Asthma Care
কুরআনে প্রাকৃতিক উপাদানকে রোগমুক্তি, পুষ্টি ও সুস্থতার উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আল্লাহর করুণা ও মানব কল্যাণে সৃষ্টি।
12/07/2026
আমাদের পেশেন্ট দের কাছে মেডিসিন দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে থাকি। এবং আপনাদের সুস্থতাই আমাদের কাম্য 🌸
08/07/2026
এ্যাজমা মানেই
জীবন থেমে যাওয়া নয়।
সঠিক অভ্যাস,
পরিবেশ সচেতনতা
আর নিয়মিত কেয়ার
জীবনকে করে সহজ।
এ্যাজ'মা বা হাঁপানি হলো শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদী একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাসনালী ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হানী'র বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাশির মতো আওয়াজ ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাসনালীতে যদি ধুলা, ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সাথে সাথে বাড়তে থাকে এই প্রকোপ।
এ্যাজমার উপসর্গ গুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাসনালিতে কোনো ধরনের এ্যালজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কাশি বা শ্বাসকষ্ট বুকে বাশির মতো শো শো শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গ গুলোর সাথে বংশে কারও যদি এ্যাজমা আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যাজমা রয়েছে।
এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাপানি বা শ্বাসকষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুগন্ধি, মশার কয়েল বা কারও কারও কিটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে।
আপনার সমস্যার স্থায়ী সমাধান পতে এখুনি যোগাযোগ করুন আমাদের বিশেষজ্ঞ প্যানেল এর সাথে অথবা গ্রহণ করুন আমাদের অর্গানিক ফুড সাপ্লিমেন্ট ""অ্যাজমাটিক প্লাস""।
👉অথবা কল করুন-০১৩১১৩১৪৮০৮
22/06/2026
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন কালোজিরা, ফ্ল্যাক্স সিডস, তিল, চিয়া সিডস, সূর্যমুখীর বীজ, কুমড়োর বীজ ও তুলসী বীজ। এসব প্রাকৃতিক বীজে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, যা শরীরকে রাখে প্রাণবন্ত ও কর্মক্ষম।
21/06/2026
আর হবে না হাপা'নী বা শ্বাসকষ্ট....... এ্যা জমা বা হ্যা'পানী হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীঘমেয়াদি
একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হা'নীর বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন, কা শি, শ্বাস কষ্ট বু কে চাপ চাপ অনুভব করা দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি,
এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা, ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ।
এ্যা জমার উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাস নালিতে কোন ধরনের এ্যা লজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কা শি বা শ্বাস কষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাঁচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গ গুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি এ্যাজমায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যাজমা রয়েছে।
এ্যা জমা / হাঁপানি যে কোন বয়সে হতেই পারে। তবে শিশুদের ক্ষেএে এইরোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে কার ও কার বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণে ও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু থেকে, পশু পাখির পালক ছএাক,মল্ট, ইস্ট, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি / শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। কারও কার ও ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুগন্ধি, মশার কয়েেল বা কার ও কার ও কিটনাশকের গন্ধ থেকে ও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।
এ্যাজমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধি ও তত বৃদ্ধি পাবে।তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন।
বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। বিশ্বাস করেই দেখুন, অবশ্যই রেজাল্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ।।আপনি কি অ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট বা অ্যালার্জি সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন?
অ্যাজমা মূলত শ্বাসনালীর দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত সমস্যা, যা ধুলাবালি, ঠান্ডা পরিবেশ বা বংশগত কারণে হতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রদাহ ফুসফুসে জমে থাকা কফকে শক্ত ও আঠালো করে তোলে, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় ও পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়।
✅ আমার ১০০% প্রাকৃতিক ও স্থায়ী
15/06/2026
অ্যাজমা বা হাঁপানি হল শ্বাসকষ্ট জনিত সবচেয়ে সাধারণ একটি ব্যাধি এবং এটি ছোট শিশু এবং অল্প বয়সী বাচ্চাদের উপরেও প্রভাব ফেলতে পারে।তবে যথাযথ যত্ন এবং চিকিৎসাগত সহায়তা আপনার সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে পারে।আমরা এখানে আলোচনা করব অ্যাজমার বিভিন্ন কারণ ও উপসর্গগুলি এবং তার জন্য উপলব্ধ বিভিন্ন চিকিৎসা বিকল্পগুলি সম্পর্কে।
Advertisements
অ্যাজমা কি?
