Raqi Usama Kobir.

Raqi  Usama Kobir.

Share

Raqi Usama Kobir
জ্বীন যাদু সংক্রান্ত
রুকাইয়া চিকিৎসা দেয়া হয়
01851422816

07/09/2026

আপনি আমাকে এমন একজন মানুষ দেখান—যে আন্তরিকভাবে রাসূল (সাঃ) এর ওপর দরুদ পড়ে, আল্লাহর কাছে দোয়া করে, আর আল্লাহ তাকে একেবারেই বঞ্চিত করে দেন!

দরুদ শুধু মুখের কিছু শব্দ নয়। রাসূল (সাঃ)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা নিজেই একটি মহান ইবাদত। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করেন।
—সহিহ মুসলিম

তবে একটা বিষয় মনে রাখবেন—দরুদ পড়ার অর্থ এই নয় যে, আপনি যা চাইবেন ঠিক সেভাবেই, ঠিক তখনই পেয়ে যাবেন। কখনো আল্লাহ আপনার চাওয়া জিনিসটাই দেন,
কখনো তার চেয়েও উত্তম কিছু দেন, আবার কখনো কোনো বিপদ আপনার কাছ থেকে সরিয়ে দেন।

তাই দোয়া কবুল হতে দেরি দেখে দরুদ পড়া বন্ধ করবেন না। আপনি চাইতে থাকুন, দরুদ পড়তে থাকুন, তাওবা করতে থাকুন—আর ফলাফলটা আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।

হয়তো আপনি যে দরজায় বারবার কড়া নাড়ছেন,
আল্লাহ সেই দরজাটা খুলবেন না। কারণ তিনি আপনার জন্য আরও ভালো একটি দরজা খুলে রেখেছেন। 🤍

দরুদ পড়া কখনোই বৃথা যায় না।

03/09/2026

একটু ভাবুন তো—আপনি যে গুনাহটা ছাড়তে পারছেন না, সেটার কারণে যদি একদিন আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয়, তখন কী জবাব দেবেন? আজ থেকে ৪০ দিন নিজের সঙ্গে একটা যু/দ্ধ করুন। কাউকে দেখানোর জন্য নয়, মানুষের প্রশংসার জন্য নয়, শুধু আল্লাহর জন্য।

প্রথম দিনেই সবকিছু বদলে যাবে এমন আশা করবেন না। বারবার হোঁচট খাবেন। কখনো আবার সেই গুনাহ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু গুনাহ হয়ে গেলে হাল ছেড়ে দেবেন না। সঙ্গে সঙ্গে তাওবা করে আবার শুরু করবেন। এই ৪০ দিনের চ্যালেঞ্জে ৫টি বিষয় ধরে রাখুন

১️ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, যত ব্যস্ততাই থাকুক, নামাজকে জীবনের অগ্রাধিকার দিন।

২️ প্রতিদিন ইস্তিগফার করুন। أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছেই তাওবা করি।

৩️ যে গুনাহে বারবার পড়ছেন, তার দরজা বন্ধ করুন।খারাপ সঙ্গ, অশ্লীল কনটেন্ট, হারাম সম্পর্ক, নির্দিষ্ট কোনো অ্যাপ বা এমন পরিবেশ, যেটা আপনাকে গুনাহের দিকে টেনে নেয়, সেটা থেকে দূরত্ব তৈরি করুন।

৪️ প্রতিদিন কুরআনের সঙ্গে সময় কাটান। অল্প হলেও পড়ুন, অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন এবং একটি আয়াত নিয়ে নিজের জীবনকে প্রশ্ন করুন আমি কি এর ওপর আমল করছি?

