Ountu's Closet
My thinking
মা যদি সন্তানকে শেখান ফুপু-চাচাদের অসম্মান করতে, আর বাবা যদি শেখান মামা-খালাদের তুচ্ছ করতে তাহলে সেই সন্তানের কাছ থেকে ভবিষ্যতে নিজের জন্য সম্মান আশা করা কতটা যুক্তিযুক্ত?
শিশুরা যা দেখে, তাই শেখে। আপনি যদি তাকে সম্পর্ক ভাঙতে শেখান সে একদিন সেই শিক্ষাই আপনার ওপর প্রয়োগ করবে। কারণ আচরণও উত্তরাধিকার হয়ে যায়।
বড়দের মধ্যে মতবিরোধ থাকতেই পারে। সম্পর্ক দূরে রাখতে পারেন, সীমারেখা টানতে পারেন। কিন্তু নিজের রাগ, অহংকার বা প্রতিশোধের অস্ত্র হিসেবে সন্তানকে ব্যবহার করা শুধু ভুল নয় বরং অত্যন্ত নীচ মানসিকতার পরিচয়।
আমার নিজের সন্তানদের সামনে অনেকেই আমাকে ভয়াবহভাবে অপমান ও অপদস্ত করেছে। এমন মুহূর্তও গেছে, যখন আমার সঙ্গে আমার সন্তানরাও কেঁদেছে। তারা সত্য-মিথ্যা অনেক কিছুই জানে, অনেক কিছুই দেখেছে। তবুও আমি কখনো তাদের এমন শিক্ষা দিইনি যাতে তারা কারও সঙ্গে এমন আচরণ করে যা তাদের বাবা-মাকে অসম্মান করে। কারণ আমি জানি সন্তানকে বেয়াদবি শেখানো খুব সহজ কিন্তু তাকে ভদ্রতা ও সম্মানের শিক্ষা দেওয়া অনেক কঠিন।
আমি কখনো চাই না আমার চরম শত্রুও যেন আমার সন্তানকে "বেয়াদব" বলে পরিচয় করিয়ে দিতে পারে। কারণ একজন সন্তানের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার ব্যবহার, তার ভদ্রতা এবং তার চরিত্র।
যারা আপনাকে সম্মান করে না, তারা আপনার সন্তানকেও সত্যিকারের ভালোবাসবে না, এটা সত্য। কিন্তু সেই কারণে শিশুর মনে ঘৃণা, অবজ্ঞা আর অসম্মানের বীজ বপন করা কোনো সমাধান নয়।
শিশুরা ফেরেশতার মতো নিষ্পাপ, কোমল কাঁদামাটির মতো। আপনি তাদের হৃদয়ে যা রোপণ করবেন, ভবিষ্যতে সেটাই ফল হয়ে ফিরে আসবে। তাই সন্তানকে প্রতিশোধ নয়, সম্মান শেখান। ঘৃণা নয়, মানবিকতা শেখান। কারণ আজ সে অন্যকে যেভাবে সম্মান করতে শিখছে, কাল ঠিক সেভাবেই আপনাকেও মূল্যায়ন করবে।
কখনো কখনো মনে হয় জীবনটা যেন অসহনীয় ভারে ভরে গেছে। তবুও প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠি, কারণ আমি জানি—আমার ভেঙে পড়ার অধিকার নেই। আমার দুই সন্তানের জন্য আমাকে শক্ত থাকতে হবে। কিন্তু সত্যি বলতে, এই ভারী জীবনটা বয়ে নিয়ে চলতে গিয়ে আমি আজ খুব ক্লান্ত। খুব, খুব ক্লান্ত। 💔
মেয়েদের বলছি বেশি কাজের হবেন না।বেশি পারফেক্ট হইতে যাবেন না।পারফেক্ট হোম,পারফেক্ট রান্না,পারফেক্টভাবে বাচ্চা পালা, এইগুলা করে নিজের শরীর, মন সব ধংস করে কি পাবেন?দিন শেষে শুনতে হবে এই বয়সেই এত রোগ তোমার।
