করতাম তাতে কত যে অসুখ হতে পারে তা এখন ভাবলে আতঙ্কিত হতে হয়৷ আর আমাদের মা-মাসিদের দেখলেও বুঝি৷ আমার মা, আমার বান্ধবীদের মা বা আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে অনেক নারীর জরায়ুতে টিউমার ধরা পড়েছে এবং অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে, হয়ত এটাও একটা কারণ৷ মাসিক নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলেও কোনোরকম আলোচনা হয়েছে বলে মনে পড়ে না৷ কিন্তু ফেসবুকের দরুণ এ বিষয়ে সচেতনতা চোখে পড়েছে গত কয়েক বছরে৷ বলিউড তারকারা খোলাখুলি কথা বলতে শুরু করলেন, এছাড়া আমাদের দেশের অনেক মেয়েরাই এ বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি শুরু করলেন৷
এ সব লেখা পড়ে জানতে পারলাম মাসিক নিয়ে কত ধরনের ভুল ধারণা প্রচলিত আছে৷ আর সেইসব ভুলের কারণে একটি মেয়ের শারীরিক মানসিক কত ক্ষতি হতে পারে৷ বাবা কিংবা মা যদি একটি নির্দিষ্ট বয়সে বা মাসিক হওয়ার পর মেয়েদের সাথে খোলাখুলি আলোচনা করেন, তাহলে ব্যাপারটা কতটা স্বস্তিদায়ক হতে পারতো৷ মাসিকের সময় প্রচণ্ড ব্যথায় প্রায় মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদে অনেক মেয়ে৷ তাদের ডাক্তার দেখানো হয় না৷ কেন তার ব্যথাটা ব্যতিক্রম এ নিয়ে পরিবারের কোনো মাথা ব্যথা নেই৷ অথচ আমি জার্মানিতে এসে ডাক্তার দেখানোর পর জানতে পারলাম কী কী কারণে এটা হতে পারে৷ শরীরে হরমোনের মাত্রা এক একজনের এক এক রকম৷ তাই প্রত্যেকের ক্ষেত্রে শারীরিক অস্বস্তিটাও ভিন্ন হতে পারে৷ কারো কারো মাথা ব্যথাও হয়, অনেকের বমি বমি লাগে৷ বেশিরভাগ মেয়েদের যেটা খুবই দেখা যায় সেটা হলো এ সময়ে অল্পতেই উত্তেজিত হয়ে যাওয়া৷
ব্যথা উপশমের কিন্তু ওষুধ আছে এবং জার্মানির ডাক্তার আমাকে বলেছিলেন মাসিক হতে পারে যে সময়ে তার আগেই ওষুধ খেয়ে নেয়া যাতে ঐ ব্যথায় কষ্ট না পাই৷ ফেসবুকে এক ছেলেকে লেখা মায়ের চিঠি দিয়ে লেখা শেষ করবো৷
এক মা তার ছেলেকে একটা চিঠি লিখেছেন, যেখানে খু্ব সুন্দর করে বর্ণনা করেছিলেন মেয়েদের মাসিক হলে কতটা কষ্ট হয়, সেসময় তাদের বিশ্রাম দরকার, ঠিকমত খাওয়া দরকার, পরিচ্ছন্ন থাকা দরকার৷ এমনকি স্কুলে ছেলে মেয়ে একসাথে পড়লে ছেলেরা কোনো মেয়ের জামায় দাগ দেখলে তা নিয়ে যদি কটূক্তি করে, তবে সেটা যে ঠিক নয় সেই মা তার ছেলেকে জানিয়েছিলেন৷ বলেছিলেন তার মেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে যেন বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলে, যেন সচেতনতার কথা বলে, বলে যে তাদের কষ্টটা সেও বোঝে কারণ তার মায়ের কষ্ট হয়৷
এই মায়ের মতো প্রতিটি পরিবারের বাবা-মা যদি ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে মাসিক নিয়ে আলোচনা করেন, তবে হয়ত এ বিষয়ে সচেতনতা আরো বাড়বে৷ মাসিক যে একটা নারীকে অন্য একটা প্রাণের জন্ম দেয়ার জন্য তৈরি করে, এটা যে তার জন্য কোনো অভিশাপ নয় বা সমাজের নিষিদ্ধ কোনো আলোচনার বিষয় নয়, মেয়েরা যেন তা বুঝতে পারে এবং ছেলেদের সঙ্গে এ বিষয়ে এ জন্য আলোচনা করা, যাতে ছেলেরা এসময় মেয়েদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারে৷ তাই পরিবারই হোক এক্ষেত্রে একটি ছেলে-মেয়ের সচেতনতার সূতিকাগার৷
09/11/2020
❤ বর্তমানের স্মার্ট রমনীরা সবকিছুই করেন স্মার্টভাবে ❤
শাড়ী, চুড়ি, কামিজ আন্ডার গার্মেন্টস সবকিছু ই কিনেন স্মার্টফোনে তাহলে আপনার একান্ত প্রয়োজনীয় পণ্যটি কেন কিনতে যাবেন পাড়ার মোড়ের দোকান থেকে?