৫️ রাতে নিজের হিসাব নিন। আজ আমি কী ভালো করেছি? কোথায় ভুল করেছি? কোন গুনাহ আমাকে আবার টানছে? তারপর আল্লাহর কাছে কান্না করে ক্ষমা চান। মনে রাখবেন, গুনাহ ছেড়ে দেওয়া শুধু ইচ্ছার ব্যাপার নয়, পরিবেশ, অভ্যাস এবং হৃদয়, তিনটাকেই বদলাতে হয়। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন। সূরা আল-বাকারা, ২:২২২

তাই আজ যদি আপনি ১০ বছর ধরে কোনো গুনাহে আটকে থাকেন, তবুও ভাববেন না যে আপনার আর ফেরার পথ নেই। আপনার অতীত যত বড়ই হোক, আল্লাহর রহমত তার চেয়েও বড়।

আজ ১ম দিন।
আগামীকাল ২য় দিন।
এভাবেই ৪০ দিন নিজের নফসের বিরুদ্ধে লড়ুন।

হয়তো ৪০ দিন পর আপনার জীবন পুরোপুরি বদলে যাবে, কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, আপনার আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কটা বদলে যেতে পারে। আর যদি মাঝপথে আবার পড়ে যান? আবার উঠবেন। তাওবা করবেন। আবার শুরু করবেন। কারণ সফল সে নয়, যে কখনো পড়ে যায় না, সফল সে, যে পড়ে গিয়েও আল্লাহর দিকে ফিরে আসে।

03/09/2026

সালাতুল হাজত নামাজ আপনার মনের সব ইচ্ছে পূরণ করবে

আপনার মনের এমন কোনো ইচ্ছা আছে,যেটা কারো কাছে বলতে পারেন না…এমন কোনো কষ্ট, যা কাউকে বুঝাতে পারেন না…এমন কোনো চাওয়া, যা শুধু আল্লাহই পূরণ করতে পারেন—তাহলে আজই সালাতুল হাজত নামাজ পড়ুন।কারণ, বান্দা যখন একান্তভাবে আল্লাহর দরজায় দাঁড়ায়,তখন তার দোয়া কখনোই বিফল যায় না…হয়তো আপনি যা চান, আল্লাহ তা-ই দিবেন,অথবা তার চেয়েও উত্তম কিছু আপনার জন্য রেখে দিবেন—কিন্তু খালি হাতে আপনাকে কখনোই ফিরাবেন না।

সালাতুল হাজত নামাজের নিয়ম
‎
‎অজু: প্রথমে উত্তমভাবে অজু করতে হবে।
‎
‎উদ্দেশ্য: মনে মনে বৈধ কোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য এই নামাজ পড়ার নিয়ত করতে হবে।
‎
‎রাকাত সংখ্যা: সাধারণত দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে হয়, তবে ইচ্ছা করলে চার বা তার বেশি রাকাতও পড়া যায়।
‎
‎নামাজের পদ্ধতি:
‎প্রথম রাকাত: 'আল্লাহু আকবার' বলে নামাজ শুরু করে সুরা ফাতিহার পর অন্য কোনো সুরা পড়তে হবে। এরপর রুকু, সিজদা ও অন্যান্য নিয়ম মেনে প্রথম রাকাত শেষ করতে হবে।
‎
‎দ্বিতীয় রাকাত: একইভাবে সুরা ফাতিহার পর একটি সুরা পড়ে রুকু, সিজদা ও তাশাহহুদ পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করতে হবে।
‎
‎নামাজ শেষে: নামাজ শেষে আল্লাহর প্রশংসা করতে হবে এবং নবী করিম (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করতে হবে।
‎
‎তারপর নিজের প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর কাছে দু'আ করতে হবে!
‎
‎সালাতুল হাজত হলো একটি নফল নামাজ যা যেকোনো বৈধ প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পড়া হয়। এই নামাজ আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, তবে সাধারণত দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া হয়। এতে উত্তমভাবে অজু করে কিবলামুখী হয়ে স্বাভাবিক নফল নামাজের মতোই নিয়ম মেনে নামাজ আদায় করতে হয়। এই নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর ওপর বিশ্বাস দৃঢ় হয় এবং এতে অনেক ফজিলত রয়েছে।
‎
‎

