as-shifa Rukiya centre

as-shifa Rukiya centre

Share

কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী
জ্বীন জাদু ও বদনজরের
চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
Raqi Abdullah Al-Mamun
ইমু ওয়াটসাপ নাম্বার-01969-242731

01/08/2026

আজ থেকে শুরু হচ্ছে "মাসব্যাপী রুক্বইয়াহ প্রজেক্ট" সম্পূর্ণ ফ্রিতে জয়েন করতে চাইলে আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে মাত্র ১০ জন ব্যক্তিকে মেনশন করুন।

01/08/2026

জ্বীন সম্পর্কে কি জানতে চান প্রশ্ন করুন

01/08/2026

মেডিকেল চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ইসলামী চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে মাইগ্রেশন সম্পর্কে আলোচনা।

➡️ প্রথমে মেডিকেলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ।

মাইগ্রেন হলো এক ধরনের স্নায়বিক (Neurological) মাথাব্যথা, যা সাধারণ মাথাব্যথার চেয়ে বেশি তীব্র এবং বারবার ফিরে আসতে পারে। এটি সাধারণত মাথার এক পাশে বেশি অনুভূত হলেও অনেকের ক্ষেত্রে পুরো মাথাতেও হতে পারে। ব্যথা কয়েক ঘণ্টা থেকে ২–৩ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

📍মাইগ্রেনের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:

•তীব্র ধুকপুক বা স্পন্দনযুক্ত মাথাব্যথা
মাথার এক পাশে বা উভয় পাশে ব্যথা

•আলো (Photophobia) ও শব্দ (Phonophobia) সহ্য করতে কষ্ট হওয়া

•বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া

•দৈনন্দিন কাজ করলে বা হাঁটাচলা করলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া

•মাথা ঘোরা

•চোখে ঝাপসা দেখা বা আলো ঝলকানি দেখা (কিছু রোগীর ক্ষেত্রে, একে অরা (Aura) বলা হয়)

•অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বল লাগা

•কী কারণে মাইগ্রেনের আক্রমণ হতে পারে?

•পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া বা অতিরিক্ত ঘুম

•মানসিক চাপ

•দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা

•অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো বা তীব্র শব্দ

•কিছু নির্দিষ্ট খাবার (যেমন চকলেট, পুরনো চিজ, অতিরিক্ত ক্যাফেইন ইত্যাদি)

•কিছু নারীর ক্ষেত্রে মাসিকের সময় হরমোনের পরিবর্তন

•কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

•জীবনের সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথা হঠাৎ শুরু হলে

•মাথাব্যথার সঙ্গে হাত-পা অবশ হওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

•জ্বর, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি থাকলে

•মাথায় আঘাতের পর নতুন করে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে

যদি আপনার মাথাব্যথা মাসে বারবার হয় বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে, তাহলে একজন নিউরোলজিস্ট বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঠিক চিকিৎসায় অধিকাংশ মানুষের মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

এই হল চিকিৎসাবিজ্ঞানের সমস্ত আলোচনার সারমর্ম

➡️ এবার চলুন ইসলামিক চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলে

মাথাব্যথার অনেক কারণ থাকতে পারে। সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

- মাইগ্রেন
-টেনশন হেডেক (মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ)
-পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া বা অতিরিক্ত ঘুম
-দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা রক্তে শর্করা কমে যাওয়া
-পানিশূন্যতা (কম পানি পান করা)
-উচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ
-চোখের সমস্যা (চশমার পাওয়ার পরিবর্তন, চোখে অতিরিক্ত চাপ)
-সাইনাসের প্রদাহ (সাইনুসাইটিস)
-জ্বর বা অন্যান্য সংক্রমণ
-ঘাড়ের পেশিতে টান বা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল/কম্পিউটার ব্যবহার
-অতিরিক্ত ক্যাফেইন (চা-কফি) গ্রহণ বা হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া
-কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
-অতিরিক্ত শব্দ, উজ্জ্বল আলো বা তীব্র গন্ধ
-মাথায় আঘাত

এ সমস্ত কারণে আপনার মাথা যন্ত্রণা হতে পারে যা কিছু ক্ষেত্রে ঔষধ না খেলেও ঠিক হয়ে যায় আবার কিছু ক্ষেত্রে ঔষধ খাওয়ার পর সুস্থ হয়ে যায়,কিন্তু যদি এমন হয়, এখানে উল্লেখিত কোন কারণ আপনার মধ্যে নাই এরপরও মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে

দীর্ঘদিন যাবৎ মাথা যন্ত্রণা চলছে কোন কারণ ছাড়া, ঔষধ খেলেও কাজ হয় না অথবা সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ হলেও আবার শুরু হয়ে যায়!

