Sharmeen Jahan
I am Certified Makeup Artist with IHK from Germany & now i am working at Sephora Germany
28/09/2026
নিজের কিছু ছবি বোন তুলে দিলো আমার ভাঙা ক্যামেরা দিয়ে।
28/09/2026
জার্মানি মোট ১৬টি Bundesland বা ফেডারেল রাজ্য নিয়ে গঠিত। Nordrhein-Westfalen সেই ১৬টির একটি। সেই রাজ্যেরই কিছু শহর ঘুরে দেখার চেষ্টা করছি এই ভ্যাকেশনে। আজ ঘুরলাম Lippstadt,
Horn-Bad Meinberg, Teutoburger Wald 🌳
জার্মানির Nordrhein-Westfalen রাজ্যের Horn-Bad Meinberg, Teutoburger Wald অঞ্চলে অবস্থিত বিখ্যাত প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক শিলাস্তম্ভ। জায়গাটির ইতিহাস বেশ চমকপ্রদ, কারণ এখানে প্রায় ৭ কোটি বছরের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসের সঙ্গে মধ্যযুগের ধর্মীয় ইতিহাসও মিশে আছে।
🪨 ৭ কোটি বছর আগে শুরু
Externsteine মানুষের বানানো কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নয়। এগুলো মূলত বেলেপাথরের বিশাল প্রাকৃতিক শিলা। প্রায় ৭ কোটি বছর আগে ভূত্বকের প্রবল পরিবর্তনের সময় আগে অনুভূমিকভাবে থাকা পাথরের স্তরগুলো প্রায় খাড়া হয়ে উঠে আসে। পরে লক্ষ লক্ষ বছরের ক্ষয় ও আবহাওয়ার প্রভাবে আজকের অদ্ভুত আকৃতিগুলো তৈরি হয়েছে। কয়েকটি শিলা প্রায় ৪০ মিটার উঁচু।
⛪ মানুষ পাথরের ভেতর কী বানিয়েছিল?
Externsteine-কে বিশেষ করে তুলেছে মানুষের তৈরি পরিবর্তনগুলো। শিলার মধ্যে গুহা বা Grotten, পাথর কেটে তৈরি কক্ষ, একটি খোলা পাথরের সমাধি, বেদির মতো জায়গা এবং সিঁড়ি রয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পাথরের গায়ে খোদাই করা বিশাল Kreuzabnahmerelief, অর্থাৎ ক্রুশ থেকে যিশুর দেহ নামানোর দৃশ্য। বর্তমান গবেষণাভিত্তিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই স্থাপনার বিভিন্ন অংশ সম্ভবত মধ্যযুগে জেরুজালেমের খ্রিস্টীয় পবিত্র স্থানগুলোর প্রতীকী অনুকরণ হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল।
এই কারণেই জায়গাটাকে শুধু সুন্দর পাহাড় বা শিলা হিসেবে দেখলে এর অর্ধেক গল্পই বাদ পড়ে যায়।
🌞 তাহলে কি এটি প্রাচীন জার্মানদের ধর্মীয় মন্দির ছিল?
Externsteine নিয়ে সবচেয়ে রহস্যময় গল্প এখানেই।
অনেক দিন ধরে দাবি করা হয়েছে যে খ্রিস্টধর্ম আসার আগে প্রাচীন Saxon বা Germanic জনগণ এখানে উপাসনা করত, এমনকি এটিকে কিংবদন্তির Irminsul-এর সঙ্গেও যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এই ধারণাগুলো জনপ্রিয় হলেও Externsteine যে নিশ্চিতভাবে প্রাক-খ্রিস্টীয় Germanic উপাসনাস্থল ছিল, তার শক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ নেই। Landesverband Lippe-ও বর্তমান গবেষণার ভিত্তিতে এই ধরনের দাবিকে প্রমাণিত ইতিহাস হিসেবে উপস্থাপন করে না।
তাই এখানে দাঁড়িয়ে “হাজার হাজার বছর আগে নিশ্চিতভাবে Germanic পুরোহিতরা এখানে পূজা করতেন” বলা আকর্ষণীয় গল্প হবে, কিন্তু প্রতিষ্ঠিত ইতিহাস নয়।
🌲 জায়গাটি সংরক্ষণ করা হলো
Externsteine-এর আশপাশের এলাকাটি ৩ জুলাই ১৯২৬ সালে Lippe-এর প্রথম প্রকৃতি সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষিত হয়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে এই Naturschutzgebiet-এর ১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। বর্তমানে শিলা ও আশপাশের বনভূমি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিসেবেও সংরক্ষিত।
বর্তমানে Landesverband Lippe জায়গাটির দেখভাল করে। বছরে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লাখ মানুষ Externsteine দেখতে আসে।
28/09/2026
🇩🇪 Lippstadt শহর সংক্ষেপে
Lippstadt প্রতিষ্ঠিত হয় আনুমানিক ১১৮৫ সালে, Bernhard II zur Lippe-এর উদ্যোগে। এটিকে Westphalia অঞ্চলের প্রাচীনতম পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠিত শহর হিসেবে ধরা হয়। তবে শহর প্রতিষ্ঠার আগেও এখানে ব্যবসায়ীদের একটি বসতি ছিল।
