Tandra

Tandra

Share

বাহ্যিক সৌন্দর্য হল একটি উপহার এবং অভ্যন্তরিন সৌন্দর্য হল একটি অর্জন।

12/08/2026

তোমার এক্স বলছিল না









12/08/2026

টাকার চেয়েও বেশি মূল্যবান হলো ....









12/08/2026

পুলিশ স্বামীকে নিতে এসেছে, আর স্ত্রী বললেন “ভোর হওয়ার আগে আমি দরজা খুলবো না!” 🖤

সাম্প্রতিক এক আলোচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তুলে ধরেছেন একজন স্বামী ও জীবনসঙ্গী হিসেবে তাঁর জীবনের এক আবেগঘন অধ্যায়।

স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার সহধর্মিণী আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমি আল্লাহ তায়ালার কাছে সবসময় শুকরিয়া আদায় করি, আমি খুব ভাগ্যবান।”

রাজনীতিতে আসার পর তাঁর জীবন হয়ে ওঠে অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি আর নানা প্রতিকূলতায় ভরা। সেই কঠিন সময়ে তাঁর পাশে সবচেয়ে দৃঢ়ভাবে ছিলেন তাঁর স্ত্রী।

রাহাত আরা বেগম দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। নিজের উপার্জন দিয়ে সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্বও পালন করেছেন। মেয়েদের হলিক্রসে পড়িয়েছেন। এমনকি একটা সময় স্ত্রী ও মেয়েদের সাধারণ পরিবহনেও চলাচল করতে হয়েছে।

সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “এই কষ্টটা আমার স্ত্রী অনেক বেশি করে সহ্য করেছেন।”

শুধু সংসার সামলানো নয়, স্বামীর রাজনৈতিক জীবনের ঝুঁকিও তাঁকে নিতে হয়েছে। এক রাতে পুলিশ বাসায় তল্লাশি চালাতে এলে রাহাত আরা বেগম নাকি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন,

“আমি দরজা খুলবো না। ভোর হওয়ার আগে আমি দরজা খুলবো না।”

পরে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হন। ভোরে দরজা খোলার পর পুলিশ মির্জা ফখরুলকে নিয়ে যায়।

এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে স্ত্রী কখনো বিরক্ত হয়েছেন এমন অভিজ্ঞতা তাঁর হয়নি।

মির্জা ফখরুলের ভাষায়, “আমি কখনো দেখিনি, আমি রাজনীতি করছি বলে উনি আমার ওপর কখনো বিরক্ত হয়েছেন।”

একজন রাজনীতিবিদের জীবনের আলো সবাই দেখে। কিন্তু সেই আলোর পেছনে যে ত্যাগ, অপেক্ষা, ভয়, অনিশ্চয়তা আর একজন জীবনসঙ্গীর নীরব সহনশীলতা থাকে সেটা খুব কম মানুষই দেখতে পায়।

আর মির্জা ফখরুলের নিজের ভাষায়, সেই জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি— “আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া আমার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম।” 🖤

#কালেক্টেড #মির্জাফখরুল

12/08/2026

সদ্য SSC পাস করা একটা মেয়ে ও তার বাবার ছবি নিয়ে ফেসবুকে অনেক সমালোচনা হচ্ছে দেখলাম৷

এই মেয়েটা এসএসসিতে এ-প্লাস পাওয়ায় তার বাবা আবেগি ও আনন্দিত হয়ে মেয়েকে আদর করতে গিয়ে একটু অস্বস্তিকর প্রদর্শন তৈরি হয়৷

এটা নিয়ে ফেসবুকে দুভাগে মানুষ কথা বলছে৷

একদল বলছে বাবা মেয়ের ভালোবাসা পিউর৷ তিনি তার মেয়েকে আদর করতেই পারে৷ হয়তো তিনি বেশি ইমোশোনাল হয়ে গেছেন বলে এমন কিছু তৈরি হলো৷

অন্যদল বলছে, বাবা মেয়ের রেজাল্টে খুশি কিন্তু মেয়ে বড় হচ্ছে৷ কোথায় কতটুকু আদর দেখাতে হবে এটাও জানা জরুরী৷ তার বাবার উচিৎ এমন অশালীন জিনিস না করা৷ তার সন্তান বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যক্তিগত লজ্জাবোধ ও সামাজিক সত্তাকে সম্মান করতে না পারাটা চূড়ান্ত মূর্খতা।

আপনি কি ভিডিওটা দেখেছিলেন?
এটা নিয়ে আপনার মতামত কি?

