Anik BD Story World

Anik BD Story World

Share

সত্যকে সবার সামনে তুলে ধরা-ই আমাদের মূল লক্ষ্য! Email us for business inquiry : [email protected]

18/06/2026

ভাইরে ভাই! 😰 ২.৫০ মিনিটের এক স্পিচে আন্দালিব পার্থ তো জামায়াতের এক এমপি-কে পুরো ওয়াশ করে দিছে। তার কথা শুনে প্রধানমন্ত্রীও হাসতে হাসতে শেষ... 😁

কালকে জামায়াতের এক এমপি ​সংসদে দাঁড়িয়ে ওয়াশিং মেশিন, পর্দা আর মাইক্রোওয়েভ নিয়ে দাবি তোলেন। তো সেই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আজকে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন,
​"আমরা অনেক কষ্টের পর এই পার্লামেন্ট পেয়েছি। আমরা শুধু মেম্বার অফ পার্লামেন্ট নই, আমরা একেকজন অ্যাম্বাসেডর অফ দ্য পার্লামেন্ট। দেশের বাইরে বা সাধারণ মানুষের কাছে আমরাই সংসদকে রিপ্রেজেন্ট করি।

​কিন্তু গত পার্লামেন্ট শুধু গণতন্ত্র হ** করেনি, সংসদের স্ট্যান্ডার্ডকেও মারাত্মকভাবে নষ্ট করেছে। আমরা দেখেছি সেখানে মমতাজ থেকে শুরু করে গান-বাজনা হয়েছে, আরও কত কী হয়েছে! দুঃখের বিষয় হলো, সরাসরি ওদিকে না গেলেও আমরা যেন আবারও কিছুটা সেই পথেই হাঁটছি।

​সম্প্রতি 'দ্য ডেইলি স্টার'-এ নিউজ এসেছে, 'জামাত এমপি ডিমান্ডস ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ অ্যান্ড কার্টেনস'। সংসদ সদস্য হিসেবে এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক! যেখানে একজন এমপির সংসদে দাঁড়িয়ে জনগণের কথা বলার কথা, জনগণের দাবি নিয়ে সোচ্চার হওয়ার কথা; সেখানে তিনি দাঁড়িয়ে ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ আর পর্দার কাপড় পাননি বলে আফসোস করছেন!

​বাইরে ওনারা বড় বড় কথা বলেন, আমরা গাড়ি নেব না, প্লট নেব না। তাহলে কি গাড়ি আর প্লট ছাড়ার সময় বুকের ওপর মস্ত বড় পাথর চাপা দিয়ে ওনাদের ওই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিলো? যার কারণে আজ সংসদে দাঁড়িয়ে ওয়াশিং মেশিন আর মাইক্রোওয়েভের জন্য ওনাদের এভাবে কথা বলতে হচ্ছে?

​সংসদের একটা নিজস্ব মর্যাদা ও স্ট্যান্ডার্ড আছে, যা আমাদের সবার বজায় রাখা উচিত। তারপরও যেহেতু আমার সেই ভাই কমেন্ট করেছেন এবং ওনার এতই অভাব; আমি ওনাকে এমব্যারেসনা করে আমার নিজের তরফ থেকে একটা মাইক্রোওয়েভ উপহার দিতে চাই।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো উনি যেন একটা ওয়াশিং মেশিন দেন, আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে বলতাম ওনার পর্দার কাপড়টা কিনে দিয়ে ওনার সংসারটা গুছিয়ে দিতে!
​সবকিছুই করা যেত, যদি ওনারা এভাবে সংসদকে সাধারণ মানুষের কাছে লজ্জিত না করতেন!"

-diaryofshe

#সংসদ

18/06/2026

ভাইরে ভাই! দুনিয়ায়তে এগুলো কি চলতেছে? ভাবা যায়?😰 এরা বিয়ে ছাড়াই স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একসাথে বাসাভাড়া নিয়ে ছিলেন দুই বছর। এই মেয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করে নিজের বেতনের টাকা তুলে দিতেন এই ছেলের হাতে, সামি হিসেবে পরিচয় দেয়া প্রেমিকের কাছে।

গত কয়েকদিন আগে তারা দুজন বিয়ের সিদ্বান্ত নেন। সেই মোতাবেক বিয়ের উদ্যেশ্যে ঢাকা থেকে যশোরে নিজ নিজ বাড়িতে যান দুইজন। আসার সময় প্রেমিকার কাছ থেকে চার আনা স্বর্ণের দুল ও একটি রূপার ব্রেসলেট নিয়ে আসেন। তবে প্রেমিক বাড়ি গিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।