আর নয় হেসিটেশন, কিন্বা লজ্জা কিনে নিতে পারেন পন্যটি এখান থেকেই।। ❤
অর্ডার করতে আপনার ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার টি লিখে আমাদের Page এ Message করুন ✅
Order করতে এখনি Inbox করুন 🙂
CFC-Cumilla Feminine Club
😍 Product List 😍
Code Name Price
________________________________________________
A1 - Senora Regular...10 pad .. 100 tk
A2 - Senora Confidence....10 pad.. 120 tk
A3 - Senora Confidence super long...10 pad.. 110 tk
A4 - Senora ultra thin heavy flow ...8 pad.. 110 tk
B1 - Whisper ultra clean... 8 pad... 140 tk
B2 - Whisper ultra soft ...7 pad ... 145 tk
B3 - Whisper ultra night ....7 pad ... 165 tk
B4 - Whisper Maxi fit ... 8 pad... 133 tk
B5 - Whisper Choice ultra ...6 pad.... 90 tk
C1 - Freedom Super Dry ....8 pad... 110 tk
C2 - Freedom Super Dry heavy flow ..16 pad.. 200 tk
D1 - Joya (Panty/Belt) ... 8 pad ... 70 tk
E1 - Monalisa (Panty/Belt) ...10 pad..... 90 tk
F1- Sofy Extra long ...3 pad..... 100 tk
F2- Sofy Extra havy flow night ....3 pad.... 90 tk
অর্ডার করতে আপনার ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার টি লিখে আমাদের Page এ Message করুন অথবা
Call করুন 01677-38 35 35
Payment - Cash on Delivery. 🙂
Delivery Charge-10 tk
❤ বর্তমানের স্মার্ট রমনীরা সবকিছুই করেন স্মার্টভাবে ❤
শাড়ী, চুড়ি, কামিজ আন্ডার গার্মেন্টস সবকিছু ই কিনেন স্মার্টফোনে তাহলে আপনার একান্ত প্রয়োজনীয় পণ্যটি কেন কিনতে যাবেন পাড়ার মোড়ের দোকান থেকে?
