Cosmos Gaming
love
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Kabir Ali, Ranjana Bhatia, Intaf Ansari Intaf Ansari, Pratik Nagar, Babli Kushwaha, Neha Sharma, Tophan Manasi, Binita Sapkota, Manju Reddy, Anushka Hattargikar, Pushpa Ray, Rajesh Rajesh, Geeta Kour, Bandana Saxena, Jenifer Bhadha, Vinod Kalsi, Anjali Sonekar, Samme Lal Chauhan, Simran Binod, Sumitra Karjee, Bi Aru Stha, Jime Rabsel, Asiya Khan, Alaisri Boro, Vinita Jha, Ârmāñ Mãłįķ, Babita Sharma, Protima Debojti, Shikha Kumari, Roshni Gazi, Kumar Tinku, Ranjan Nath, Mamta Lucky Shrivastav, Rajni Devi, Kajal Parveen, Priya Pandit, Kaushal Kishor, Non Scene, Rajnee Baghel, Kulwinder Singh, Mitali Barman, Krainil Marak, Vinod Paswan Vinod Paswan, Hermonkhongdkhar Hermonkhongdkhar, Moni Singh, Anima Daimary, Munna Kumar Raut, Shabana Mukashi, Rakesh Gonjhu D, Kana Gomani
hi
ফুল��
06/04/2026
দড়ি আর বাঁশ বেয়ে মসজিদে যাওয়া নাটোরের বড়াইগ্রামের ১২০ বছর বয়সী অন্ধ মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লা আর নেই। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজ বাড়িতে মৃ’ত্যু বরণ করেছেন।
তিনি বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। আজ সোমবার সকাল ৯টায় বড়দেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জানাজার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।
এই বর্ষীয়ান ধর্মপ্রাণ মানুষটিকে নিয়ে ২০২৪ সালের ১৩ মে যুগান্তরের অনলাইন ও প্রিন্ট সংস্করণে সচিত্র প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল।
জানা যায়, প্রায় ২২ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারান। এর ৬ বছর পর বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পবিত্র হজ পালন করেন। এরপর দেশে ফিরে নিজ গ্রামে ৫ শতাংশ জমির ওপর তৈরি করেন একটি পাকা মসজিদ। মসজিদের নামেই তিনি জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেন। এরপর নিজেই সেই মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। কিন্তু চোখে দেখতে না পাওয়ায় জটিলতা দেখা দেয় মসজিদে আসা-যাওয়া নিয়ে। সেই প্রতিবন্ধকতাও জয় করে ফেলেন শতবর্ষী এই বৃদ্ধ।
এজন্য সন্তানেরা বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত টেনে দেন দড়ি ও বাঁশ। এরপর দড়ি আর বাঁশের সাহায্যে নিয়মিত মসজিদে যেতেন তিনি।
আব্দুর রহমান মোল্লার ছেলে স্কুল শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম সাইফুল জানান, হজ পালন করে আসার পর তার বাবা মসজিদ স্থাপন করে সেখানে ৫ ওয়াক্ত নামাজের আজান দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু বাড়ি থেকে মসজিদের দূরত্ব প্রায় ২০০ মিটার। তখনই জটিলতা দেখা দেয় আসা-যাওয়া নিয়ে। সেই জটিলতাও নিরসনের পথ বাতলে নেন আব্দুর রহমান মোল্লা নিজেই। বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তায় দড়ি ও বাঁশ টাঙিয়ে দিতে বলেন।
বাবার দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী দড়ি ও বাঁশ টাঙিয়ে দেন ছেলেরা। এরপর প্রথম দিকে কয়েকদিন তার ছেলে ও নাতিরা দড়ি ও বাঁশের সাহায্যে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তাকে যাতায়াত ও রাস্তা পার হতে অভ্যস্ত করে তোলেন।
এ ছাড়া বাঁশ ও দড়ি খুঁজে পেতে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি লাঠিও। এভাবে কয়েকদিন দেখিয়ে দেওয়ার পর আর কারও সাহায্য নিতে হয়নি শতবর্ষী এই বৃদ্ধকে। এরপর থেকে তিনি নিজেই দড়ি ও বাঁশের সাহায্যে বাড়ি থেকে মসজিদে যেতেন।
তার মৃত্যুতে নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ বলেন, বড়াইগ্রাম উপজেলার সবচেয়ে প্রবীণ মানুষ ছিলেন তিনি। #ভাইরাল
��
��
Website
Address
Khulna
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Cosmos Gaming posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.