অ্যাজমা বা হাঁপানি হল শ্বাস-প্রশ্বাসের অ্যালার্জেন এবং উত্তেজক পদার্থের প্রতি উচ্চ সংবেদনশীল হওয়ার কারণে শ্বাসনালীর দুরারোগ্য ব্যাধি।অন্য কথায়, অ্যাজমাকে এমন এক চিকিৎসাজনিত অবস্থা হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে যেখানে শ্বাসনালী ফুলে ওঠে এবং তা ফুসফুসে বায়ুপ্রবাহে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়।বিভিন্ন উত্তেজক এবং পরিবেশ দূষণকারী (পরাগ রেণু, ধূলো, তামাক জাতীয় পণ্যের ধোঁয়া ইত্যাদি)পদার্থ থেকে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যে প্রতিক্রিয়া দেখায় তার ফলে অ্যাজমা হয়ে থাকতে পারে।অতএব অ্যাজমা এবং অ্যালার্জির মধ্যে একটি দৃঢ় যোগসূত্র আছে।এটি প্রায়ই দেখা গেছে যে, যে সকল লোকেরা অ্যাজমায় ভুগে থাকেন, তাদের শ্বাসনালী উচ্চ সংবেদনশীল হয়ে থাকে এবং সামাণ্য উত্তেজক বা অ্যালার্জেনগুলিতেও তাদের শ্বাসনালীতে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
একদম ছোট শিশু এবং ছোট বাচ্চাদের শ্বাসনালীটি তুলনামূলক বড় বাচ্চাদের তুলনায় ছোট হয়।আর ছোট শ্বাসনালীগুলি ভাইরাল বা ছত্রাক সংক্রমণ ও শ্লেষ্মার দ্বারা সহজেই অবরুদ্ধ হয়ে যায় বা শ্বাসনালী আঁট হয়ে যায় এবং তা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।সুতরাং, 12মাসের কম বয়সী শিশুদের অ্যাজমা হলে তা মারাত্মক জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
Advertisements
এটি শিশুদের ক্ষেত্রে কতটা সাধারণ?
প্রায় 10-12% বাচ্চাদের মধ্যেই অ্যাজমা প্রভাব ফেলতে পারে, আর এই পরিসংখ্যানটা ক্রমশ বাড়ছে।সাধারণত একটি বাচ্চার মধ্যে প্রথম অ্যাজমার লক্ষণ দেখা দিতে পারে মোটামুটি তার 5 বছর বয়সের আশেপাশের মধ্যে, তবে এটি বড় না হওয়া পর্যন্ত ধরা নাও পড়তে পারে।শিশুদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ ব্যাধির অন্যতম প্রধান একটি কারণ হল অ্যাজমা।
শিশুদের অ্যাজমা বা হাঁপানি হওয়ার কারণগুলি কি?
অ্যাজমার ঠিক যথার্থ কারণটি জ্ঞাত নয়, তবে এটি নিম্নলিখিত দুটির একটি কারণে হয়ে থাকতে পারেঃ
Advertisements
অ্যালার্জি ভিত্তিক অ্যাজমা বা হাঁপানি
অ্যালার্জি-ভিত্তিক অ্যাজমা বা হাঁপানি
11/06/2026
শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে?
কাশি, শ্বাসকষ্ট বা বুকের ভারে বিরক্ত?
🌿 প্রাকৃতিকভাবে হাঁপানি ও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ করতে চান?
তাহলে ভরসা রাখুন । অ্যাজমাটিক প্লাস – অ্যাজমা নির্মূল এ 💚
👉 নিয়মিত সেবনে শ্বাসনালী শক্তিশালী করে
👉 কাশি ও শ্বাসকষ্ট কমাতে সহায়তা করে
👉 ফুসফুসকে দেয় স্বস্তি ও আরাম
📞 আজই অর্ডার করুন
☎️ 01311314808
04/06/2026
প্রতিনিয়ত এরকম হাজার হাজার পেশেন্ট অর্ধেক ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করার মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ ❤️
আপনিও যদি শ্বাসকষ্ট ও এলার্জিতে ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে 📩
01/06/2026
এ্যাজ'মা বা হাঁপানি হলো শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদী একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাসনালী ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হানী'র বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাশির মতো আওয়াজ ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাসনালীতে যদি ধুলা, ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সাথে সাথে বাড়তে থাকে এই প্রকোপ।
এ্যাজমার উপসর্গ গুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাসনালিতে কোনো ধরনের এ্যালজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কাশি বা শ্বাসকষ্ট বুকে বাশির মতো শো শো শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গ গুলোর সাথে বংশে কারও যদি এ্যাজমা আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যাজমা রয়েছে।
আপনার সমস্যার স্থায়ী সমাধান পতে এখুনি যোগাযোগ করুন আমাদের বিশেষজ্ঞ প্যানেল এর সাথে অথবা গ্রহণ করুন আমাদের অর্গানিক ফুড সাপ্লিমেন্ট ""অ্যাজমাটিক প্লাস""।
👉 কোনো প্রকার অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া অর্ডার করুন- https://www.biocarepoint.shop/?m=0 -details
অথবা কল করুন-০১৩১১৩১৪৮০৮
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong