asthma reason
আপনাদের সন্তুষ্টি আমাদের সফলতা
18/03/2023
এ্যা'জ'মা শ্বা'স'কষ্ট - হাঁ'পা'নি ভয় আর নয়!!!
এবার নিন স্থায়ী সমাধান সম্পূর্ণ ন্যাচা'রা'ল ফুড সাপ্লিমেন্ট এর সাহায্যে।
ইন,হেলার কিংবা কেমিক্যাল জাতীয় মেডি,সিন প্রত্যাহার করুন মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই।সাথে রয়েছে সিনিয়র কনসালটেন্ট দ্বারা সার্বক্ষণিক পর্যাবেক্ষণ।
সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে হোম ডেলিভারিতে দেওয়া হবে। প্রোডাক্ট হাতে বুঝিয়ে নিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন।
আরো
বিস্তারিত জানিয়ে Send Message অপশন এ ক্লিক করুন অথবা সরাসরি কল করুন।
18/03/2023
ফুসফুস চিকিৎসা কেন্দ্র
আমাদের ফুসফুস চিকিৎসা কেন্দ্রের মূলে রয়েছে থাই, অ্যামেরিকান এবং ব্রিটিশ ইন্সটিটিউট থেকে আগত বিশেষজ্ঞরা। এই বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা সকল ধরনের ফুসফুর সংক্রান্ত রোগ এবং শ্বাসতন্ত্র রোগের পরীক্ষা, ডায়াগনোসিস, এবং চিকিৎসায় অভিজ্ঞ। এছাড়াও রিহ্যাবিলিটেশন এবং কনসাল্টেশন পরিষেবাও দেওয়া হয় যাতে রোগীর চিকিৎসার পর তাদের জীবনের মান উন্নয়ন করা যায়। চিকিৎসক এবং কর্মচারীরা একটি দল হিসেবে কাজ করে রোগীদের সর্বোত্তম সম্ভাব্য চিকিৎসা দেওয়ার লক্ষ্যে।
ফুসফুস এবং শ্বাসতন্ত্রের অস্বাভাবিক লক্ষণসমূহ
শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা, কাশি, বুকে ব্যথা এবং ফ্লেগমে রক্তপাত ইত্যাদি লক্ষণসমূহ নির্দেশ করে যে ফুসফুস এবং শ্বাসতন্ত্রের কোন রোগ বিদ্যমান।
পরিস্থিতি
হাঁপানি
সিওপিডি (দুরারোগ্য প্রতিবন্ধক ফুসফুস ঘটিত অসুখ)
শ্বাসের সাথে ভারী ধাতু গ্রহণে ফুসফুসের অসুখ, যেমন অ্যালুমিনোসিস
ফুসফুস ও চারপাশের টিস্যু এবং বায়ুথলির অসুখ
ফুসফুসে ক্যান্সার, ফুসফুসে মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সার (ফুসফুসের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়া ক্যান্সার), মেসোথেলিওমা
ফুসফুসের ফ্লুক এবং অন্যান্য ক্রিমি
ফুসফুসে সংক্রমণ, যেমন টিউবারকুলোসিস বা যক্ষ্ণা, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, ছত্রাকজনিত সংক্রমণ
ফুসফুসে রক্তজমাট হওয়া এবং ফুসফুস সংক্রান্ত উচ্চ রক্তচাপ
নাক ডাকা এবং নিদ্রাহীনতা
শ্বাসের সাথে ধূলোবালি গ্রহণে ফুসফুসের অসুখ
শ্বাসের সাথে অ্যাসবেসটস্ কণা গ্রহণে ফুসফুসের অসুখ
শ্বাসের সাথে বালিকণা গ্রহণে ফুসফুসের অসুখ
শ্বাসের সাথে বেরিলিয়াম কণা গ্রহণে ফুসফুসের অসুখ
18/03/2023
ত্বকের অ্যালার্জি হল এমন একটি অবস্থা যেখানে ইমিউন সিস্টেম কিছু ক্ষতিকারক পদার্থের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং সেগুলিকে অ্যালার্জেন হিসেবে চিহ্নিত করে। ত্বক একটি প্রতিক্রিয়া অনুভব করে যখন এটি একটি নির্দিষ্ট পদার্থের সংস্পর্শে আসে যার থেকে এটি অ্যালার্জি হয়। এক্সপোজার সরাসরি যোগাযোগ, ইনজেশন, ইনহেলেশন বা ইনজেকশনের মাধ্যমে হতে পারে। চিকিৎসাগতভাবে, সব ধরনের ত্বকের অ্যালার্জিকে বলা হয় অতি সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া। যেটি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসাবে প্রকাশিত হয় তাকে টাইপ 1 অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া বলা হয় এবং বিলম্বিত সূচনাকে টাইপ 4 অতি সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া বলা হয়।
ত্বকের অ্যালার্জির প্রকারগুলি কী কী?
