Tarun's Page
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tarun's Page, Health/Beauty, KOLKATA.
20/08/2026
স্ত্রীর মৃত্যুতে, স্বামী গ্রেফতার!
একটি সংসারের স্বপ্ন, ভালোবাসা আর বিশ্বাস—শেষ হয়ে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনায়।
শিমুরালির রিয়া কুন্ডুর মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী অরুপ রায়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, দাম্পত্য অশান্তি ও নির্যাতনের পরই ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা।
কল্যাণী আদালত ধৃতকে ৪ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
ঘটনার প্রকৃত সত্য কী? তদন্তেই সামনে আসুক পুরো ঘটনা।
একটি মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়—ভেঙে দেয় অনেকগুলো হৃদয়।
রিয়ার পরিবারের প্রতি রইল গভীর সমবেদনা। 🕯️ সবাই শেয়ার করুন যাতে অপরাধী শাস্তি পায়।
#শিমুরালি #চাকদহ #নদীয়া #স্ত্রীরমৃত্যু #স্বামীগ্রেফতার #রিয়াকুন্ডু #অরুপরায় #মর্মান্তিকঘটনা #স্থানীয়সংবাদ #নদীয়াবার্তা
20/08/2026
আর কী জানালেন বিচারপতি ঘোষ?
বিস্তারিত কমেন্টে 👇
18/08/2026
পাঁচ ঘণ্টার পর্ব শেষে জল্পনার পারদ আরও চড়ল
18/08/2026
স্কুলেই আসে না প্রধান শিক্ষক, তার বদলে রেখেছেন ' ভাড়াটে শিক্ষক ' তাকে দেন মাসিক ৪৫০০ টাকা ! এভাবেই চলছে স্কুল
মধ্যপ্রদেশের মোরেনার একটি সরকারি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন এমন একজন, যিনি সরকারি কর্মীই নন। অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিজের বদলে মাসিক ৪,৫০০ টাকার বিনিময়ে এক তরুণীকে পড়ানোর কাজে নিয়োগ করেছিলেন।
ঘটনাটি সামনে আসে জেলা শিক্ষা আধিকারিক বিএস ইন্দৌলিয়ার আচমকা স্কুল পরিদর্শনের সময়। কৈলারস তহশিলের পোখর কা পুরা সরকারি স্কুলে গিয়ে তিনি দেখেন, মাত্র ১৬ জন পড়ুয়া রয়েছে। কিন্তু স্কুলে ছিলেন না কোনও সরকারি শিক্ষক। বদলে পড়ুয়াদের ক্লাস নিচ্ছিলেন প্রীতি রাওয়াত।
প্রীতির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় এক মাস আগে প্রধান শিক্ষক অমরলাল রাওয়াত তাঁকে পড়ানোর দায়িত্ব দেন। বিনিময়ে প্রতি মাসে ৪,৫০০ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। তাঁর দাবি, প্রধান শিক্ষক আগের দিন স্কুলে এসে হাজিরা খাতায় উপস্থিতি নথিভুক্ত করে চলে যান।
অর্থাৎ, প্রায় ৬৫ হাজার টাকা বেতন পাওয়া একজন সরকারি শিক্ষক নিজের দায়িত্বের জায়গায় অন্য একজনকে বসিয়ে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রীতির আরও দাবি, এর আগেও একইভাবে অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে স্কুলে পড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছেন জেলা শিক্ষা আধিকারিক। তিন দিনের মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ইন্দৌলিয়ার বক্তব্য, সরকারি স্কুলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কোনও বেসরকারি শিক্ষককে পড়ানোর কাজে নিয়োগ করা যায় না। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে।
প্রধান শিক্ষকের জবাব খতিয়ে দেখার পর তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি চাকরি থেকে সাসপেনশন বা বরখাস্তের মতো শাস্তিও হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।
Source: ETV BHARAT
Click here to claim your Sponsored Listing.