02/09/2026

‎জীবনে বারবার ব্যর্থতা, হতাশা, অভাব, সমস্যা বা দুঃখের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন? এটা অনেকের জীবনেই ঘটে। কিন্তু ইসলামে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার সবচেয়ে সহজ ও শক্তিশালী মাধ্যম হলো সূরা ফাতিহা। এটি কুরআনের সারাংশ, নামাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং শিফা (আরোগ্য), বরকত ও দোয়া কবুলের সূরা।
‎
‎রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর হাদিসে সূরা ফাতিহাকে "শিফার সূরা" বলা হয়েছে (সহীহ বুখারি)। অনেক আলেম ও বুজুর্গদের (যেমন হজরত জাফর সাদেক রহ.) বর্ণনায় এর বিভিন্ন আমল আছে, যা বিপদ, রোগ, অভাব, ব্যর্থতা দূর করে সফলতা ও রিজিক বাড়ায়। এগুলো সহীহ হাদিসভিত্তিক নয় সবসময়, বরং অনেকটা অভিজ্ঞতাভিত্তিক ও আলেমদের উপদেশ। তবে বিশ্বাস ও ইখলাসের সাথে করলে আল্লাহ কবুল করেন।
‎
‎সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরীক্ষিত আমলগুলো (ব্যর্থতা-সমস্যা দূর করার জন্য)
‎
‎১. সূরা ফাতিহা ৪১ বার পড়ার আমল (সবচেয়ে বেশি উল্লেখিত)
‎
‎▪️অজু করে নিন।
‎
‎▪️কোনো শান্ত জায়গায় বসুন।
‎
‎▪️প্রথমে ৩-১১ বার দরূদ শরীফ পড়ুন (যেমন: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ...)।
‎
‎▪️তারপর সূরা ফাতিহা ৪১ বার পড়ুন (সঠিক তাজবিদে)।
‎
‎▪️শেষে আবার ৩-১১ বার দরূদ পড়ুন।
‎
‎▪️তারপর আল্লাহর কাছে দোয়া করুন: ব্যর্থতা দূর হওয়া, সফলতা, রিজিক, মনের শান্তি, যা চান তা বলুন।
‎
‎▪️সময়: ফজরের পর, মাগরিব-এশার পর বা রাতের শেষ প্রহরে (তাহাজ্জুদের সময়) করলে বেশি ফজিলত।
‎
‎▪️মেয়াদ: ৭, ১১, ২১ বা ৪১ দিন পর্যন্ত নিয়মিত করুন।
‎
‎▪️উপকার: অনেকে বলেন—রিজিক বাড়ে, ব্যর্থতার চক্র ভাঙে, মনের অস্থিরতা কমে, দোয়া কবুল হয়।
‎
‎২. সূরা ফাতিহার ৫ম আয়াত ভিত্তিক আমল (ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তা’ঈন)
‎
‎▪️এ আয়াতটি পড়ুন: إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
‎(অর্থ: আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই সাহায্য চাই।)
‎
‎▪️২১ বা ৪১ বার পড়ুন (বা পুরো সূরা ফাতিহা ২১/৪১ বার)।
‎
‎▪️এতে আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখার তাকিদ আছে, যা ব্যর্থতার মূল কারণ (নিজের উপর বেশি ভরসা) দূর করে।
‎
‎▪️২১-৪১ দিন করুন।
‎
‎৩. সহজ দৈনিক আমল (দোয়া কবুলের জন্য)
‎
‎▪️দরূদ ৩ বার।
‎
‎▪️সূরা ফাতিহা ৭ বার।
‎
‎▪️সূরা ইখলাস ৯ বার (বা ৩ বার)।
‎
‎▪️শেষে দোয়া করুন।
‎
‎▪️এটা অনেকে ব্যর্থতা, অভাব দূর করতে করে।
‎
‎৪. গুরুত্বপূর্ণ কথা
‎
‎▪️ইখলাস ও বিশ্বাস সবচেয়ে বড়। শুধু সংখ্যা নয়, আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন।
‎
‎▪️আমল করার সময় দোয়া করবেন: "ইয়া আল্লাহ! আমার জীবনের ব্যর্থতাগুলো দূর করে দাও, আমাকে সঠিক পথে রাখো, রিজিক বাড়িয়ে দাও, হতাশা দূর করো।"
‎
‎▪️নিয়মিত নামাজ, ইস্তিগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ ১০০ বার), দরূদ পড়া চালিয়ে যান—এগুলো ব্যর্থতা ভাঙার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
‎
‎▪️যদি সমস্যা খুব গভীর হয় (যাদু-বান-নজর লাগা মনে হয়), তাহলে সূরা ফাতিহা + আয়াতুল কুরসি + মুয়াওয়িযাতাইন (ফালাক-নাস) দিয়ে রুকইয়া করুন।
‎
‎আল্লাহ আপনার সব ব্যর্থতা দূর করে সফলতার রাস্তা খুলে দিন। আমীন 🤲