শহরটির নামের সঙ্গে Lippe নদীর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। নদী ও অসংখ্য ছোট জলধারা শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় Lippstadt-কে কখনো কখনো “Westphalia-এর Venice” বলা হয়। মধ্যযুগে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথের কাছে অবস্থানের কারণে শহরটি ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র হয়ে ওঠে এবং Hanseatic বাণিজ্যের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।
শহরের পুরোনো অংশ বা Altstadt-এ এখনো মধ্যযুগীয় রাস্তার বিন্যাস, পুরোনো half-timbered বাড়ি, Rathaus, Stiftsruine এবং এই Marienkirche - Ev. Kirchengemeinde Lippstadt দেখা যায়। গির্জাটির নির্মাণ শহর প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর শুরু হয় এবং ১৩শ শতকে এর প্রধান অংশ সম্পন্ন হয়।
বর্তমানে Lippstadt একটি মাঝারি আকারের জার্মান শহর। ২০২২ সালের সরকারি হিসাবে জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৮,৯০০। ইতিহাস, নদী-খাল, সবুজ পরিবেশ এবং সুন্দর পুরোনো শহরকেন্দ্র একসঙ্গে থাকার কারণে শহরটির আলাদা আকর্ষণ রয়েছে।
এক কথায়: Lippstadt হলো প্রায় ৮৪০ বছরের পুরোনো, Lippe নদীর তীরে গড়ে ওঠা একটি ঐতিহাসিক Westphalian শহর, আর আপনি যে Marienkirche-শহরটির ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
জার্মানির Marienkirche (মারিয়েনকির্শে) নামের একটি ঐতিহাসিক প্রোটেস্ট্যান্ট গির্জার ইতিহাস
গির্জার নির্মাণ: শহরটি ১১৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কিছুদিন পরেই এই গির্জার নির্মাণ শুরু হয়। ১২২২ সালে শহরের প্রতিষ্ঠাতা Bernhard II, Bishop of Selonien-এর স্ত্রী মারা যাওয়ার সময় গির্জার মূল অংশের কাজ অনেকটাই শেষ হয়ে গিয়েছিল। রোমানেস্ক স্থাপত্যশৈলীর গির্জাটি আনুমানিক ১২৪০ সালে সম্পূর্ণ হয়। এর ৬৫ মিটার উঁচু টাওয়ারটি প্রায় ১২৫০ সালে তৈরি হয়। পরে ১৬৮৪ সালে টাওয়ারে বারোক ধাঁচের চূড়া যোগ করা হয়।
পরবর্তী পরিবর্তন: ১৪৭৮ থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে পুরোনো রোমানেস্ক অংশের জায়গায় একটি Late Gothic hall choir তৈরি করা হয়। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে গির্জাটিতে রোমানেস্ক ও গথিক, দুই ধরনের স্থাপত্যশৈলীর ছাপ পড়েছে।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব: এই Marienkirche শুধু Westphalia অঞ্চলে নয়, উত্তর জার্মানি এবং বাল্টিক সাগর এলাকার রোমানেস্ক গির্জাগুলোর স্থাপত্যেও প্রভাব ফেলেছিল। লেখাটিতে বলা Bernhard II এবং তাঁর উত্তরসূরিরা ওই অঞ্চলে ধর্মীয় কাজে যুক্ত ছিলেন।
ভেতরের বিশেষ আকর্ষণ: গির্জার ভিতরে বিশেষভাবে দেখার মতো দুটি জিনিস হলো গথিক Sacrament Tower এবং বারোক Altar। এই বেদিটি ১৬৬৩ সালে তৎকালীন মেয়র Epping দান করেছিলেন। কথিত আছে, ১৬৫৬ সালের তৃতীয় বড় শহর-আগুনের সময় তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, তাঁর বাড়ি আগুন থেকে রক্ষা পেলে তিনি গির্জায় একটি বেদি দান করবেন। তাঁর বাড়ি বেঁচে যাওয়ার পর তিনি সেই প্রতিজ্ঞা পূরণ করেন ।
08/09/2026
I like it 😍
29/08/2026
আমার খুব খুশির দিন।
বিশ বছর পর আমার আরেকটি সন্তান সুদূর বাংলাদেশ থেকে আমার বুকে ফিরে এসেছে। আমার ছোট্ট আদরের বোন, নওশীন।
তেরো বছর বয়স পর্যন্ত আমি ছিলাম একমাত্র সন্তান। মানুষজন যখন জিজ্ঞেস করত, “তোমরা কয় ভাই-বোন?” তখন খুব কমই শুনতাম কেউ বলছে, “আমি একমাত্র সন্তান।”
আর আমাকে যখন একই প্রশ্ন করা হতো, আমাকে বলতে হতো, “আমার কোনো ভাই-বোন নেই। আমি একা।”
এই ‘একা’ শব্দটার ভেতরে কতটা কষ্ট লুকিয়ে থাকে, সেটা একমাত্র সন্তান ছাড়া আর কে বুঝবে?