দিন শেষে কিছু মানুষ দেখায় দিবে আপনার অবস্থান। যেসব বাচ্চারা একা একা বড় হয়, বুয়ার হাতের রান্না খেয়ে বড় হয় কিন্তু ভালো থাকে।এত ভালো মা বউ হওয়া লাগবে না। খারাপ পুরুষদের কাছে আপনার ভ্যালু শুন্য। তারা নিজেদের সকল অপূর্ণতা জীবন সঙ্গীর ভেতর খুঁজে বেড়ায়। যে পুরুষ একটা ডিমভাজি করে খেতে পারেনা,এক প্লেট ভাত রান্না করতে পারেনা, সে কখনও নিজের যোগ্যতা নিয়ে চিন্তা করবে না। সে চিন্তা করবে তার স্ত্রী কি পারে আর কি পারে না। তার কাছে কখনো আপনি আপনার রান্নার প্রশংসা পাবেন না, আপনার ঘাম ঝরা খাটনি,আপনার ক্লান্তিময় শরীরের ব্যাথা তার চোখে কখনো পড়বে না। আপনার অসুখ বিসুখে কখনো তার মনে মায়া জন্মাবেনা।আপনার উদাসীন দুপুর, নির্ঘুম রাত তার মনে বিন্দু পরিমাণ দাগ কাটবে না। সংসার আর যাই হোক মায়া ছাড়া হয় না।একি বিছানায় থেকেও দুটি মানুষ দুজনের কাছ থেকে কত দূরে। এই দূরত্ব এক দিনের না যুগের পর যুগ ধরেই চলছে এই মনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ,সব ঠিক হয়ে যাওয়ার আপ্রান চেষ্টা । দুনিয়ায় যদি কেউ জাহান্নামের সাধ পেতে চায় সে যেন একটা ভুল মানুষকে বিয়ে করে।
অনেকে বলে না একটা বাচ্চা নাও সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। একটা বাচ্চা হওয়ার পরে কখনো কিছু ঠিক হয় না।কত দম্পত্তির তো কোন বাচ্চাই নেই, কিন্তু ভালোবাসাটা ঠিকঠাক আছে। যেখানে ভালোবাসা আছে সেখানে বাচ্চা,পারফেকশন এইগুলা কোন ম্যাটার করেনা। আপনি আপনার কদর কখনোই ভুল মানুষের কাছে আশা করবেন না। নিজেকে ভালোবাসুন এখনো সময় আছে। মেয়েরা নিজের ভ্যালু নিজেই কমাই ভুল মানুষের কাছে প্রত্যাশা করে।
কত নারী দেখতে ভালো না, সঙ্গীর প্রতি যত্নবান না, ভালো রান্না পারেনা,গুছিয়ে কোন কাজই করতে পারেনা।যদি সংসার ভাঙ্গার রিজন এইগুলা হত / সঙ্গীর অবহেলার কারণ এইগুলোও হত।বেশিরভাগ মেয়েদেরি সংসার টিকতো না।কারন এই যুগে সুন্দর করে গুছিয়ে সংসার করে খুব কম নারী। নারী হয়ে বলছি সংসার করা ২৪ ঘন্টা চাকরি করার চাইতেও কঠিন। আর ভুল মানুষের সংসার করে নরক যন্তনাই পোড়ার মত।
©
সব সম্পর্ক ঝগড়ায় শেষ হয়না। কিছু সম্পর্ক নিঃশব্দে শেষ হয়ে যায়,
দুই পক্ষের কেউ কিছু বলে না, কিন্তু সবকিছু বদলে যায়।
আগে যেখানে ছোট ছোট টপিক নিয়েও কথাবার্তা হতো,