25/08/2026

মূসা (আ:) ছিলেন কালিমুল্লাহ। তিনি আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতে পারতেন।

একদিন এক মহিলা মূসা আলাইহিসসালাম-এর কাছে এসে অনুরোধ করলেন, যাতে তিনি আল্লাহর কাছে তার ব্যাপারে ফরিয়াদ করেন। ওই মহিলা নিঃসন্তান (ব'ন্ধ্যা) ছিলেন। তিনি সন্তান চাইতেন। মূসা আলাইহিসসালাম আল্লাহর কাছে তার জন্য দু'আ করলেন। আল্লাহ বললেন, এই মহিলার তাকদীরে সন্তান নেই। সে ব'ন্ধ্যা, কখনো সন্তান হবে না।

মূসা আলাইহিসসালাম ফিরে এসে মহিলাকে এই কথা জানালেন। মহিলা দুঃখ পেলেন, কিন্তু হাল ছাড়লেন না। তিনি আরও বেশি করে আল্লাহর কাছে কাঁদতে কাঁদতে দু'আ করতে থাকলেন। কিছুদিন পর আবার সেই মহিলা মূসা আলাইহিসসালাম-এর কাছে এলেন এবং একই অনুরোধ করলেন। মূসা আলাইহিসসালাম আবার আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেন। আল্লাহ আবারও বললেন, তার তাকদীরে সন্তান নেই।

এভাবে কয়েকবার (কোনো বর্ণনায় তিনবার) একই ঘটনা ঘটল। প্রতিবারই আল্লাহ বললেন-সে ব'ন্ধ্যা, সন্তান হবে না।

একদিন মূসা আলাইহিসসালাম আল্লাহর সাথে কথা বলার সময় দেখলেন, সেই মহিলা দু'আ করছেন আর বলছেন: "ইয়া রাহীম! ইয়া রাহীম! ইয়া রাহীম! (হে দয়াময়! হে দয়াময়! হে দয়াময়!) আল্লাহ তা'আলা মুসা আলাইহিসসালাম-কে বললেন: হে মুসা! ওই মহিলা এত বেশি দু'আ করেছে, তার দু'আ আমার রহমতকে আমার গ'জবের উপর প্রাধান্য দিয়েছে। আমি তার তাকদীর পরিবর্তন করে দিয়েছি। এখন সে সন্তানের মা হবে।

কিছুদিন পর সেই মহিলা দুই সন্তান নিয়ে (একটি কোলে, একটি হাতে ধরে) মূসা আলাইহিসসালাম-এর কাছে এলেন এবং বললেন, দেখুন, আল্লাহ আমাকে সন্তান দান করেছেন!

মূসা আলাইহিসসালাম আশ্চর্য হয়ে আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেন। আল্লাহ বললেন, "হে মূসা! আমার রহমত আমার গ'জবের উপর বিজয়ী হয়েছে। তার অবিরাম দু'আ আমাকে তার ভাগ্য পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে।

শিক্ষা: দু'আ তাকদীর পরিবর্তন করতে পারে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দু'আ ব্যতীত তাকদীর পরিবর্তন হয় না। (তিরমিযী)

আল্লাহর রহমত অসীম। অবিরাম, আন্তরিক ও বিনয়ের সাথে দু'আ করলে আল্লাহ তা কবুল করেন এবং তাকদীরের মু'আল্লাক (স্থগিত/পরিবর্তনযোগ্য) অংশ পরিবর্তন করতে পারেন। হাল ছাড়বেন না। যতই অসম্ভব মনে হোক, আল্লাহর কাছে চাইতে থাকুন। তিনি ইয়া রাহীম - অসীম দয়ালু।