অন্যের ভাই-বোনদের আদর করতে গিয়ে কতবার যে তাদের বিরক্তির কারণ হয়েছি, তার হিসাব নেই। একটা সময় আমার মা আমার সেই কষ্টটা বুঝলেন। না চাইতেও আবার সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।
আম্মু তখন কর্মজীবী মানুষ। আরেকটা সন্তান নেওয়া তাঁর জন্য সহজ ছিল না। তবুও শুধু আমার কথা ভেবে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন।
আম্মু চেয়েছিলেন একটা ছেলে।
আর আমি চেয়েছিলাম একটা বোন।
আল্লাহ আমার কথাটাই শুনলেন।
আমাদের ঘর আলো করে এলো নওশীন।
নওশীন আমার ছোট বোন ছিল, কিন্তু আমার কাছে সে শুধু ছোট বোন ছিল না। সে ছিল আমার পুরো পৃথিবী।
আমার ধ্যান, আমার জ্ঞান, আমার আনন্দ, আমার ব্যস্ততা সবকিছুতেই ছিল নওশীন। পুতুলের মতো করে তাকে সাজিয়ে রাখতাম। ওকে দেখলেই আমার ভালো লাগত। এত কিউট একটা বাচ্চা ছিল!
তারপর একদিন ভাগ্যের লেখা আমাকে বিয়ে করে সুদূর জার্মানিতে নিয়ে গেল।
আমি রেখে এলাম আমার আট বছরের ছোট্ট বোনটাকে।
জীবনের নতুন সংসার, সন্তান, ক্যারিয়ার, হাজার রকমের ব্যস্ততায় আমি হয়তো বুঝতেই পারিনি, আমার চলে যাওয়াটা নওশীনের ছোট্ট পৃথিবীটাকে কতটা ফাঁকা করে দিয়েছিল।
আমি তখন শুধু নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।
বুঝিনি, যে মানুষটাকে আমি রেখে এসেছি, তার কাছে হয়তো আমিই ছিলাম পুরো পৃথিবী।
এত অল্প বয়সে বিয়ে। তারপর সংসার, সন্তান, ক্যারিয়ার। সবকিছু সামলাতে গিয়ে নওশীনের মনের ভেতর কী চলছিল, সেটা আমি কখনো ঠিকমতো বুঝতে পারিনি।
শুধু একটা জিনিস বুঝতাম।
আমি নওশীনকে মিস করি।
প্রতিদিন।
প্রতিটি মুহূর্তে।
ও আমার সঙ্গে নেই, অথচ অদ্ভুতভাবে মনে হতো, ও আমার পাশেই আছে। কখনো কখনো মনে হতো, দূরত্ব বলে আসলে কিছু নেই। কিছু মানুষ দূরে থেকেও খুব কাছে থাকে।
নওশীনের অবস্থা দেখে একসময় আম্মু তাঁর নিজের কাজটাও ছেড়ে দিলেন।
আমার মা এমন একজন মা, যিনি নিজের পৃথিবীটাকে সন্তানদের পৃথিবীর মধ্যে রেখে দিয়েছেন। সংসার আর সন্তানদের জন্য তাঁর যে আত্মত্যাগ, সেটা ভাবলে মাঝে মাঝে মনে হয়, এমন একজন মা পাওয়া আসলেই ভাগ্যের ব্যাপার।
আমার মা হয়তো অনেক সাধারণ একজন মানুষ।
কিন্তু আমার কাছে তিনি পৃথিবীর সেরা মা।
আজ নওশীন আবার আমার বুকে ফিরে এসেছে।
বিশ বছর পর।
অদ্ভুত ব্যাপার হলো, তাকে বুকে জড়িয়ে আমার একবারও মনে হলো না যে বিশ বছর পর ওকে পেলাম।
মনে হলো, ও তো এখানেই ছিল।
কোথাও যায়নি।
নওশীনও বলছে, ওর নাকি একই রকম মনে হচ্ছে।
হয়তো কিছু সম্পর্ক শুধু রক্তের হয় না।
কিছু সম্পর্ক আত্মারও হয়।
সেই সম্পর্কের কাছে বিশ বছর কোনো সময় নয়। কোনো দূরত্বও দূরত্ব নয়।
আল্লাহ আমাদের এমনই রাখুন।
আমার আর কিছু চাওয়ার নেই।
শুধু একটা মানুষ এই ছবিতে নেই।
আম্মু।
তাঁকে খুব মিস করছি।
Today’s Lip combo
This month Sephora Haul
Which one I like most ? REFY or Sephora Collection?
Klicken Sie hier, um Ihren Gesponserten Eintrag zu erhalten.
Service kontaktieren
Website
Adresse
Benachrichtigungen
Erfahren Sie als Erste/r von Neuigkeiten und Aktionen: Wir schicken Ihnen eine E-Mail, wenn Sharmeen Jahan etwas veröffentlicht. Ihre E-Mail-Adresse wird für keinen anderen Zweck verwendet, und Sie können sich jederzeit abmelden.