Nodi Akter
আল্লাহ মহান
28/07/2026
দেশের প্রায় ৯২% মানুষ এখনো মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আওতায় আসেন না।
এই বাস্তবতা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের।
মনে রাখতে হবে—আত্মহত্যা কখনো কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না। জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সঠিক সময়ে একজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তার কথা মন দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা—একটি জীবন বাঁচাতে পারে।
আমার পেশাগত জীবনে অনেক আত্মহত্যাপ্রবণ মানুষের পাশে থাকার সুযোগ হয়েছে। আল্লাহর রহমতে তাদের অনেককেই সংকটময় মুহূর্ত থেকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। প্রতিটি জীবন আমার কাছে মূল্যবান, প্রতিটি মানুষই বেঁচে থাকার এবং নতুন করে শুরু করার সুযোগ পাওয়ার যোগ্য।
আজও এমনই একটি কেস দেখতে যাচ্ছি।
আমার বিশ্বাস, সময়মতো পাশে দাঁড়ালে, মন দিয়ে শুনলে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিলে—একটি জীবন বদলে দেওয়া সম্ভব। ❤️
আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, একা থাকবেন না। কথা বলুন, সাহায্য নিন, পাশে দাঁড়ান।
কারণ—জীবন অনেক মূল্যবান।
Empathy ❤️
What is health
অনেকেই মনে করেন কান্না করা দুর্বলতার লক্ষণ, কিন্তু বিজ্ঞান বলছে অন্য কথা!
মন খারাপ হলে বা তীব্র মানসিক চাপে কান্না করা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আশির দশকে ড. উইলিয়াম ফ্রের গবেষণা থেকে শুরু করে আধুনিক নানা মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, কান্নার মাধ্যমে শরীর থেকে স্ট্রেস হরমোন বের হয়ে যায় এবং এটি আমাদের মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে।
স্ট্রেস হরমোন ও টক্সিন বের হওয়া (১৯৮০-এর দশক)
গবেষক: ড. উইলিয়াম ফ্রে (Dr. William Frey), সেন্ট পল-রামসে মেডিকেল সেন্টার, মিনেসোটা।
গবেষণার ফলাফল: তিনি প্রমাণ করেন যে, পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ দিয়ে যে পানি পড়ে, তার চেয়ে আবেগজনিত কারণে কাঁদার সময় চোখের পানিতে অনেক বেশি বিষাক্ত উপাদান এবং স্ট্রেস হরমোন (যেমন- ACTH) থাকে। অর্থাৎ, কাঁদার মাধ্যমে শরীর থেকে মানসিক চাপের হরমোন বের হয়ে যায়।
২. প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম সচল হওয়া (২০০৮)
গবেষক: ড. জোনাথন রটেনবার্গ (Dr. Jonathan Rottenberg) এবং তার দল, সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়।
গবেষণার ফলাফল: এই গবেষণায় দেখা গেছে যে কান্না আমাদের প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম (PNS)-কে সক্রিয় করে তোলে। এই সিস্টেমটি মূলত আমাদের শরীরকে শান্ত ও শিথিল করতে সাহায্য করে। কান্না করার কিছুক্ষণ পর মানুষের হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক হয় এবং শরীর রিল্যাক্সড ফিল করে।
৩. ফিল-গুড হরমোন নিঃসরন (২০১৪)
গবেষণা: অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন রিলিজ সংক্রান্ত গবেষণা।
গবেষণার ফলাফল: দীর্ঘ সময় ধরে কান্না করলে শরীর থেকে অক্সিটোসিন (Oxytocin) এবং এন্ডোরফিন (Endorphins) বা ন্যাচারাল ওপিওডস নিঃসৃত হয়। এই হরমোনগুলো আমাদের শারীরিক ও মানসিক কষ্ট কমাতে সাহায্য করে এবং মনকে শান্ত করে একধরণের ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করে (যাকে আমরা বলি
A good cry
তাই আবেগ চেপে না রেখে, মন খারাপ হলে কেঁদে মনকে হালকা করাটাই সুস্থতার লক্ষণ। নিজের যত্ন নিন, মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। 💙
হাসির সংক্রামক
Loneliness Epidemic ( একাকিত্বের মহামারী)
Mindfulness Meditation
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
5410