এই গল্পটি আমাদেরকে আশা দেয় যে, অবিরাম দু'আ আল্লাহর রহমতকে জাগিয়ে তুলতে পারে।

আল্লাহ আমাদের সকলের দু'আ কবুল করুন। আমীন

ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে পেজটি ফলো করতে পারেন

25/08/2026

যৌন জাদু ( সিহরুত-তাহইজ )

এ ধরনের জাদুকে যৌন উত্তেজনার জাদু বলা হয়। জাদু এবং অশ্লীলতার এক ভয়ংকর সমন্বয় এটি সবচেয়ে বিপজ্জনক জাদুগুলোর একটি।

⤵️ যৌন জাদুর লক্ষণসমূহ

▪️ নারীর ইচ্ছাশক্তি কেড়ে নেওয়া
▪️জাদুগ্রস্ত নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জাদুকরের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া।
▪️ গোপন অঙ্গে অস্বাভাবিক উত্তেজনা ও উত্তাপ অনুভব।
▪️ অকারণে প্রচণ্ড ভয়।
▪️ হারাম ও অশ্লীলতার প্রতি ঝোঁক বেড়ে যাওয়া।
▪️ শরীয়াত ও ঈমান সম্পর্কে প্রচুর কু-ওয়াসওয়াসা হওয়া।
▪️ অতিরিক্তভাবে হস্তমৈথুনের দিকে ঝুঁকে পড়া।
▪️পুরুষ ও নারী দু’জনের ক্ষেত্রেই
▪️নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দিকভ্রান্তভাবে হাঁটা এবং শয়তান তাকে জাদুকরের দিকে নিয়ে যাওয়া।
▪️জাদুকারের ‘নামানো পানি’ ছাড়া প্রশান্তি না পাওয়া।
▪️এটি জাদুকরের ব্যবহৃত নাপাক পানি যা দিয়ে সে জাদু প্রভাবিত রাখে।
▪️জাদুর প্রভাব কেটে গেলে নারী নিজের করা কাজ দেখে আতঙ্কিত হয়ে ওঠা।
▪️ ব্যক্তিগত অঙ্গগুলো অস্বাভাবিকভাবে নোংরা থাকা।
▪️ফাঙ্গাস, দুর্গন্ধ, অস্বাভাবিক ময়লা ইত্যাদি দেখা দেওয়া।
▪️এমন মাত্রার ওয়াসওয়াসা যা মানুষকে শিরকে ঠেলে দিতে পারে।
▪️ পবিত্র স্থান ও ইবাদত থেকে দূরে সরে থাকা।
▪️অতিরিক্ত চুল পড়া এবং মাথায় খুসকি।
▪️শরীরে অস্বাভাবিক চলাচল বা নড়াচড়া অনুভব হওয়া
▪️মাথায় বারবার কাঁপুনি বিশেষ করে সহবাসের পর।
▪️ অতিরিক্ত ভুলে যাওয়া
▪️সামনে কিছু রাখে, মুহূর্ত পরেই ভুলে যায়।
--------------------------------------------------------

⤵️ যৌন জাদুর চিকিৎসা

▪️ আল্লাহর জিকির

আল্লাহ বলেন:
তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমি তোমাদের স্মরণ করব।”

▪️জলপাই তেল (Olive Oil) ব্যবহার

রাসুল ﷺ বলেছেন:
তোমরা জলপাই তেল খাও এবং শরীরে মাখো—এটি একটি বরকতময় গাছ থেকে আসে।”

▪️ প্রতিদিন সূরা বাকারা একবার করে তিলাওয়াত।
▪️ সালাত নিয়মিত ও সময়মতো আদায় করা
▪️দৈনিক ১০০ বার আয়াতুল কুরসি পড়া
▪️ প্রচুর দোয়া করা এবং আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করা।
▪️ নিচের আয়াতগুলো ৭ বার করে পানিতে পড়া।পরে তা পান করা ও সেই পানি দিয়ে গোসল করা ইনশাআল্লাহ জাদু ভেঙে যাবে:
আয়াতসমূহ

১) সূরা ইউনুস ৮১–৮২
২)সূরা আরাফ ১১৭–১২২
৩) সূরা ত্বাহা ৬৯

যৌন জাদু অত্যন্ত নোংরা ও ভয়ংকর এক জাদু।এ থেকে মুক্তির জন্য কুরআন, জিকির, দোয়া, নিয়মিত নামাজ,
ও সুরা বাকারা ইনশাআল্লাহ সবচেয়ে শক্তিশালী চিকিৎসা।

23/08/2026

যা'দুর নোংরামি থেকে বাঁচতে কুরআনের আশ্রয় নিন!