সেখানে এখন কথাগুলো জমে থাকে, না বলা অবস্থায়।
প্রতিদিনের সাধারণ প্রশ্নগুলোও একসময় হারিয়ে যায়।
কথা কমতে কমতে, অভ্যাসগুলো বদলাতে বদলাতে,
দু’জন মানুষ ধীরে ধীরে একজন আরেকজনের জীবনের বাইরে চলে যায়।
কেউ officially goodbye বলে না, কেউ সম্পর্ক শেষ ঘোষণা করে না,
তবুও, একদিন হঠাৎ করেই বুঝতে পারেন, আপনারা আর আগের জায়গায় নেই।
একই মানুষ, একই স্মৃতি, কিন্তু connectionটা আর আগের মতো নেই।
কারণ ঝগড়ার শেষে অন্তত একটা কারণ থাকে। কিন্তু এই নীরব দূরত্ব,
এটার কোনো ব্যাখ্যা থাকে না।
আর সেই কারণেই, কিছু সম্পর্ক শেষ হয় না,
তারা শুধু আর আগের মতো থাকে না।
নিজের অধিকারটুকু ছেড়ে দেওয়া মানে কেবল কিছু সুযোগ হারানো নয়, বরং নিজের ব্যক্তিত্ব আর অস্তিত্বের কাছে হেরে যাওয়া। এই পৃথিবীতে মানুষ ততটুকুই দখল করে নেয়, যতটুকু আপনি তাকে ছেড়ে দেন। আপনি যখন বিনয়ের নামে কিংবা ত্যাগের দোহাই দিয়ে নিজের ন্যায্য পাওনা বা অধিকার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন, তখন সমাজ আপনাকে 'ভালো মানুষ' নয়, বরং 'দুর্বল' হিসেবে গণ্য করতে শুরু করে।
অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়া মানেই অভদ্রতা নয়; এটি নিজের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই। আমরা অনেক সময় মায়ার খাতিরে কিংবা ঝামেলা এড়াতে নিজের অধিকার বিলিয়ে দিই, কিন্তু মনে রাখবেন-যে একবার আপনার অধিকার হরণ করার সুযোগ পায়, সে বারবার আপনাকে অবহেলার পাত্র বানাবে। আপনার প্রাপ্য মর্যাদা, আপনার কথা বলার স্বাধীনতা আর আপনার অর্জিত অধিকারটুকু রক্ষার দায়িত্ব সম্পূর্ণ আপনার নিজের।
কারো দয়া বা করুণার ওপর ভিত্তি করে বেঁচে থাকার মধ্যে কোনো গৌরব নেই। নিজের অধিকারটুকু বুঝে নেওয়ার সাহস সঞ্চয় করুন। অন্যের ক্ষতি না করে নিজের প্রাপ্যটুকু বুঝে নেওয়াটাই হলো প্রকৃত ব্যক্তিত্বের পরিচয়।মেরুদণ্ড সোজা রেখে নিজের সীমানা আর অধিকারটুকু আগলে রাখুন; কারণ দিনশেষে যারা লড়তে জানে, পৃথিবী কেবল তাদেরই মনে রাখে।🩶
©
সন্তানের ছোটবেলাটা কোনদিন ফিরে পাবেন না… 🤍
হয়তো আপনি আবার নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারবেন, নতুন করে সাজাতে পারবেন জীবন।
কিন্তু যে ছোট্ট মানুষটা একদিন সারাক্ষণ আপনার কোল জুড়ে থাকত, সে একদিন নেমে দাঁড়াবে নিজের পায়ে।
স্কুলের ব্যাগ কাঁধে তুলে নেবে…
আর আপনি চাইলেও আগের মতো কোলে তুলে নিতে পারবেন না।