এতদিন প্রেমিকার টাকায় একসাথে থাকলেও এখন সে বলে- "বিয়ে ছাড়াই যে মেয়ে অবৈধ মে*লা*মেশা করতে পারে, সেই মেয়েকে বউ হিসেবে ঘরে তোলা যায় না। সেই মেয়ে পা*পি। তাই আমি আর বিয়ে করতে পারবেন না।"

বলে জানিয়ে দেন পাতানো স্বামী।

এসব শোনার পর চোখে শরিষা ফুল দেখতেছে প্রেমিকা। শেষপর্যন্ত ভুক্তভুগী প্রেমিকা যশোরের থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। 😐😰

18/06/2026

স্ত্রী ইকরা আ**ত্ম-হত্যা'র পর 'স্ত্রী শোকে পাথর হয়ে যাওয়া 'আলভী'কে শেষপর্যন্ত পুলিশ গ্রেফতার করে পাঠানো হলো কারাগারে। বেচারা বঊ এর বিরুদ্ধে কতকিছু করলো, উল্টাপাল্টা ভিডিও আপলোড করলো, তবুও শেষ রক্ষা হইলো না।🥲

যা-ই হোক...আলহামদুলিল্লাহ! এখন খালি তিথীরে ধইরা নিলেই হবে৷ তাহলে জেলে বইসা দুইডা সংসার করুক , নাটক করুক।

18/06/2026

ভাইরে ভাই! কি একটা অবস্থা! জন্ম নিলো 'ছেলে' অথচ ২ঘন্টা পরে হয়ে গেলো মেয়ে। দিনে দুপুরে ডাকাতি। 😰

মুগদা মেডিকেলে ডেলিভারি করাতে আসা 'আরিফ ও মিনু' দম্পতি কাদতে কাদতে এভাবেই জানাচ্ছিল বিস্তারিত।

ওখানে গিয়ে জানতে পারলাম ২সপ্তাহ আগে মেডিকেলে আসার সাথে সাথেই নরমাল ডেলিভারি হয় 'মিলুর।' তখন আয়া জানায় তার 'ছেলে' বাবু হয়েছে, এরপর ডাক্তার এসেও জানায় তার 'ছেলে' বাবু হয়েছে, একটি রিপোর্ট কার্ডে লেখাও হয় Baby Male.

ঠিক তার দুই ঘন্টা পর তাদেরকে শিশু ওয়ার্ডে দেয়ার পর তারা জানতে পারেন তাদের নাকি 'মেয়ে' বাবু হইছে। 😰

বিষয়টি নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম কনফিউশান। এই দম্পতির কাছে 'ছেলে মেয়ের' কোনই পার্থক্য নাই কিন্তু তারাতো আদৌ জানেনা সন্তানটি তাদের কিনা। কারণ বাংলাদেশে টাকার বিনিময়ে বাচ্চা পরিবর্তন করে ফেলার রেকর্ড অসংখ্য রয়েছে।

হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছেন বিষয়টি নিয়ে নাকি তদন্ত চলছে। দেখাযাক... কতটুকু সৎ ভাবে অসত কাজের তদন্ত তারা করবন। 😐

- আলী আজগর ইমন

17/06/2026

"এনসিপি কেন বিএনপির সাথে না গিয়ে জামাতের সাথে জোটে গিয়েছে?" এমন প্রশ্নের জবাবে "Speak with Rashid" পডকাস্টে সার্জিস আলম দাবি করেছেন, এনসিপি আসলে বিএনপির সাথেই যেতে চেয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেটা সফল হয়নি।

তিনি বলেন-

বিএনপি একটা ডেমোক্রেটিক পার্টি, আমরাও ডেমোক্রেটিক পার্টি। জামাত কিন্তু একটা ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল।

আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম যে আমরা ডেমোক্রেটিক পার্টির এলায়েন্সটা করব। কিন্তু বিএনপির মাঠ পর্যায়ে যে সেন্টিমেন্ট আমরা পেয়েছি, এটা ছিল অ্যাকচুয়ালি অ্যান্টি পিপল সেন্টিমেন্ট।

তাদের কিছু নেতাকর্মীর অপকর্মের কারণে মানুষ বিরক্ত হওয়া শুরু করেছিল। হ**ত‍্যা, ধ**র্ষ**ণ, চাঁদাবাজি! ইভেন বিএনপির রানিং কমিটিতে আছে এরকম অনেকেও বি*রক্ত হয়ে গিয়েছিল। এটা ছিল এক নাম্বার রিজন।