আর নয় হেসিটেশন, কিন্বা লজ্জা কিনে নিতে পারেন পন্যটি এখান থেকেই।। ❤
অর্ডার করতে আপনার ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার টি লিখে আমাদের Page এ Message করুন ✅
Order করতে এখনি Inbox করুন 🙂
CFC-Cumilla Feminine Club
😍 Product List 😍
Code Name Price
________________________________________________
A1 - Senora Regular...10 pad .. 100 tk
A2 - Senora Confidence....10 pad.. 120 tk
A3 - Senora Confidence super long...10 pad.. 110 tk
A4 - Senora ultra thin heavy flow ...8 pad.. 110 tk
B1 - Whisper ultra clean... 8 pad... 140 tk
B2 - Whisper ultra soft ...7 pad ... 145 tk
B3 - Whisper ultra night ....7 pad ... 165 tk
B4 - Whisper Maxi fit ... 8 pad... 133 tk
B5 - Whisper Choice ultra ...6 pad.... 90 tk
C1 - Freedom Super Dry ....8 pad... 110 tk
C2 - Freedom Super Dry heavy flow ..16 pad.. 200 tk
D1 - Joya (Panty/Belt) ... 8 pad ... 70 tk
E1 - Monalisa (Panty/Belt) ...10 pad..... 90 tk
F1- Sofy Extra long ...3 pad..... 100 tk
F2- Sofy Extra havy flow night ....3 pad.... 90 tk
অর্ডার করতে আপনার ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার টি লিখে আমাদের Page এ Message করুন অথবা
Call করুন 01677-38 35 35
Payment - Cash on Delivery. 🙂
Delivery Charge-10 tk
28/09/2020
বাংলাদেশে পিরিয়ড নিয়ে সচেতনতা নেই কেনো?
নারীর ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা বা নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার অন্যতম কারণ সমাজের রক্ষণশীলতা।
নাজিয়া পারভীন, মধ্য তিরিশের একজন গৃহিণী এবং শখের মডেল। জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকার মোহাম্মদপুরে।
বয়:সন্ধিকাল থেকেই তিনি পিরিয়ড বা ঋতু্স্রাবের সময় স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেছেন। তবে কোনদিনই নিজে দোকানে গিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন কেনেননি তিনি।
"আমি তো কোনদিনই যাইনি নিজে। বিয়ের আগে বাবা বা মা যেত। বিয়ের পরে স্বামী যায় আনতে।"
https://www.facebook.com/cfc.onlineshop/
এতো গেল শহরের পরিস্থিতি। কিন্তু গ্রামে কি অবস্থা? তা জানতে কথা বলেছিলাম ঢাকার কাছে মুন্সীগঞ্জের কয়েকজন নারীর সঙ্গে।
মাসিক বা ঋতুস্রাব বিষয়ক পরিচ্ছন্নতা প্রশ্নে তারা সমাজ ও লোকলজ্জার বাধা কাটিয়ে উঠতে পারেননি।
ফলে কেউই তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। সবাই জানালেন, তারা কাপড় ব্যবহার করেন।
সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ ও আইসিডিডিআরবি'র চালানো ২০১৪ সালের ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে বলা হয়েছে, পিরিয়ডের সময়কার পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রায় কোন ধারণাই নাই বেশির ভাগ নারীর।
এ নিয়ে সচেতন না থাকার কারণে নানা রকম অসুখবিসুখও হয় বলে শোনা যায়।
আর তা সম্পর্কেও হয়ত জানেন না অনেকে।
বলছেন, মুন্সীগঞ্জের জেলা স্বাস্থ্যকর্মী তাহমিনা আক্তার, "ন্যাকড়া ব্যবহারের জন্য ইনফেকশন হয়, জরায়ুর ইনফেকশন হতে পারে। এছাড়া ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হয়। মাসিক অনিয়মিত হয়, খুব পেট ব্যথা হয়।"
গবেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশে নারী স্বাস্থ্য, বিশেষ করে নারীর প্রজননস্বাস্থ্য এবং পিরিয়ড বা মাসিকের সময়ে পরিচ্ছন্নতা বা নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার অন্যতম কারণ সমাজের রক্ষণশীলতা।
আইসিডিডিআরবি'র গবেষণা কর্মকর্তা ফারহানা সুলতানা বলছেন তেমনটাই, "আমরা দেখেছি, এ নিয়ে মানুষের মধ্যে সংকোচ আছে, অজ্ঞতা আছে। লোকে এ নিয়ে কথা পর্যন্ত বলতে চায় না।"
"স্কুলগুলোয় পিরিয়ড সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা একেবারেই নেই। এসব কারণেই মেয়েদের অনেক সময় দ্রুত বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়।"
পিরিয়ডের মত একটা স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে লজ্জা আর সংকোচের শেষ নেই বাংলাদেশের সমাজে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক ট্যাবু পুষে না রেখে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা আর সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমেই এড়ানো যাবে নানা ধরণের অসুখবিসুখ।
বাংলাদেশে পিরিয়ড নিয়ে সচেতনতা নেই কেনো?