একবার যে মাতৃত্বের স্বাদ পেয়েছে, সে জানে —
বড় হয়ে যাওয়া সন্তানের ছেলেবেলাটাকে কতটা গভীরভাবে মিস করা যায়।
মিস করবেন —
ছোট ছোট ফিডার কেনার সেই উত্তেজনা।
নতুন জামা কিনে বুকের কাছে চেপে ধরার মুহূর্ত।
হামাগুড়ি দিয়ে আপনার দিকে আসা ছোট্ট মানুষটাকে।
প্রথম দাঁত উঠলে অকারণ খুশি হওয়া।
প্রথম হাঁটার সময় ভয় আর আনন্দে একসাথে কাঁপা হৃদয়।
আর সবচেয়ে বেশি…
আধো আধো বুলিতে “মা” ডাক শোনার সেই প্রথম অনুভূতিটা।
সময় খুব চুপচাপ কাজ করে।
আপনি বুঝে ওঠার আগেই ওরা বড় হয়ে যায়।
তাই আজ একটু থামুন।
মোবাইলটা নামিয়ে রাখুন।
ওদের সাথে মেঝেতে বসুন।
অগোছালো খেলায় যোগ দিন।
কারণ একদিন এই অগোছালো মুহূর্তগুলোকেই আপনি সবচেয়ে বেশি খুঁজবেন।
সন্তানের ছোটবেলাটা —
আপনার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর, অথচ সবচেয়ে দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া অধ্যায়। 🤍
যখন ভালোবাসা আর অপরাধবোধ একসাথে মনে ধাক্কা দেয়… 🥲
একটা সন্তানকে আমি কোলে ধরে রাখি,
আর আরেকটা থাকে আমার হৃদয়ের ভেতর।
তবুও কখনো কখনো মনে হয়— দু’জনের কাছেই যেন ঠিকমতো হতে পারছি না।
ছোটটার সাথে একটু বেশি সময় কাটালে,
বড়টার চোখে নীরব প্রশ্ন দেখি।
আবার বড়টার দিকে মন দিলেই,
ছোটটা কাঁদতে শুরু করে— যেন ভাবছে তাকে ফেলে দিয়েছি।
আমার মন সবসময় দু’ভাগ হয়ে থাকে,
কিন্তু আমার ভালোবাসা কখনোই অর্ধেক হয় না।
কিছু রাত আছে, যখন একা বসে ভাবি—
আজ কি বেশি বকেছি?
আজ কি ঠিকমতো জড়িয়ে ধরেছি?
কাউকে কি অবহেলিত মনে করিয়েছি?
দুই সন্তানের মা হওয়া মানে শুধু দ্বিগুণ আনন্দ না,
দ্বিগুণ দায়িত্বও।
দ্বিগুণ চিন্তা,
দ্বিগুণ অপরাধবোধ…
কিন্তু এর সাথে আছে—
দ্বিগুণ ছোট ছোট হাত “মা” বলে ডাকছে।
দ্বিগুণ কারণ, প্রতিদিন নতুন করে উঠে দাঁড়ানোর।
আমি হয়তো প্রতিটা মুহূর্তে নিখুঁত মা হতে পারি না,
কিন্তু প্রতিদিনই আমি দু’জনের জন্য ভালোবাসায় ভরা একজন মা। ❤️
কারণ অপরাধবোধ যতই ফিসফিস করুক,
ভালোবাসার শব্দ সবসময়ই তার চেয়ে জোরে শোনা যায়। 💕
দুই সন্তানের মা হওয়া সহজ নয়।
দুটি বাচ্চা থাকা পুরোদমে একটা ঘূর্ণিঝড়।
একজন কাঁদে, অন্যজন চিৎকার করে।
একজনের খাবারের প্রয়োজন, অন্যজনের তোমার বাহুতে আরামের প্রয়োজন।
আর তুমি? তুমি একসাথে দুটি জায়গায় থাকার চেষ্টা করছো, যতটা সম্ভব ভেবেছিলে তার চেয়েও পাতলা হয়ে নিজেকে প্রসারিত করছো।