এমন রোগীদের ক্ষেত্রে ইসলামী চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলে?

আমরা জানি শয়তান আমাদের প্রকাশ শত্রু সে সুযোগ পেলেই আমাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

এসম্পর্কে আল্লাহতালা কুরআনে বলেন
إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا ۚ إِنَّمَا يَدْعُو حِزْبَهُ لِيَكُونُوا مِنْ أَصْحَابِ السَّعِيرِ
অর্থ:
"নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু। অতএব তোমরা তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করো। সে তো তার অনুসারীদেরকে শুধু এ জন্যই আহ্বান করে, যাতে তারা জাহান্নামের অধিবাসী হয়।" — সূরা ফাতির, ৩৫:৬

তাই আমরা যখনই আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হই অর্থাৎ কবিরা গুনাহ করি এবং ইবাদত থেকে বিরত থাকি, তখনই মূলত শয়তান আমাদেরকে আক্রমণ করে এবং আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে।

শয়তান প্রথমে মানুষের শরীরে যেই দুইটি স্থানে আঘাত করে তা হল। ১- দিমাগ (ব্রেন) ২- কল্ব (হৃদয়)

যার কারণে ব্যক্তির অতিরিক্ত মাথা যন্ত্রণা করে
বারবার ভুলে যাই এবং অতিরিক্ত রেগে যায়
আর এই সমস্যাটা মূলত দুষ্টু জ্বীন শয়তান কেন্দ্রিক

এমত অবস্থায় আপনি যতই ডাক্তার দেখান ওষুধ খান এবং মেডিকেলে চিকিৎসা গ্রহণ করেন না কেন কিছুতেই শয়তানের এই গিঁট ধ্বংস করা সম্ভব নয়।

এখন আপনাকে ফিরে যেতে হবে ইসলামের দিকে
গ্রহণ করতে হবে কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী চিকিৎসা

বিশেষ করে মাথা যন্ত্রণার পাশাপাশি যদি আপনি প্রতিনিয়ত অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে থাকেন, শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতে লেগে থাকে তাহলে আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরী রুক্বইয়াহ চিকিৎসা গ্রহণ করা।

তবে আমরা শুধুমাত্র রুকিয়াহ চিকিৎসা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেয় না, ব্যক্তির পরিপূর্ণ অবস্থা যাচাই করে মেডিকেলে চিকিৎসার পাশাপাশি রুকিয়া চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি

আপনার সমস্যা সম্পর্কে বিস্তারিত বাংলায় লিখে অথবা বয়স করে হোয়াটসঅ্যাপে জানান, আমরা আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

আশ-শিফা রুক্বইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার খুলনা
➡️ 01969-242731

রাকী হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন
☎️ 01976-242740

31/07/2026

📢 আজ রাত ৮:৩০ টায় | ফ্রি অডিও লাইভ রুক্বইয়াহ সেশন

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

ইনশাআল্লাহ, আজ রাত ৮:৩০ মিনিটে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি ফ্রি অডিও লাইভ রুক্বইয়াহ সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

🕌 আজকের বিষয়:
🔹 আইন হাসাদ (বদ নজর)
🔹 বিবাহে বাধা
🔹 পড়ালেখায় বাধা
🔹 রিজিকে বাধা

আয়োজনে:
আশ-শিফা রুক্বইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার খুলনা
➡️ as-shifa Rukiya centre

🎙️ রুক্বইয়াহ পরিচালনা করবেন:
রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন

📲 টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হোন:
https://t.me/QL7uhFdMel8wMjll

⚠️ অনুরোধ: নির্ধারিত সময়ের ৫–১০ মিনিট আগে চ্যানেলে যুক্ত হয়ে প্রস্তুত থাকুন। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও উপকৃত হওয়ার সুযোগ করে দিন।

হে আল্লাহ আমাদের সকলকে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক শিফা দান করুন। আমীন

31/07/2026

আশিক জ্বীনে আক্রান্ত বিবাহিত এক বোনের রুক্বইয়াহ চিকিৎসার অংশ।

বিবাহর আগে থেকেই শারীরিক মানসিক বিভিন্ন রকম সমস্যা আক্রান্ত এই বোন। অনেক ফকির কবিরাজ দেখিয়েছে কিন্তু সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলছিল।