কিছু ধরনের ত্বকের অ্যালার্জি আছে; তাদের মধ্যে কয়েকটি অন্তর্ভুক্ত:
ছত্রাক বা আমবাত
এটোপিক ডার্মাটাইটিস
অ্যালার্জিক ডার্মাটাইটিসের সাথে
18/03/2023
অ্যাজমা বা হাঁপানি আসলে শ্বাসনালির অসুখ। যদি কোনো কারণে শ্বাসনালি অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন ধরনের উত্তেজনায় উদ্দীপ্ত হয়, তখন বাতাস চলাচলের পথে বাধার সৃষ্টি হয়, ফলে শ্বাস নিতে বা ফেলতে কষ্ট হয়। * জেনেটিক কারণে যাদের অ্যালার্জি হয়। * বংশে মা-বাবা, দাদা-দাদি বা অন্য কারো হাঁপানি থাকলে হতে পারে।
18/03/2023
অ্যালার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি। অ্যালার্জিতে হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধের ভীষণ প্রতিক্রিয়া ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি জীবনকে দুর্বিষহ কর তোলে।
ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হল। ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ, গরুর দুধ খেলেই শুরু হতে পারে কারও কারও অ্যালার্জি।
অ্যালার্জি কী? কেন হয় এবং কী করেই বা এড়ানো যায়? তা নিয়ে কিছু আলোচনা করা যাক।
প্রত্যেক মানুষের শরীরে এক একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম থাকে, কোনো কারণে এ ইমিউন সিস্টেমে গোলযোগ দেখা দিলে তখনই অ্যালার্জির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
অ্যালার্জি
আমাদের শরীর সবসময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এ প্রচেষ্টাকে রোগ-প্রতিরোধ প্রক্রিয়া বা ইমিউন বলে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয়, এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়।
অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বহিরাগত বস্তুগুলোকে অ্যালার্জি উৎপাদক বা অ্যালার্জেন বলা হয়।
অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।
অ্যালার্জিক রাইনাইটিস দুই ধরনের
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।
পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।
লক্ষণ ও উপসর্গ
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
* ঘন ঘন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া
* নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া
* চোখ দিয়ে পানি পড়া
পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলো সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলোর চেয়ে তীব্রতা কম হয় এবং স্থায়িত্বকাল বেশি হয়।
অ্যাজমা বা হাঁপানি
এর উপসর্গ হচ্ছে কাশি, ঘন ঘন শ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো শব্দ হওয়া বা বুকে চাপ চাপ লাগা, বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝেই ঠাণ্ডা লাগা।
অ্যাজমা রোগের প্রধান উপসর্গ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই আওয়াজ
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট বা দম বন্ধ ভাব
* রাতে ঘুম থেকে উঠে বসে থাকা
আর্টিকেরিয়া
আর্টিকেরিয়ার ফলে ত্বকে লালচে ফোলা ফোলা হয় এবং ভীষণ চুলকায়। ত্বকের গভীর স্তরে হলে মুখ, হাত-পা ফুলে যেতে পারে। আর্টিকেরিয়ার ফলে সৃষ্টি ফোলা অংশগুলো মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী থাকে; কিন্তু কখনও কখনও বারবার হয়। যে কোনো বয়সে আর্টিকেরিয়া হতে পারে। তবে স্বল্পস্থায়ী আর্টিকেরিয়া বাচ্চাদের মধ্যে এবং দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকেরিয়া বড়দের মধ্যে দেখা যায়।
সংস্পর্শজনিত অ্যালার্জিক ত্বক প্রদাহ
চামড়ার কোথাও কোথাও শুকনো, খসখসে, ছোট ছোট দানার মত উঠা। বহিস্থ উপাদান বা অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে ত্বকে প্রদাহ বলে তাকে অ্যালার্জিক কনট্রাক্ট ডারমাইটিস বলা হয়।
লক্ষণ ও উপসর্গ
* ত্বকে ছোট ছোট ফোসকা পড়ে ফোসকাগুলো ভেঙে যায়।
* চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে ত্বকের বহিরাবরণ উঠে যায়।
* ত্বক লালচে হয় এবং চুলকায়; চামড়া ফেটে আঁশটে হয়।
অ্যাকজিমা
অ্যাকজিমা বংশগত চর্মরোগ; যার ফলে ত্বক শুষ্ক হয়, চুলকায়, আঁশটে এবং লালচে হয়। খোঁচানোর ফলে ত্বক পুরু হয় ও কখনও কখনও উঠে যায়। এর ফলে ত্বক জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত ত্বক থেকে চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে এবং দেখতে ব্রণ আক্রান্ত বলে মনে হয়। এটি সচরাচর বাচ্চাদের মুখে, ঘাড়ে, হাত-পায়ে বেশি দেখা যায়।
অ্যালার্জিক কনজাংটাইভাইটিস
চোখে চুলকানো ও চোখ লাল হয়ে যায়।
খাওয়ায় অ্যালার্জি
পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি হওয়া এবং ডায়রিয়া।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত অ্যালার্জি
এটি খুবই মারাত্মক। অ্যালার্জেন শরীরের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি শুরু হয়ে যেতে পারে। নিচে উল্লেখিত উপসর্গগুলো হতে পারে।
* চামড়া লাল হয়ে ফুলে উঠে ও চুলকায়।
* শ্বাসকষ্ট, নিঃশ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো আওয়াজ হয়।
* মূর্ছা যেতে পারে।
* রক্তচাপ কমে গিয়ে রোগী শকে চলে যেতে পারে।
সাধারণ অ্যালার্জি উৎপাদনগুলো
* মাইট মোল্ড ফুলের রেণু বা পরাগ
* ঠাণ্ডা এবং শুষ্ক আবহাওয়া খাদ্যদ্রব্য
* ঘরের ধুলা-ময়লা প্রাণীর পশম এবং চুল
* পোকামাকড়ের কামড় ওষুধসহ কিছু রাসায়নিক দ্রব্যাদি
* প্রসাধন উগ্র সুগন্ধি বা তীব্র দুর্গন্ধ।
প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা
রক্ত পরীক্ষা : বিশেষত রক্তে ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কিনা তা দেখা।
সিরাম আইজিই’র মাত্রা : সাধারণ অ্যালার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিই’র মাত্রা বেশি থাকে।
স্কিন প্রিক টেস্ট : এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন অ্যালার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর অ্যালার্জি আছে তা ধরা পড়ে।
প্যাঁচ টেস্ট : এ পরীক্ষা রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়।
বুকের এক্স-রে : হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্স-রে করে নেয়া দরকার; যে অন্য কোনো কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা।
স্পাইরোমেট্রি বা ফুসফুসেরর ক্ষমতা দেখা : এ পরীক্ষা করে রোগীর ফুসফুসের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায়।
সমন্বিতভাবে অ্যালার্জির চিকিৎসা হল
অ্যালার্জেন পরিহার : যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায় অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
ওষুধ প্রয়োগ : অ্যালার্জিভেদে ওষুধ প্রয়োগ করে অ্যালার্জির উপশম অনেকটাই পাওয়া যায়।
অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে অ্যালার্জিজনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অবহিত করেন। এটাই অ্যালার্জিক রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।
আগে ধারণা ছিল অ্যালার্জি একবার হলে আর সারে না। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসাব্যবস্থা যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। প্রথমদিকে ধরা পড়লে অ্যালার্জিজনিত রোগ একেবারে সারিয়ে তোলা সম্ভব। অবহেলা করলে এবং রোগ অনেকদিন ধরে চলতে থাকলে নিরাময় করা কঠিন হয়ে পড়ে।
18/03/2023
ধূমপান ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধূমপানের ফলে ফুসফুসে ক্যান্সার হয়ে প্রতি বছরই অনেক মানুষ মারা যায়। আর এই ফুসফুস রক্ষায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ধূমপান ছেড়ে দেয়া। কারণ ধূমপানের ফলে ফুসফুসের পরিবর্তন হয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
13/03/2023
অ্যাজমা বা হাঁপানি আসলে শ্বাসনালির অসুখ। যদি কোনো কারণে শ্বাসনালি অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন ধরনের উত্তেজনায় উদ্দীপ্ত হয়, তখন বাতাস চলাচলের পথে বাধার সৃষ্টি হয়, ফলে শ্বাস নিতে বা ফেলতে কষ্ট হয়।
অ্যাজমা কেন হয় :