দুই, ধরেন বিএনপির সাথে আমি জোট করব। একটা সম্মানজনক জায়গায় সিট শেয়ার হতে হবে।

এখন আমার ধরেন অভ্যুত্থানের ফেইস বা ন্যাশনালভাবে পরিচিত ১০ জন মানুষ আছে। কিন্তু আমার পার্টি তো ১০ জন মানুষের না। বিএনপি আমাকে ধরেন সর্বোচ্চ ওই ১০ জনকে ১০ টা সিট দিবে। আর কাউকে দিবে না।

তাহলে আমার যে বাকি মানুষগুলো আছে, তারা কী মনে করবে? তারা তো ভাববে যে শুধু নিজের আসনগুলো কনফার্ম হয়েছে দেখেই আমরা জোট করে ফেললাম। তাদের কথা চিন্তা করলাম না।

কিন্তু আমি যদি ৩০ টা ৪০ টা সিট নিয়ে আমার সেকেন্ড লেয়ারের আরও ২০-৩০ জন মানুষকে এবার এম্পাওয়ার করি, তারা জিতুক বা হারুক, যদি ফাইটটা দিতে পারে, তাহলে ওখানে আমার রাজনীতিটা দাঁড়াবে।

ঐ জায়গায় তাদের সাথে আমার জাস্টিস করতে হবে। আমি শুধু আমার নিজের কেন্দ্রিক চিন্তা করতে পারি না। ...

আপনি যখন দীর্ঘমেয়াদে চিন্তা করবেন, দল বড় করতে চাইবেন, স্বপ্ন দেখবেন ১০ বছর, ১৫ বছর পরে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তখন আপনার সবারটা চিন্তা করতে হবে। একটু বৃহৎ পরিসরে।

তো আমরা তখন দেখলাম যে সিট শেয়ারটা হচ্ছে বিএনপির জায়গা থেকে। এটা কোনো সম্মানজনক ব্যাপার না।

তার উপরে থার্ড রিস্ক যেটা ছিল, বিএনপি ধরেন আপনাকে যদি ১০ টা আসন দেয়, আমরা নিশ্চিত ছিলাম ১০ টার মধ্যে অন্তত ছয়-সাতটাতে তাদের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকবে।

বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলে অসুবিধা হচ্ছে ভোটটা তো দুই ভাগ হয়ে যাবে। তখন তো আমি জিততে পারবো না। আমার তো ঐটাও চিন্তা করতে হবে।

- মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা

17/06/2026

আরেহ ভাই! ভাই! এতদিন পর সংসদে একজনকে পেলাম যে আলতু ফালতু কথা না বলে, বলতেছে যে , ৫ টা বছর জনগণের জন্য মনপ্রাণ দিয়ে মেহনত করুন, বরাদ্দের একটি টাকাও যেন খেয়ানত না হয়!

জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে দেশের সাধারণ মানুষের বঞ্চনা, গ্রামীণ অবকাঠামোর দুর্দশা এবং কওমি আলেম-ওলামাদের অধিকার নিয়ে এক আপসহীন বক্তব্য রাখলেন খেলাফতে মজলিসের মাননীয় সংসদ সদস্য।

​স্বয়ং সংসদের স্পিকারকে সাক্ষী রেখে তাঁর এই বক্তব্যে উঠে এসেছে তৃণমূল মানুষের ভেতরের ক্ষোভ, দুঃখ আর দীর্ঘদিনের অবহেলার চিত্র।

​বক্তব্যে, বিগত ১৭ বছরের ঘু" ষ বাণিজ্য ও অর্থ লু' টপাটের ইতিহাস টেনে তিনি ৩৫০ জন এমপি-মন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন, আগামী ৫টি বছর জনগণের জন্য মেহনত করতে। জনগণের টাকার যেন ১টি পয়সাও খেয়ানত না হয়।

তিনি স্পষ্টভাবে দাবি তুলেছেন, ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী অন্যান্যদের বরাদ্দ দেওয়া হলেও অতীতে কওমি আলেম ও ছাত্রদের ভিন্ন গ্রহের মানুষ ভাবা হতো!
অবিলম্বে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেটে কওমি ধারার আলেম-ওলামা ও ছাত্রদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

বর্ষা এলেই রাস্তাঘাটে হাঁটু পানি জমে, রিকশা উল্টে মানুষ এক্সিডেন্ট করে। গ্রামীণ অর্থনীতি বাঁচাতে ফুলপুর ও তারাকান্দার প্রায় ৪০০ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা দ্রুত পাকা করার জোর দাবি জানান তিনি।