অতিরিক্ত মাথা যন্ত্রণা করা ও চুল পড়া
বারবার ভুলে যাও এবং অতিরিক্ত মেজাজ খারাপ হওয়া
শারীরিক অসুস্থতা লেগেই থাকা।
সামান্য বিষয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হওয়া
ইত্যাদি আরো অনেক সমস্যায় জর্জরিত এই বোন

রুক্বইয়াহ শুরু করার পর পরই অনেক কান্নাকাটি ও অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া, কিছুক্ষণের মধ্যেই শয়তান একটিভ হয়ে কথা বলতে শুরু করা।

প্রথমে শয়তান যেতে না চাইলেও পরবর্তীতে আজাবের আয়াত তেলাওয়াতের পর আল্লাহর ইচ্ছায় চলে যেতে বাধ্য হয়। আলহামদুলিল্লাহ

পেশেন্টের অবস্থা আগের থেকে অনেক ভালো আলহামদুলিল্লাহ

সকলে দোয়া করবেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন তাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করেন।

______________________________________

আশ-শিফা রুক্বইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার খুলনা
চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন
➡️ 01969-242731
☎️ 01976-242740
➡️ as-shifa Rukiya centre
➡️ রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন 🖋️

30/07/2026

আমাদের দেশের অধিকাংশ নারীদের আকিদা ও বিশ্বাস এমন যে তারা বলে : দোয়া কালামতো আছেই কিন্তু কিছু জিনিস আছে যা বদ জ্বিন ভয় পায়,যেমন আগুন,লোহা,রসুন,মরিচ, গর্ভকালীন সময়ে বদ জ্বীনের প্রভাব থাকে তাই ৪ কূল পরে শরীর বন্ধ রাখবেন আর এই লোহাও ওড়নার কর্নারে বেধে রাখবেন, এইটা কোনো তাবিজ না যে আপনার গুনাহ হবে।

এ বিষয়ে আল্লাহতা'য়ালা কি বলছে চলুন আমরা জেনে আসি।
﴿وَمَا يُؤْمِنُ أَكْثَرُهُم بِاللَّهِ إِلَّا وَهُم مُّشْرِكُونَ﴾
"তাদের অধিকাংশই আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, কিন্তু (একই সঙ্গে) শিরকও করে। (সূরা ইউসুফ: ১০৬)

সিরাতের কিতাব থেকে একটি ঘটনা দেখে আসি চলেন...

ইবন সা'দ বলেন: আমাদেরকে মুহাম্মদ ইবন উমর ইবন ওয়াকিদ আল-আসলামী (আল-ওয়াকিদী) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আলী ইবন ইয়াযীদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন ওয়াহব ইবন যাম'আহ তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি তাঁর ফুফুর সূত্রে বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন:
"আমরা শুনতাম যে, যখন আমিনা বিনতে ওয়াহব রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে গর্ভে ধারণ করেছিলেন, তখন তিনি বলতেন:
'আমি অন্য নারীদের মতো গর্ভধারণের কোনো ভার বা কষ্ট অনুভব করিনি। শুধু আমার মাসিক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
একদিন আমি ঘুম ও জাগরণের মধ্যবর্তী অবস্থায় ছিলাম।

তখন একজন আগন্তুক এসে বললেন:
"তুমি কি জানো যে তুমি গর্ভবতী?"
আমি যেন উত্তর দিলাম: "না।"
তখন তিনি বললেন:
"তুমি এই উম্মতের নেতা ও নবীকে গর্ভে ধারণ করেছ।"
এটি ছিল সোমবারের ঘটনা।
এরপর আমি নিশ্চিত হলাম যে আমি গর্ভবতী।

প্রসবের সময় ঘনিয়ে এলে সেই আগন্তুক আবার এসে বললেন:
"বলো: আমি এই সন্তানকে সেই এক আল্লাহর আশ্রয়ে সমর্পণ করছি, যাঁর কাছে মানুষ বড় বড় বিপদের সময় আশ্রয় প্রার্থনা করে, যেন তিনি তাকে হিংসুকদের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করেন।"

আমিনা (রা.) বলেন:
"আমি এই দোয়াটি পড়তে থাকলাম এবং বিষয়টি আমার পরিবারের নারীদের জানালাম। তারা আমাকে পরামর্শ দিলেন, আমি যেন গলায় ও হাতে একটি লোহার টুকরা ঝুলিয়ে রাখি।
আমি তাই করলাম। কিন্তু একদিনের মধ্যেই সেটি টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে গেল। এরপর আমি আর তা ঝুলিয়ে রাখিনি।"

উৎস: আত-তাবাকাতুল কুবরা, কিতাব আত-তাবাকাতুল কুবরা, ১ম খণ্ড

শয়তান থেকে হেফাজতের মালিক একমাত্র আল্লাহ। তাই তাঁর ওপর ভরসা করুন এবং কুরআন-সুন্নাহর দোয়া ও যিকর আঁকড়ে ধরুন।

আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোনো কষ্ট স্পর্শ করান, তবে তিনি ছাড়া তা দূর করার কেউ নেই।"
— সূরা আল-আন‘আম, ৬:১৭

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি তাবিজ ঝুলাল, সে শিরক করল।"
— মুসনাদ আহমাদ, হাদিস: ১৭৪২২ (সহীহ বলে গ্রাহ্য)

অতএব, গর্ভাবস্থায় নিরাপত্তার জন্য তাবিজ, সুতা, লোহা বা কুসংস্কারমূলক কোনো বস্তু নয়; বরং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল, নিয়মিত যিকর এবং কুরআন-সুন্নাহর দোয়াই একজন মুমিনের প্রকৃত আশ্রয়।

রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন 🖋️
➡️ 01969-242731

সকলে বেশি বেশি শেয়ার করবেন ইনশাআল্লাহ

29/07/2026

দুষ্টু জ্বীন শয়তান থেকে বাঁচতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষেররা বেশ কয়েক প্রকার বস্তু নিজের সাথে রাখেন হেফাজতের জন্য। মুরুব্বীদের থেকে শেখা এ সমস্ত কুসংস্কার নিয়মিত মেনে চলছেন অধিকাংশ নারীগণ।

আমার চোখে পড়া বুঝতে সমূহ
১- তাবিজ ( বরশি,সূচ, কাঁটা ও শিরকি নকশা যুক্ত)
২- মাছ ধরা জালের কাঠি (লোহার টুকরো)
৩- লোহা/পেরেক
৪- দিয়াশলাই (ম্যাচ)
৫- গ্যাস লাইট (লাইটার)
৬- পিঁয়াজ, রসুন
৭- গাছের ফল/ছাল/শিকড়
এছাড়াও হয়তো আরো অনেক কিছু আছে যা মানুষের হেফাজতের জন্য ব্যবহার করে থাকে সাথে রেখে থাকে।

কোন মুসলিম যদি দুষ্ট জ্বীন শয়তান থেকে বাঁচার জন্য সকাল সন্ধ্যার আমল ব্যতীত এ ধরনের বস্তু ব্যবহার করে থাকে তাহলে কি তার ঈমান থাকবে.?

এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা কি বলছেন চলুন জেনে আসি

وَمَا يُؤْمِنُ أَكْثَرُهُم بِاللَّهِ إِلَّا وَهُم مُّشْرِكُونَ
অর্থ: “তাদের অধিকাংশই আল্লাহর প্রতি ঈমানের দাবি করে, কিন্তু (বাস্তবে) তারা শিরকে লিপ্ত।”
📖 সূরা ইউসুফ: ১০৬

وَالَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِهِ لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَكُمْ وَلَا أَنفُسَهُمْ يَنصُرُونَ
অর্থ:
“তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে যাদেরকে ডাকো, তারা তোমাদের সাহায্য করতে পারে না; এমনকি তারা নিজেদেরও সাহায্য করতে পারে না।”
📖 সূরা আল-আ'রাফ — ১৯৭

قُلِ ادْعُوا الَّذِينَ زَعَمْتُم مِّن دُونِ اللَّهِ لَا يَمْلِكُونَ كَشْفَ الضُّرِّ عَنكُمْ وَلَا تَحْوِيلًا
অর্থ:
“বলুন, আল্লাহকে ছেড়ে যাদেরকে (উপাস্য) মনে কর, তাদের ডাকো। তারা তোমাদের কোনো বিপদ দূর করার বা তা পরিবর্তন করার কোনো ক্ষমতা রাখে না।”
📖 সূরা আল-ইসরা — ৫৬

📍 আপনাকে আমাকে যে সৃষ্টি করতে সৃষ্টি করেছেন সে আমাদের হেফাজতের বিষয় কি বলেছেন চলুন এ সম্পর্কে জেনে আসি।

১. আল্লাহই সর্বোত্তম হেফাজতকারী

فَاللَّهُ خَيْرٌ حَافِظًا وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
“আল্লাহই সর্বোত্তম হেফাজতকারী, আর তিনিই সর্বাধিক দয়ালু।”
📖 সূরা ইউসুফ: ৬৪

২. আল্লাহই অভিভাবক ও সাহায্যকারী হিসেবে যথেষ্ট

وَكَفَىٰ بِاللَّهِ وَلِيًّا وَكَفَىٰ بِاللَّهِ نَصِيرًا
“অভিভাবক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসেবেও আল্লাহই যথেষ্ট।”
📖 সূরা আন-নিসা: ৪৫

৩. আল্লাহর উপর ভরসা করলে তিনিই যথেষ্ট

وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ
“যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।”
📖 সূরা আত-তালাক: ৩

৪. আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
“আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।”
📖 সূরা আলে ইমরান: ১৭৩

৫. আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কিছুই ঘটে না

قُل لَّن يُصِيبَنَا إِلَّا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَنَا هُوَ مَوْلَانَا
“বলুন, আল্লাহ আমাদের জন্য যা নির্ধারণ করেছেন তা ছাড়া আর কিছুই আমাদের স্পর্শ করবে না। তিনিই আমাদের অভিভাবক।”
📖 সূরা আত-তাওবাহ: ৫১

৬. আল্লাহ তাঁর বান্দার জন্য কি যথেষ্ট নন?

أَلَيْسَ اللَّهُ بِكَافٍ عَبْدَهُ
“আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্য যথেষ্ট নন?”
📖 সূরা আয-যুমার: ৩৬

৭. যে আল্লাহকে আঁকড়ে ধরে, সে সরল পথে পরিচালিত

وَمَن يَعْتَصِمْ بِاللَّهِ فَقَدْ هُدِيَ إِلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
“যে আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে, সে অবশ্যই সরল পথে পরিচালিত হয়েছে।”
📖 সূরা আলে ইমরান: ১০১

৮. আল্লাহই মুমিনদের রক্ষক

اللَّهُ وَلِيُّ الَّذِينَ آمَنُوا
“আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক (রক্ষক)।”
📖 সূরা আল-বাকারা: ২৫৭

৯. আল্লাহর বন্ধুদের কোনো ভয় নেই

أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
“জেনে রাখো! আল্লাহর বন্ধুদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।”
📖 সূরা ইউনুস: ৬২

১০. আল্লাহর স্মরণে অন্তর প্রশান্ত হয়

أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ
“জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।”
📖 সূরা আর-রা'দ: ২৮

📍 এভাবে করে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে আমাকে হেফাজতের কথা জানিয়েছেন অনেক জায়গায়। চলুন এবার আমরা জেনে আসি কি কাজ করলে তিনি আমাদের হেফাজত করবেন।

لَهُ مُعَقِّبَاتٌ مِّنۢ بَيْنِ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِ يَحْفَظُونَهُ مِنْ أَمْرِ اللَّهِ
অর্থ: “মানুষের জন্য তার সামনে ও পেছনে (ফেরেশতাদের) পালাক্রমে আগমনকারী দল রয়েছে; তারা আল্লাহর আদেশে তাকে হেফাজত করে।”
📖 সূরা আর-রা'দ: ১১

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে চতুর্দিক থেকে হেফাজত করবে ফেরেশতাদের মাধ্যমে যদি আপনি আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী সকাল সন্ধ্যা আল্লাহর তাজবি পাঠ করেন,

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন

১. সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ কর

فَسُبْحَانَ اللَّهِ حِينَ تُمْسُونَ وَحِينَ تُصْبِحُونَ

অর্থ: “অতএব, তোমরা সন্ধ্যায় এবং সকালে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা কর।”
📖 সূরা আর-রূম: ১৭

২. সকাল-সন্ধ্যায় তোমার রবকে স্মরণ কর

وَاذْكُر رَّبَّكَ فِي نَفْسِكَ تَضَرُّعًا وَخِيفَةً... بِالْغُدُوِّ وَالْآصَالِ

অর্থ: “তুমি তোমার রবকে বিনয় ও ভয়ের সাথে মনে মনে স্মরণ কর, সকাল ও সন্ধ্যায়।”
📖 সূরা আল-আ'রাফ: ২০৫

৩. সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহকে ডাকো

وَلَا تَطْرُدِ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُم بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ

অর্থ: “যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের রবকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে ডাকে, তাদেরকে তুমি দূরে সরিয়ে দিও না।”
📖 সূরা আল-আন'আম: ৫২