Advertisement
* জেনেটিক কারণে যাদের অ্যালার্জি হয়।
* বংশে মা-বাবা, দাদা-দাদি বা অন্য কারো হাঁপানি থাকলে হতে পারে।
কখন বাড়ে :
ঘরবাড়ির ধুলা, ময়লা, মাইটেপোড়া, ফুলের রেণু, পাখির পালক, জীব-জন্তুর পশম, ছত্রাক ইত্যাদি অ্যালার্জিজনিত পদার্থ থেকে হাঁপানি হতে পারে। ফ্রিজের ঠান্ডা পানি, আইসক্রিম বা অন্যান্য ঠান্ডা পদার্থও হতে পারে হাঁপানি।
উপসর্গ :
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ
* বুক ভার হয়ে থাকা
* দম বন্ধ ভাব
* ঘনঘন কাশি
চিকিৎসা :
* হাঁপানির হাত থেকে সুস্থ থাকার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, যে জিনিসে অ্যালার্জি তা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা।
* স্টেরয়েড যেমন লোমেথাসন, বুডিসনহিড, গ্লুটিকাসন ইত্যাদি ওষুধগুলো সব সময় ব্যবহার করতে হয়।
* অ্যাজমা চিকিৎসার এগুলো হচ্ছে মূল ওষুধ। যেমন সালবিউটামল, টারবিউটালিন এগুলো তাড়াতাড়ি শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি দেয়। কিন্তু এগুলো শুধু শ্বাসকষ্ট, কাশি বা বুকে চাপ হলে ব্যবহার করতে হবে।
* শিশু হাঁপানিতে আক্রান্ত হলে তাকে সাধারণত ওষুধ ইনহেলার বা স্প্রের মাধ্যমে দেওয়া হয়। একজন ছোট শিশুর থেকে বিশেষ ধরনের মাস্ক ব্যবহার করা হয়।
* গর্ভাবস্থায় হাঁপানি হলে উচ্চরক্তচাপ, প্রিটাম লেবার, প্রিএকলামাসিয়া এবং শিশুর বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পারে। তাই মা ও সন্তানের ভালো স্বাস্থ্যের জন্য অ্যাজমা তাড়াতাড়ি সারিয়ে তোলা প্রয়োজন।
* হাঁপানি বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে ভাইরাস সংক্রমণ। এক্ষেত্রে হাঁপানি রোগীদের রোগ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে করোনা হলে তাতে মারাÍক শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এজন্য হাঁপানি রোগীদের নিয়মিত ওষুধ সেবন করে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
13/03/2023
যষ্টিমধু হিসেবে যা আমরা ব্যবহার করি তা আসলে গাছের শিকড়। এর প্রধান ব্যবহার ওষুধ হিসেবে। এটি আয়ুবের্দীয় বা হারবাল ওষুধ তৈরির অন্যতম উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বহুবছর ধরে। খাবারে সুগন্ধির কাজে ব্যবহার করা হয় যষ্টিমধু। শিকড়ের পাউডার মিষ্টি, বেকিং সামগ্রী এবং আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।শিকড়ের পাউডার অন্যান্য হারবাল চায়ে মিষ্টিকারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যষ্টিমধুর উপকারিতা -
• কাশি, গলাব্যথা কমাতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই
• বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে
• মুখের দুর্গন্ধ দূর করে
• ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, এসিডিটিতে উপকার পাবেন
• স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন
• ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করুন
• এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে, তারুণ্য ধরে রাখে
• লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে
• যষ্টিমধু, তিলের তেল ও আমলকি মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয়, খুশকির যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি মেলে।
খাওয়ার নিয়মঃ
ফুটন্ত পানিতে পরিমাণ মত যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পান করা যায়। এছাড়া দুধের সঙ্গেও পান করা যায়। আপনি চাইলে পরিমাণ মত শুধু গুঁড়াও খেতে পারেন।
13/03/2023
কালোজিরা যেসব রোগের মহৌষধ
সবার রান্নাঘরে থাকা উপাদানের মধ্যে একটি হলো কালোজিরা। বিভিন্ন ধরনের রান্নায় কম বেশি এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এই কালোজিরা বিভিন্ন রোগেরই মহাঔষধ। বিশ্বজুড়ে প্রাচীনকাল থেকে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
নিয়মিত কালোজিরা খেলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, একজিমা, এলার্জি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