ক্লান্তি প্রচণ্ড আঘাত করে। অপরাধবোধ আরও তীব্র আঘাত করে।
কিন্তু তারপর, একটি ক্ষণস্থায়ী মুহূর্তে, তারা দুজনেই একই সাথে তোমার দিকে এগিয়ে যায়।
দুটি ছোট হাত তোমার হাত ধরে। দুটি নিষ্পাপ হাসি ঘর ভরে যায়।
আর হঠাৎ করেই, বিশৃঙ্খলা মূল্যবান বলে মনে হয়।
কোলাহল, বিশৃঙ্খলা, মারামারি - এগুলো সবই তুমি একসাথে লেখা গল্পের অংশ।
দুই সন্তানের মা হওয়া সহজ নয়।
এটা অগোছালো, জোরে, অপ্রতিরোধ্য।
কিন্তু এটা খাঁটি ভালোবাসা, কাঁচা এবং অটল।
এমনকি যখন তুমি হাল ছেড়ে দিতে চাও, তখনও তুমি যথেষ্ট। তুমিই তাদের যা প্রয়োজন।
কখনও কখনও… যখন ঘরটা একদম চুপচাপ, আর আমার ছোট্ট বাচ্চাটা ঘুমিয়ে পড়ে, তখন আমি মোবাইলে ওর নবজাতক সময়ের ছবিগুলো দেখি।
সেই ছোট্ট মুখটা। কুঁচকানো ছোট ছোট আঙুল। যেভাবে ও আমার বুকের উপর একদম ঠিকভাবে মানিয়ে থাকত, যেন ওর জায়গাটা সেখানেই ছিল সবসময়।
হঠাৎ করেই আমি ওর সেই রূপটাকে মিস করতে থাকি— যে রূপটা এখন আর নেই।
রাতের নিঃশব্দ দুধ খাওয়ানোর সময়গুলো মনে পড়ে, যখন পৃথিবীটা ছোট আর পবিত্র মনে হতো। ঘুম ঘুম ভঙ্গিতে হাত-পা মেলা। সবকিছু নতুন লাগা— এমনকি ক্লান্তিটাও।
এখন সে দৌড়ায়। কথা বলে। নিজের মতামত জানায়। আগের মতো আর কোলে থাকতে চায় না।
আর আমি… অন্ধকারে বসে মোবাইলের দিকে তাকিয়ে থাকি। চোখে পানি, মুখে হাসি। একসাথে সুখ আর কষ্ট অনুভব করি।
মা হওয়াটা আসলেই অদ্ভুত এক অনুভূতি। বারবার নতুন করে ভালোবাসায় পড়ি, আর চুপচাপ কষ্ট পাই— ওরা বড় হয়ে গেলে তাদের আগের ছোট ছোট রূপগুলো হারিয়ে যায় বলে।
তুমি যদি কখনও এমন করে বাচ্চার পুরোনো ছবি দেখে থাকো, যখন সে পাশের ঘরে ঘুমিয়ে আছে… তাহলে জেনে রাখো, তুমি একা নও। 🤍
যেদিন আমি তোমার মা হলাম… 🤍
সেদিন থেকেই একটি অনুভূতি জাগ্রত হলো যে —
যদি কেউ পাশে না-ও থাকে,
যদি পথ ফাঁকা হয়ে যায়,
যদি সবাই একে একে সরে যায়…
তবুও আমি থাকব।
তোমার জন্য।
তোমার হাসির জন্য।
তোমার নিরাপত্তার জন্য।
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত।
কারণ মা হওয়া মানে শুধু জন্ম দেওয়া নয়—
মা হওয়া মানে সারাজীবনের অঙ্গীকার।
ঝড় এলে ঢাল হয়ে দাঁড়ানো,
অন্ধকার এলে আলো হয়ে জ্বলা।
পৃথিবী বদলাতে পারে,
মানুষ বদলাতে পারে,
কিন্তু তোমার জন্য আমার থাকা—
কখনো বদলাবে না।
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত… আমি আছি। 🤍
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Bhola
8300