Dream 2.0

Dream 2.0

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dream 2.0, Chittagong.

05/08/2026

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি না থাকায় রাষ্ট্রপতির ক্ষোভ
​আজ ৫ই আগস্ট উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রচারিত একটি ডকুমেন্টারিতে তারেক রহমানকে ‘এক দফার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করার পর থেকেই জুলাইয়ের যোদ্ধা ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
​এ বিষয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মেজর হাফিজ মন্তব্য করেন, “এটা অবশ্যই একটি বড় ভুল হয়েছে। প্রথম ভুল হলো—এতে আবু সাঈদের কোনো ছবিই নেই! যে আবু সাঈদ এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রতীক, সেই আবু সাঈদের ছবি যেখানে নেই, সেটা কোনোভাবেই কোনো ডকুমেন্টারি হতে পারে না।”
​ভুল স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে, তবে সেই ভুলগুলো কীভাবে দ্রুত শুধরে নেওয়া যায়, তা নিয়ে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

05/08/2026

প্রবাসীর কষ্টের জীবন ও নির্মম বাস্তবতা! 🥀
​১২টি দীর্ঘ বছর প্রবাসে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেছেন জামাল উদ্দিন। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে অর্থ উপার্জন করেছেন, তার কানাকড়িও নিজের জন্য রাখেননি—সবটাই তুলে দিয়েছেন স্ত্রীর হাতে। এমনকি ২৫ বছর আগে ভালোবেসে নিজের পৈতৃক জমিও বিক্রি করে শ্বশুরবাড়িতে গড়ে তুলেছিলেন সংসার।
​কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস! কিডনি বিকল হয়ে যখন তিনি একেবারে ভেঙে পড়েছেন, জীবনের চরম দুঃসময়ে দেশে ফিরেছেন—ঠিক তখনই এক গভীর রাতে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে গেছেন তার নিজের স্ত্রী ও সন্তানরা! 💔
​এটি কেবল একজন মানুষের ট্র্যাজেডি নয়, এটি আমাদের সমাজের বিবেক ও মানবিকতার এক গভীর পরাজয়। প্রবাসী মানুষটি যখন বিদেশ থেকে টাকা পাঠান, তখন তিনি পরিবারের সবচেয়ে আদরের ও কাছের মানুষ। অথচ অসুস্থ হয়ে যখন তার উপার্জনের ক্ষমতা হারিয়ে যায়, তখন যদি তার পরিণতি এমন হয়—তবে তা সমগ্র সমাজের জন্যই এক লজ্জাজনক ও উদ্বেগের বিষয়।
​তাই আমাদের প্রবাসী ভাইদের প্রতি অত্যন্ত বিনম্র অনুরোধ:
​নিজের জন্য সঞ্চয় রাখুন: উপার্জনের পুরোটা অন্যের হাতে তুলে না দিয়ে, একটি নির্দিষ্ট অংশ সবসময় নিজের নামে সঞ্চয় করুন।
​সম্পত্তি নিজের কাছে রাখুন: আবেগের বশে নিজের পৈতৃক বা শেষ সম্বল সম্পত্তি অন্যের নামে লিখে দেওয়ার ভুলটি কখনো করবেন না।
​আর্থিক নিরাপত্তা সবার আগে: নিজের ভবিষ্যৎ ও চিকিৎসার কথা ভেবে সবসময় নিজস্ব আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
​বিশ্বাস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, ভালোবাসাও অমূল্য। কিন্তু বিশ্বাস করার পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তার দিকটিও সমানভাবে গুরুত্ব দিন। কারণ জীবন কখন, কীভাবে কোন মোড় নেয়—তা কেউ জানে না।

05/08/2026

জুলাই জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক চমৎকার ও সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য সবার নজর কেড়েছে।
​অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দর্শকসারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বসে থাকতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি তাঁর দৃষ্টিগোচর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের ড. ইউনূসের জন্য মঞ্চে একটি মর্যাদাপূর্ণ আসনের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।
​প্রধানমন্ত্রীর এমন আহ্বানে সাড়া দিয়ে ড. ইউনূস মঞ্চে আসেন এবং হাসিমুখে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের এই সুন্দর মুহূর্তটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়ায়।

05/08/2026
04/08/2026

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের একটি অত্যন্ত চমৎকার ও সময়োপযোগী বক্তব্য শুনলাম। তিনি বলেছেন—
"বর্তমানে দোয়ার মধ্যে বিদআত, নামাজের মধ্যে বিদআত, সবখানেই বিদআত ছেয়ে গেছে। এগুলো থেকে বের হতে হবে। আমরা একটি সুস্থ ইসলামিক সমাজ চাই, যা গড়ে উঠবে শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে। যদি আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি, যেখানে ইসলামিক মূল্যবোধের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাও থাকবে, তাহলে পুরো সমাজই উপকৃত হবে।"
​কথাগুলো সত্যিই অনেক অর্থবহ ও গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপাশি, উনার বাহ্যিক ও মানসিক কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনও লক্ষ্য করার মতো। আগে উনাকে দাড়ি ছাড়া দেখা গেলেও এখন তিনি সুন্নতি দাড়ি রেখেছেন এবং কথাবার্তাতেও বেশ পরিবর্তন এসেছে।
​অন্তরের খবর একমাত্র আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন—এটা লোক দেখানো নাকি নিখাদ পরিবর্তন। তবে যদি তিনি আন্তরিকভাবে নিজেকে পরিবর্তন করে থাকেন, তবে আলহামদুলিল্লাহ।
​আল্লাহ তাআলা উনাকে ইসলামের ওপর অটল রাখুন, সকল ভালো কাজের তাওফিক দান করুন এবং আমাদের দেশের জন্য কল্যাণকর ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দিন। আমীন! ❤️

03/08/2026

ফেসবুকের দেয়ালে আজ এমন এক ঐতিহাসিক দৃশ্য দেখলাম, যা দেখে আইনস্টাইনও কমাশূল হতেন!
​এই পাশে আমার ভাই রাশেদ মহাভারত উদ্ধার করছেন, আর ঠিক পাশেই গুরু রেক রনি সেই অমূল্য বাণী মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গিলছেন। দেখে মনে হচ্ছে আধুনিক যুগের এরিস্টটল আর প্লেটো বসে পলিসি মেক করছেন।
​কে কার চেয়ে কত বড় "জ্ঞানী" সুলভ কথা বলতে পারে—সেই প্রতিযোগিতা চলছে। তবে আমার ইমোশনাল সাপোর্ট পুরোপুরি ভাই রাশেদের দিকে, আশা করি উনি ১০-৯ গোলে ঠিকই লিড নেবেন।
​বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাল্লাটাও যদি এনে ট্রাম্প আর পুতিনকে একপাশে বসিয়ে দেন, আর ডানপাশে আমার এই দুই লিজেন্ডকে রাখেন—গ্যারান্টি দিচ্ছি, ডানপাশের দড়ি ছিঁড়ে নিচে পড়ে যাবে! এদের জ্ঞানের গভীরতা মাপার মতো থার্মোমিটার এখনও বিজ্ঞান আবিষ্কার করতে পারেনি।
​আফসোস একটাই—ভাইয়েরা আমেরিকায় জন্মাল না কেন? জন্মাল এই বাংলাদেশে! নইলে এতক্ষণে তো দুইটা নোবেল শিওর পকেটে ছিল! ☺

03/08/2026

সুন্দর ভিডিও

02/08/2026

এমন ফান করা উচিত না

02/08/2026

ফারজানা শান্তা ও জুলাই যোদ্ধা আমান আয়াশের মধ্যকার এই ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে বর্তমানে বেশ আলোচিত এবং এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এই পুরো বিষয়টিকে কয়েকটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা যায়:
​১. আইনি ও নীতিগত দৃষ্টিকোণ (সহিংসতা বর্জন)
​আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া: গণতান্ত্রিক সমাজে যে কেউ অপরাধমূলক বা উসকানিমূলক মন্তব্য করলে তার প্রতিবাদ করার আইনগত পথ রয়েছে। প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানানো কিংবা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ সবসময় থাকে।
​শারীরিক আক্রমণ: মতপার্থক্য যতই তীব্র হোক না কেন, আইন বা নৈতিকতা কোনোটিই কাউকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অধিকার দেয় না। বিশেষ করে জনসম্মুখে বা অফিসে গিয়ে হাত তোলা বা চড় মারার ঘটনাটি যেকোনো সভ্য সমাজে অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা হিসেবেই বিবেচিত হয়। সহিংসতা কখনোই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।
​২. মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম উসকানিমূলক বক্তব্য
​মতের স্বাধীনতা ও সীমানা: স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার সবারই আছে, কিন্তু সেই অধিকারের অপব্যবহার করে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য বা উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত সংবেদনশীল ও ক্ষতিকর।
​সামাজিক ক্ষোভ: যারা দেশের মানুষের আবেগ ও রক্তে অর্জিত জুলাইয়ের শহীদদের নিয়ে প্রতিনিয়ত নেতিবাচক ও আপত্তিকর মন্তব্য করে আসছেন, সাধারণ মানুষ এবং শহীদ পরিবারগুলোর মনে তাদের প্রতি চরম ক্ষোভ জমা হওয়াই স্বাভাবিক। আয়াশের ক্ষোভের মূল জায়গাটি ছিল এই আদর্শিক ও আবেগীয় আঘাত।
​মূল মূল্যায়ন
​কাজটি সমর্থনযোগ্য হয়েছে কি না—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি স্তরে দেওয়া যায়:
​আদর্শিক ক্ষোভের দিক থেকে: শহীদদের অবমাননার প্রতিবাদ করা এবং এর বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেওয়া বা আইনি জবাব চাওয়া একটি যৌক্তিক ও নৈতিক দাবি।
​পদ্ধতির দিক থেকে: প্রতিবাদের ভাষা বা পদ্ধতি যদি শারীরিক সহিংসতা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার পর্যায়ে চলে যায়, তবে তা সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। এটি সমাজকে আরও বেশি হানাহানি ও বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দেয়।
​তাই, আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করাটাই বেশি ফলপ্রসূ এবং গ্রহণযোগ্য পথ।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Chittagong