নারীর ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা বা নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার অন্যতম কারণ সমাজের রক্ষণশীলতা।
নাজিয়া পারভীন, মধ্য তিরিশের একজন গৃহিণী এবং শখের মডেল। জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকার মোহাম্মদপুরে।
বয়:সন্ধিকাল থেকেই তিনি পিরিয়ড বা ঋতু্স্রাবের সময় স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেছেন। তবে কোনদিনই নিজে দোকানে গিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন কেনেননি তিনি।
"আমি তো কোনদিনই যাইনি নিজে। বিয়ের আগে বাবা বা মা যেত। বিয়ের পরে স্বামী যায় আনতে।"
https://www.facebook.com/cfc.onlineshop/
এতো গেল শহরের পরিস্থিতি। কিন্তু গ্রামে কি অবস্থা? তা জানতে কথা বলেছিলাম ঢাকার কাছে মুন্সীগঞ্জের কয়েকজন নারীর সঙ্গে।
মাসিক বা ঋতুস্রাব বিষয়ক পরিচ্ছন্নতা প্রশ্নে তারা সমাজ ও লোকলজ্জার বাধা কাটিয়ে উঠতে পারেননি।
ফলে কেউই তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। সবাই জানালেন, তারা কাপড় ব্যবহার করেন।
সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ ও আইসিডিডিআরবি'র চালানো ২০১৪ সালের ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে বলা হয়েছে, পিরিয়ডের সময়কার পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রায় কোন ধারণাই নাই বেশির ভাগ নারীর।
এ নিয়ে সচেতন না থাকার কারণে নানা রকম অসুখবিসুখও হয় বলে শোনা যায়।
আর তা সম্পর্কেও হয়ত জানেন না অনেকে।
বলছেন, মুন্সীগঞ্জের জেলা স্বাস্থ্যকর্মী তাহমিনা আক্তার, "ন্যাকড়া ব্যবহারের জন্য ইনফেকশন হয়, জরায়ুর ইনফেকশন হতে পারে। এছাড়া ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হয়। মাসিক অনিয়মিত হয়, খুব পেট ব্যথা হয়।"
গবেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশে নারী স্বাস্থ্য, বিশেষ করে নারীর প্রজননস্বাস্থ্য এবং পিরিয়ড বা মাসিকের সময়ে পরিচ্ছন্নতা বা নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার অন্যতম কারণ সমাজের রক্ষণশীলতা।
আইসিডিডিআরবি'র গবেষণা কর্মকর্তা ফারহানা সুলতানা বলছেন তেমনটাই, "আমরা দেখেছি, এ নিয়ে মানুষের মধ্যে সংকোচ আছে, অজ্ঞতা আছে। লোকে এ নিয়ে কথা পর্যন্ত বলতে চায় না।"
"স্কুলগুলোয় পিরিয়ড সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা একেবারেই নেই। এসব কারণেই মেয়েদের অনেক সময় দ্রুত বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়।"
পিরিয়ডের মত একটা স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে লজ্জা আর সংকোচের শেষ নেই বাংলাদেশের সমাজে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক ট্যাবু পুষে না রেখে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা আর সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমেই এড়ানো যাবে নানা ধরণের অসুখবিসুখ।
CFC-Cumilla Feminine Club Cumilla-3500, Bangladesh.
👉পিরিয়ডে ব্যাথা.....জানুন ও জানান
CFC-Cumilla Feminine Club এ যুক্ত থেকে জেনে নিন পিরিয়ড সংক্রান্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 😍
আর হ্যা , আপনার একান্ত ব্যক্তিগত সেনিটারি নেপকিন পন্যটি পাচ্ছেন এখন আমাদের কাছে .
অর্ডার করুন আমাদের Page এ
👉 মাএ ২৪ ঘন্টার হোম ডেলিভারী
20/09/2020
অনিয়মিত পিরিয়ড | জেনে নিন কারণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে
১২-১৩ বছর বয়স থেকে ৪৫-৫০ বছর অবধি একজন নারীর প্রজননকাল। অর্থাৎ সন্তান ধারনের জন্য তাঁর শরীরে এই সময়ে প্রতি মাসে ডিম্বাণু তৈরি হয়। শুক্রাণুর সংস্পর্শে সেই ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে সেটা মাসিক রক্তস্রাবের মাধ্যমে নারীর শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এই মাসিক চক্র বা পিরিয়ড সাইকেল হিসাব করা হয় এক চক্রের শুরুর দিন থেকে পরবর্তি চক্রের প্রথম দিন পর্যন্ত। কিন্তু নানা কারণে এই নিয়মে ছন্দপতন ঘটতে পারে বা অনেক সময় মাসের পর মাস পুরোপুরি মাসিক বন্ধ থাকতে পারে। রেগুলার পিরিয়ড সাইকেল এর গড় সময় ২৮ দিন ধরা হয়। নারীর শরীর ভেদে, আবহাওয়া কিংবা মাসের ভিত্তিতেও এটি পরিবর্তন হতে পারে। তবে সাধারণত ২৪-৩৮ দিনের সাইকেল হলেও তাকে রেগুলার পিরিয়ড হিসেবে ধরা হয়। এর কম বা বেশি হলে বা সাইকেল বার বার পরিবর্তন হলে তাকে ইরেগ্যুলার পিরিয়ড বলা হয়। নারী শরীরে অনিয়মিত বা ইরেগ্যুলার পিরিয়ড একটি প্রচলিত সমস্যা। আসুন জেনে নেই অনিয়মিত পিরিয়ড কেন হয় তাঁর কিছু কারণ।
অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়ার কারণসমূহ
১) বয়ঃসন্ধিকাল
বয়ঃসন্ধির শুরুতে সাধারণত ১২-২০ বছর বয়সে অনেকের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্ট্রেরন হরমোনের অভাব থাকে তবে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে। এছারাও জন্মগত ত্রুটির কারণেও পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে।
২) জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল
বিবাহিত নারীরা হঠাৎ জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল বন্ধ করে দিলে বা বার বার ওষুধ পরিবর্তন করলে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে।
৩) পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম
এটি একটি পরিচিত হরমোনের সমস্যা যা শতকরা ৮-১০ জন নারীরই আছে। এর ফলে প্রতি মাসে ওভারি থেকে ডিম্বাণু নির্গমন হয় না। এই ডিম্বাণুগুলো ওভারিতে সিস্ট তৈরি করে ওভারির চারপাশে জমা হয় এবং শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে মাসিক সময় মত হয় না। কখনো কখনো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৪) মানসিক চাপ বা স্ট্রেস
মস্তিস্কে রয়েছে হাইপোথ্যালামাস নামের একটি বিশেষ অংশ, যেখান থেকে প্রতিনিয়ত নিঃসরিত হয় নানা ধরনের হরমোন। এর মধ্যে কিছু হরমোন রয়েছে, যা নারীদেহে মাসিকের জন্য প্রভাবকের কাজ করে। কিন্তু অতিরিক্ত মানসিক চাপে ভুগলে অনেক সময় হাইপোথ্যালামাস ঠিকমতো কাজ করে না। যার ফলে মাসিক শুরু হতে দেরি হয়।
৫) ওজন কম বা বেশি
ওজেন অতিরিক্ত তারতম্য হলে পিরিয়ডের উপর প্রভাব পড়ে। অতিমাত্রায় স্থুল নারীদের ওভারির চারপাশে ফ্যাট জমে ওভুলেশন-এ সমস্যা হয়। যার ফলে পিরিয়ড নিয়মিত হয় না। একি সাথে আবার অতিমাত্রায় ক্ষীণ স্বাস্থ্যও পিরিয়ড অনিয়মিত করতে পারে।
৬) থাইরয়েড-এর সমস্যা