12/08/2026

কারেন্ট ওয়ালাদের বিচার ওপরওয়ালাই করবেন।

12/08/2026

ডা: ফুডাপ্পি ম্যাডাম অনেক ভালো চিকিৎসা করেন,
আমার এক শত্রু তাঁর চিকিৎসা নিয়ে এখন সুস্থতার সাথে সোনাডাঙা ডিগ্রি কলেজের পাশের কবরস্থানে অবস্থান করছেন..

আপনারা দলে দলে ডা: ম্যাডামের চেম্বারে ও দরগাহতে যান..
বিনামূল্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প সময়ে মাটির তলে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছেন ম্যাডাম।।।

12/08/2026

এটা ভালো ছিলো 🤣🤣

12/08/2026

"আগে কত সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম হতো, সেটার পরিবর্তে এখন সারাদিন হয় ওয়াজ মাহফিল৷ সকালবেলা পাশের বাসা থেকে আমি ওয়াজ শুনি। আমি রবীন্দ্রনাথের গান শুনি না, আমি মান্নাদের গান শুনি না।

এই যে পাড়ায়-মহল্লায় মাইক, ১৪ জায়গায় মাইক লাগায়, এই যে জোরে জোরে চিৎকার করে করে ওয়াজ করা হয়, এটা তো শব্দদূষণ হচ্ছে। তুমি টাকা কামাই করতেছো একদিকে, আর মানুষকে অসুস্থ করে দিচ্ছো।

যে দেশ রবীন্দ্রনাথের, যে দেশ লালনের, যে দেশ নজরুলের, সেই দেশে এরকম উগ্রবাদিতা! এটা আমি অন্তত মানতে পারি না।

আমি মানুষের স্বাধীনতার পক্ষে থাকবো। এই যে কালকে নাকি পরশুদিন দেখলাম কলকাতায় মাইক নিষিদ্ধ করা হইছে মসজিদে৷ তো আমাদের দেশে কিছু উগ্রবাদীরা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে যে শুধুমাত্র মসজিদে মাইক নিষিদ্ধ করা হইছে। না, শুধুমাত্র মসজিদে না, মন্দিরেও মাইক নিষিদ্ধ করা হইছে।

আগেকার দিনের মানুষ তো মাইক ছাড়া একটা সময়টা ওইভাবেই মেইনটেন করে নামাজ পড়তো।
তো মাইকটা আসলেই মানে দূষণের কারণ।

কথাগুলো বলতেছিলেন নাট্য অভিনেত্রী মেহরান সানজানা৷ যদিও উনারে সবসময় কাজের ভুয়ার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখছি৷

উনি যা বললো তার কথা নিয়ে আপনার মতামত কি?

11/08/2026

মানুষ চার প্রকারেরঃ

11/08/2026

তারেক রহমানের সরকারকে "খাম্বা মন্ত্রী" বলে তিরস্কার করলেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা৷

রুমিন ফারহানা বলেন, "আমি সপ্তাহে তিনদিন গ্রামে থাকি, এবার আরও লম্বা সময় ৫ দিন ছিলাম। যাদের বাসায় আইপিএস নাই, তারা কিন্তু বুঝতে পারে লোডশেডিং কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি। ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা, সামটাইমস ইভেন মোর কারেন্ট থাকে না। এতোকিছুর পরেও মানুষের তিন-চার গুণ বিদ্যুৎ বিল গত দুই মাসে বেশি আসছে। এখন পর্যন্ত সরকারের তরফে আমরা কোনো জবাব শুনি নাই।

"এই মন্ত্রীর কারণে ২০০১ থেকে ২০০৬ সরকার ডুবেছিল। এখন আমি দেখি এই মন্ত্রী, যাকে ‘খাম্বা মন্ত্রী’ও বলা যায়, এই খাম্বা মন্ত্রী এখন বলতেছেন বসুন্ধরার মতো কিছু অলিগার্কের হাতে তেলের ইয়েটা তুলে দেবেন, বিপিসিকে সরিয়ে এটা বেসরকারি খাতে উনি দিয়ে দেবেন। উনি সামলাতে পারবেন?

এরপর আওয়ামীলাগের কথা টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, "অলিগার্ক আওয়ামী লীগ পুষেছিল এবং আওয়ামী লীগকে তার প্রাইস পে করতে হয়েছে। এবং আপনাকে মনে রাখতে হবে অলিগার্ক পুষতে গিয়ে আওয়ামী লীগ কিন্তু অন্তত সংকট সামাল দিয়েছিল। আমরা তো দেখলাম যে ২০০৮-এ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে কুইক রেন্টালের মাধ্যমে— হ্যাঁ, বিদ্যুৎ বিল অনেক বেশি আসছে, কিন্তু এটলিস্ট ওই লোডশেডিং থেকে মানুষ বাঁচছিল"

রুমিন ফারহানার কথার সাথে আপনি কতটুকু একমত?

#রুমিন #বিদ্যুৎ #খাম্বা

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Khulna
9100