৪. সকাল-সন্ধ্যায় ধৈর্যসহ আল্লাহর ইবাদতকারীদের সঙ্গে থাক

وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُم بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ
অর্থ: “তুমি নিজেকে তাদের সঙ্গেই রাখ, যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের রবকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে ডাকে।”
📖 সূরা আল-কাহফ: ২৮

৫. সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর প্রশংসাসহ তাসবীহ কর

وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا

অর্থ: “সূর্যোদয়ের আগে এবং সূর্যাস্তের আগে তোমার রবের প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা কর।”
📖 সূরা ত্বা-হা: ১৩০

📍আমরা কিভাবে আল্লাহর স্মরণ করব কি বলে আল্লাহর জিকির করব এ সম্পর্কে আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম আমাদেরকে শিখিয়েছেন।

১. তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) – ৩ বার

উকবা ইবন আমির (রা.) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন:

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ وَالْمُعَوِّذَتَيْنِ حِينَ تُمْسِي وَحِينَ تُصْبِحُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ تَكْفِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ

অর্থ: “সন্ধ্যায় ও সকালে ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’, ‘কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক’ এবং ‘কুল আউযু বিরাব্বিন্নাস’ তিনবার পড়বে; এগুলো তোমার জন্য সব কিছুর বিরুদ্ধে যথেষ্ট হবে।”

📚 সুনান আবু দাউদ: ৫০৮২,
জামে তিরমিযী: ৩৫৭৫ (সহিহ)

২. "বিসমিল্লাহিল্লাযী..."

> بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ... (৩ বার)

রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার এটি পড়বে, কোনো আকস্মিক বিপদ তার ক্ষতি করবে না।”

📚 আবু দাউদ: ৫০৮৮,
তিরমিযী: ৩৩৮৮ (সহিহ)

৩. "হাসবিয়াল্লাহ..."
حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ... (৭ বার)

রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় সাতবার এটি বলবে, আল্লাহ তার দুনিয়া ও আখিরাতের সব বিষয়ে যথেষ্ট হয়ে যাবেন।”

📚 সুনান আবু দাউদ: ৫০৮১

৪. সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার

রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সকালে দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এটি পড়ে এবং সন্ধ্যার আগে মারা যায়, সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যে সন্ধ্যায় পড়ে এবং সকাল হওয়ার আগে মারা যায়, সেও জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে।”

📚 সহিহ বুখারী: ৬৩০৬

৫. একশ বার তাওহীদের যিকির

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ...

রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি দিনে একশবার এটি পড়বে, সেদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে।”

📚 সহিহ বুখারী: ৩২৯৩, সহিহ মুসলিম: ২৬৯১

৬. সকাল-সন্ধ্যার যিকির অবহেলা করতেন না

আবদুল্লাহ ইবন খুবাইব (রা.) বলেন:
"রাসূল ﷺ সকাল ও সন্ধ্যায় যিকির করার নির্দেশ দিতেন।"

📚 আবু দাউদ: ৫০৮২, তিরমিযী: ৩৫৭৫

এসব হাদিসের ভিত্তিতেই আলিমগণ "আযকারুস-সাবাহ ওয়াল-মাসা" (সকাল-সন্ধ্যার যিকির) নিয়মিত পাঠ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এগুলো আল্লাহর ইচ্ছায় বান্দার জন্য হেফাজত, বরকত এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

প্রিয় পাঠক বৃন্দ আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের হেফাজতের জন্য প্রতিজ্ঞা করেছেন, অথচ আমরা আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা না করে তার সৃষ্টি বিভিন্ন বস্তুর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যা সম্পূর্ণ শিরক ⚠️

এ ধরনের বস্তু ব্যবহার করা থেকে নিজে বিরত থাকুন পরিবারকে বিরত রাখুন এবং আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে দাওয়াতে কাজ করুন।

হে আল্লাহ আপনি আমাদের সকলকে সঠিকটা বোঝার তৌফিক দান করুন। আমিন ইয়া রাব্বুল আলামীন

রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন 🖋️

পোস্ট উপকারী মনে হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না ইনশাল্লাহ।

29/07/2026

তাবিজ, ঘর ও বাড়ি বন্ধ সম্পর্কে আলোচনা।
রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন

29/07/2026

আশিক জ্বীন ধ্বংসের রুক্বইয়াহ 🔴
রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন
01969-242731

28/07/2026

পেইজের ৫০ জন অ্যাক্টিভ সদস্যকে "মাসব্যাপী রুক্বইয়াহ প্রজেক্ট" গ্রুপে ফ্রিতে জয়েন করব ইনশাআল্লাহ

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Khulna