অনেক স্কুলে ভবন নেই, শিক্ষক নেই, এমনকি ফ্যান-বিদ্যুৎ পর্যন্ত নেই! শিশুরা কষ্ট করে পড়াশোনা করছে। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তাঁর স্পষ্ট দাবি বাজেটের সুষম বণ্টন চাই।
তারাকান্দার বিশাল জনগোষ্ঠী আজও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। একটু বৃষ্টিতেই মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে। তাই তারাকান্দাকে দ্রুত 'পৌরসভা' ঘোষণার জোরালো দাবি জানান তিনি।

ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা দূর করতে ফুলপুর পৌরসভাকে সি-গ্রেড থেকে এ-গ্রেডে উন্নীত করার দাবি তুলেছেন।
এলাকায় ১০১ শয্যার হাসপাতাল অনুমোদন হলেও কাজ এখনও অপূর্ণ। এটি দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

ময়মনসিংহ অঞ্চল সবসময়ই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এই অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও অভিভাবকত্ব আদায়ে তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সদ্য অনুমোদিত রেললাইনটি যেন শেরপুর-জামালপুর না হয়ে, ময়মনসিংহ, তারাকান্দা, ফুলপুর, হালুয়াঘাট হয়ে শেরপুর যায়। এতে এই অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষের ভাগ্য বদলে যাবে।

রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে হয়তো আমি পেছনের বেঞ্চে নয়, সামনের বেঞ্চে থাকতাম।

​একজন সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি ঠিক এভাবেই জনগণের সুখ-দুঃখের কথা সংসদে তুলে ধরেন। দলের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার উন্নয়ন এবং অবহেলিত কওমি অঙ্গনের অধিকারের পক্ষে মুফতি আবুল হোসেনের এই বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।🌻

#সংসদ

17/06/2026

মানুষকে ক্ষমা করার নীতিতে বিশ্বাস করতেন যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসের বাসিন্দা "মার্থা ম্যাকে।" কিন্তু নিয়তির নির্মম লিখনে সেই বিশ্বাসই কেড়ে নেয় তার প্রা**ণ।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ নিজের বাড়ি স্নোডেন হাউসের ভেতর প্রা**ণ হারান ৬৩ বছর বয়সী "মার্থা"।

ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে, কারণ তার হ*ত্যা*র অভিযোগ ওঠে সেই ট্রাভিস লুইসের বিরুদ্ধে, যাকে তিনি একসময় নিজের মা ও আত্মীয়কে হ**ত্যা'র পরও ক্ষমা করেছিলেন!

এ যেন 'কয়লা ধুলেও যায় না ময়লা' প্রবাদের সাক্ষাৎ বাস্তব নিদর্শন।

ঘটনার শুরু ১৯৯৬ সালে। তখন ১৬ বছর বয়সী ট্রাভিস লুইস আরকানসাসের হর্সশু লেকে অবস্থিত স্নোডেন হাউসে ঢুকে হ*ত্যা য*জ্ঞ চালান। ওই ঘটনায় নিহ*ত হন মার্থার ৭৫ বছর বয়সী মা স্যালি স্নোডেন ম্যাককে এবং ৫২ বছর বয়সী আত্মীয় লি বেকার, যিনি একজন পরিচিত ব্লুজ সংগীতশিল্পী ছিলেন।

পরে লুইস প্রথম মাত্রার হ*ত্যা*/র অভিযোগ স্বীকার করেন। তবে মৃ*ত্যু-দণ্ড এড়াতে পরিবারের অনুরোধের পর তাকে সাড়ে ২৮ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৌদ্ধ ধর্মচর্চাকারী মার্থা বিশ্বাস করতেন, মানুষ পরিবর্তিত হতে পারে। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি কারাগারে থাকা লুইসের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। তাকে চিঠি লিখতেন, দেখতেও যেতেন।

লুইস দাবি করেন, ১৯৯৬ সালের হ*ত্যা*কা/ণ্ডে/র প্রকৃত অপরাধী ছিল অন্য একজন সহযোগী।

একসময় মার্থাও সেই দাবি বিশ্বাস করতে শুরু করেন। ২০১৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তির পর তিনি লুইসকে নিজের সংস্কার করা স্নোডেন হাউসের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজও দেন।

কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

২০২০ সালের শুরুতে বাড়ি থেকে ১০ হাজার ডলার হারিয়ে যাওয়ার পর লুইসকে সন্দেহ করেন মার্থা। এরপর তাকে কাজ থেকে সরিয়ে দেন এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