থাইরয়েড গ্ল্যান্ড যা আমাদের গলার নিচে অবস্থিত। এটি শরীরে মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। থাইরয়েড গ্রন্থির যে কোন সমস্যার কারণে আপনার মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।
৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
অনিয়মিত মাসিক-এর আরেকটি প্রধান কারণ হলো অসুস্থতা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে শরীর দূর্বল হয়ে পড়ে, যার কারণে পিরিয়ড অনিয়মিত হয়ে যায়।
৮) প্রি-মেনোপজ
সাধারণত ৫০ বছর থেকে মেনোপজ বা একবারে পিরিয়ড বন্ধ হয়। অনেক সময় ৪০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যেই মেনোপজ শুরু হয়ে যেতে পারে। একে প্রি-মেনোপজ বলে। এই প্রি-মেনোপজ-এর সময় পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।
৯) ব্রেস্ট ফিডিং
ব্রেস্ট ফিডিং-কে বলা হয় ন্যাচারাল কন্ট্রাসেপ্টিভ বা প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা। যেসব মায়েরা বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ান তাদের পিরিয়ড সাধারণত বন্ধ থাকে বা অনিয়মিতভাবে হয়।
১০) অতিরিক্ত ভারি ব্যায়াম
অতিরিক্ত ব্যায়াম করলে পিরিয়ড ইরেগ্যুলার হতে পারে বা দেরি করে হতে পারে। যারা রেসার, হেভি ওয়েট লিফটিং করেন বা অন্যান্য কারণে নিয়মিতভাবে কঠিন পরিশ্রম করেন, তারা এই সমস্যায় ভুগতে পারেন। কারণ অতিরিক্ত এক্সারসাইজ ইস্ট্রোজেন লেভেল কমায়। যার ফলে পিরিয়ড বন্ধ হতে পারে।
নিয়মিত পিরিয়ড না হলে অনেক ধরনের সমস্যা হয়। এক মাসে হলে দেখা যায় আরেক মাসে হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে হয়তো দুই-তিন মাস পরপর পিরিয়ড হয়। কখনো অল্প রক্তপাত হয়, কখনো বেশি। সন্তান ধারণ ক্ষমতা হ্রাস প্রায়। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণও হতে পারে। এছাড়াও অনেক সময় মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে এবং অস্বস্তি বোধ তৈরি হয়।
কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?
সাধারণত জীবনে কিছু ক্ষেত্রে এমনিতেই অনিয়মিত পিরিয়ড হতে পারে। তাতে ভয়ের কিছু নেই। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মিত পিরিয়ড হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, যেমন-
১. যদি হটাৎ করে পিরিয়ড বেশি ইরেগুলার হয়ে যায়।
২. পর পর তিন মাস পিরিয়ড না হলে।
৩. যদি পিরিয়ড ২১ দিনের সাইকেলে হয়।
৪. পিরিয়ড সাইকেল ৩৫ দিনের বেশি হলে।
৫. যদি পিরিয়ডে অতিরিক্ত ব্যাথা থাকে বা অনেক বেশি হেভি ফ্লো থাকে।
৬. পিরিয়ড এক সপ্তাহের বেশি থাকলে।
৭. যদি ৪৫ বছর বয়সের আগে পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায় বা ৫৫ বছর বয়সের পরেও পিরিয়ড হতে থাকে।
মাঝে মাঝে পিরিয়ড একটু আধটু অনিয়মিত হলে তাতে চিন্তার কিছু নেই। তবে পিরিয়ড আমাদের সমাজে একটি ট্যাবু। অনেক মেয়েরাই পিরিয়ড নিয়ে নানান সমস্যায় গোপনে দিনের পর দিন ভুগে যায় কিন্তু কাউকে কিছু বলে না। যার ফলে অনেক সময়ই মারাত্মক বিপদ নেমে আসে। তাই খুব বেশি অনিয়মিত পিরিয়ড হলে বা পিরিয়ড নিয়ে যে কোন কিছু অস্বাভাবিক মনে হলে সাথে সাথে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।
শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ দিন 🙂✌️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Kandirpar
Comilla
3500