কালোজিরায় ভিটামিন, স্ফটিকল নাইজেলোন, অ্যামিনো অ্যাসিড, স্যাপোনিন, ক্রুড ফাইবার, প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো লিনোলেনিক, ওলিক অ্যাসিড, উদ্বায়ী তেল, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম রয়েছে।
জেনে নিন কালোজিরার কিছু উপকারিতা:
১. ডায়াবেটিস সবচেয়ে বিপজ্জনক রোগ হিসেবে পরিণত হয়েছে। কালোজিরার তেল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে এক কাপ চায়ের সঙ্গে আধা চা চামচ তেল মিশিয়ে পান করুন।
২. ডায়েটের জন্য কালোজিরা দারুণ কাজ করে। রুটি ও তরকারিতে ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেই মধু ও পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে থাকেন। কালোজিরা ওটমিল ও টক দইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে খেলে বেশ উপকার পাবেন।
৩. লেবুর রস ও কালোজিরা তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের অনেক সমস্যার সমাধান পেতে পারেন। লেবুর রস ও কালোজিরার তেল মিশিয়ে দিনে দু’বার মুখে লাগান। ত্বকে ব্রণ ও দাগ অদৃশ্য হয়ে যাবে।
৪. কালোজিরা তেল মাথাব্যথার জন্য একটি পুরানো ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে বলা হয়। এটি মাথার ত্বকের ম্যাসাজ করুন।
৫. সরিষার তেলের সঙ্গে কালোজিরা তেল গরম করে হাঁটু বা অন্যান্য জয়েন্টগুলোতে ম্যাসাজ করতে পারেন। এটি জয়েন্টের ব্যথা থেকেও মুক্তি পেতে সহায়তা করবে।
৬. কালোজিরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায়, প্রদাহ, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করার ক্ষমতাসহ লিভারকে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করে। কালোজিরা রাসায়নিকের বিষাক্ততা কমাতে পারে। লিভার ও কিডনি ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
৮. সর্দি-কাশিতে আরাম পেতে, এক চা চামচ কালোজিরার তেলের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু বা এক কাপ লাল চায়ের সঙ্গে আধ চা চামচ কালোজিরের তেল মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালিজিরা বেঁধে শুকালে, শ্লেষ্মা তরল হয়। পাশাপাশি, এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসি পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি কমে। বুকে কফ বসে গেলে কালিজিরে বেটে, মোটা করে প্রলেপ দিন একই সাথে।
৯. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।
১০. নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালনের বৃদ্ধি ঘটে; যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
১১. নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। কালোজিরা শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে।
১২. যেসব মায়েদের বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের মহৌষধ কালোজিরা। প্রসূতি মায়েরা প্রতি রাতে শোয়ার আগে ৫-১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সাথে খেলে মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালোজিরা ভর্তা করে ভাতের সাথে খেলেও ভাল। এছাড়া ১ চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিন ৩বার করে নিয়মিত খেলেও শতভাগ উপকার পাওয়া যায়।
এছাড়াও নিয়মিত কালোজিরা সেবনে চুলের গোড়ায় পুষ্টি ঠিকমতো পায়, ফলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয়। অনেকেরই চুল পড়া, দুর্বল চুল, শুষ্ক চুল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা থাকে। এক্ষেত্রে সপ্তাহে কয়েকবার কালোজিরার তেলের ব্যবহার চুলের সমস্যাকে দূর করতে পারে।
এটি নিয়মিত রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন। আরও ভাল প্রভাবের জন্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে পান করুন। পারলে প্রতিদিন সকালে কাঁচা চিবিয়ে খান।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Ctg
Chittagong
4000