একই বছরের ২৫ মার্চ আবারও স্নোডেন হাউসে ফিরে আসেন লুইস। তদন্তকারীদের ধারণা, চু*রি*র উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে এবং মার্থাকে হ*ত্যা করা হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পালানোর চেষ্টা করেন লুইস। জানালা দিয়ে লাফিয়ে বের হয়ে গাড়ি নিয়ে পালানোর সময় দুর্ঘটনায় পড়েন তিনি।

যে বাড়িতে ২৪ বছর আগে হারিয়েছিলেন নিজের প্রিয়জনদের, সেই একই বাড়িতেই শেষ হয় মার্থার জীবন। আর সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যায় সেই মানুষটির নাম, যাকে তিনি একসময় ক্ষমা করে নতুন জীবন শুরু করার সুযোগ দিয়েছিলেন।

17/06/2026

"জেবা আমিন" আন্টি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদে গেছেন শুনে ভাবছিলাম, আজকে বুঝি অক্সফোর্ড-ক্যামব্রিজের অধ্যাপকরা নোট নিবে, BBC ব্রেকিং নিউজ দিবে, আর IELTS পরীক্ষকরা নতুন সিলেবাস বানাবে।

কিন্তু বক্তৃতা শুরু হইতেই বুঝলাম, আমরা সবাই ভুল ট্রেনে উঠছি!

জেবা আন্টি গুলিস্তান থেকে 'সুলাইয়মান মুক্তাদির অথবা 'রাবা' খানের লেখা Spoken English in 7 Days কোর্সের ৭ দিনের মধ্যে ৩ দিন ক্লাস করে সরাসরি সংসদে চলে গেছেন!

তিনি বক্তব্য দিতে শুরু করলেন "I want to thank প্রধানমন্ত্রী from my heart. 1600 miles of কাঁচা রাস্তাস. The রাস্তাজ are very very bad সিচুয়েশন."

বক্তৃতা শেষে নাকি Oxford Dictionary জরুরি মিটিং ডাকছে। Cambridge Dictionary হাসপাতালে ভর্তি,
আর Grammarly নাকি চাকরি ছেড়েছে।

আমরা যেখানে Excuse me বলার আগে তিনবার চিন্তা করি, সেখানে আন্টি পুরো সংসদে ইংরেজি ভাষাকে চুদলিং পং পং করে দিয়েছে।

#সংসদ

17/06/2026

"আমি প্রতিশোধ নিলে কি আমার ভাঙা হা*ড় জোড়া লেগে যাবে? কিংবা বুকের ভেতরের ক্ষতটা কি মুছে যাবে?" 😰

​বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আমাদের হাজারো নেতাকর্মী যেমন রাজপথে র*ক্ত দিয়েছেন, তেমনি চরম নির্মমতার শিকার হতে হয়েছে অনেককে। বাদ যাইনি আমিও।

আমাকে যখন শারীরিকভাবে নি*র্যা*তন করা হয়েছিলো, তখন সঠিক সময়ে চিকিৎসাটুকু পর্যন্ত করতে দেওয়া হয়নি। ৪ সপ্তাহের মধ্যে মানুষের হাড় জোড়া লেগে যায়, কিন্তু মাসের পর মাস চিকিৎসা না পাওয়ায় আমার পিঠের হাড্ডিটা আজও বাঁকা হয়েই জুড়ে আছে। এক্স-রে করলে সেই নির্যাতনের দাগ আজও স্পষ্ট দেখা যায়।

​আজ যদি আমি চাই, যারা এই অন্যায় করেছে তাদের ওপর প্রতিশোধ নেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব কিছু না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমি প্রতিশোধ নিলেই কি আমার সেই কষ্ট দূর হয়ে যাবে? আমার পেইন বা বেদনা কি মুছে যাবে?
​না, তা হবে না।

​তাই আমাদের এখন প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আল্লাহ আমাদের এখনো বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমরা আমাদের পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে আছি, আলো-বাতাস দেখছি এটাই বড় নেয়ামত।
​এখন সময় অতীতের ক্ষত নিয়ে পড়ে থাকার নয়, বরং বুক ভরা কষ্ট চেপে রেখেও "দেশ, জাতি আর জনগণের জন্য" আমরা কী অবদান রাখতে পারছি, সেই চিন্তা করার। আসুন, ক্ষোভ ভুলে দেশ গড়ার কাজে মনোযোগ দিই।

[ কথাগুলো বলছিলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
​রাজনীতি আর ব্যক্তিগত কষ্টের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও মানুষের কথা ভাবার এই মানসিকতা আসলেই প্রশংসনীয়। ]

17/06/2026

Every Brazil fan Right now: 🤧😭

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Singapore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Singapore