"ওরা কবুতরটাকেও রেহাই দেয়নি যাদুর নোংরামি থেকে!" - হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। একদল যা-দুকর একজন মানুষের জীবন তো লন্ডভন্ড করেছেই, সেই সাথে একটি পাখিকে বানিয়েছে তাদের যা-দুর বাহন! সমাজে যা'দুর প্রভাব দিন দিন alarming হারে বাড়ছে। এই বিপদ থেকে আমাদের একমাত্র পরিত্রাণের উপায় হলো কুরআনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন।

✅ আপনার সুরক্ষার জন্য যা করবেন:

🍥প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত করুন: অল্প হলেও নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করুন। এটি আপনার জন্য একটি শক্তিশালী সুরক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করবে।

🍥সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমল: সকাল এবং সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো নিয়মিত পালন করুন। এগুলোর মাধ্যমে আপনি আল্লাহর হেফাজতে থাকবেন।

🎗️যা'দু বা জ্বী'নের সমস্যায় কী করবেন?

আপনি যদি মনে করেন যে আপনি যা'দু, জ্বী'ন অথবা বদনজরের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তাহলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন।

অভিজ্ঞ রাক্বীর সাথে যোগাযোগ করুন: দ্রুত একজন অভিজ্ঞ রাক্বীর মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করান।

সমস্যা চিহ্নিত করুন: নিশ্চিত হন যে আপনার সমস্যাটি আসলেই জ্বী'ন, যা'দু বা বদনজরের কারণে হচ্ছে কি না।

23/08/2026

জীবন নষ্ট করার জন্য পিরিয়ড বন্ধ করার যাদুই যতেষ্ট।
বিবাহের পর পিরিওড এর যাদু করে যে বাচ্ছা নাহয়। কবিরাজ ভালো করেই জানে পিরিয়ড অফ হলে বাচ্ছা হয় না। বিয়ের পর বাচ্ছা ছাড়া ভালোবাসা সর্বোচ্চ ৫ বছর থাকে এর পর।
মানুষের কথা আত্মিয়দের উসকানি সহ্য করতে না পেরে আপনাকে ডিবোর্স দিতে বাধ্য হবে অথবা আপনার স্বামীকে এই সময় দ্বিতীয় বিয়ে করাডে বাধ্য করবে।
আপনার প্রতি দিন দিন অবহেলা ছুড়ে দিবে।
যদি অবিবাহিত হন তাহলে তো মসিবত বাড়বে বিয়ের আগেই পিরিয়ড অফ কিংবা মানুষ আপনাকে দেখতে আসলেই চেহারা কালো হয়ে যায়। অবিবাহিত দের পিরিওড অফ করে দেয়ার পিছনে ৮০% আশিক জ্বীবের হাত থাকে
২০% চালান জ্বীন কিংবা যাদু থাকে
যদি বিয়ের পর এমন হয় তাহলে মনে করতে হবে নির্ঘাত বাচ্ছা না হওয়ার জন্য যাদু করা হয়েছে অথবা পিরিয়ড এর সাথে সাথে কোনো কিছু বন্ধ করে রাখার যাদু করা হয়েছে
মনে রাখবেন পিরিয়ড অফ হলেই যে যাদু এটা নাও হতে পারে।
তাই ডক্টরী ওষুধ খাওয়া টাও আমাদের পক্ষ থেকে বলে দেয়া হয়।
একটা মেয়ে চায় সে তার স্বামীর সংসার করবে কিন্তু সেই সখের স্বামী যদি ডিবোর্স দেয় তাহলে এর থেকে বড় কষ্ট আর কি হতে পারে। পুরো জীবন টাই ধ্বংস
অবিবাহিত মেয়েদের ভিতরে ৬০% জেনা কারি শয়তান থাকে। এই যেনা কারী শয়তান আমার মা বোন দেরকে ধর্ষিতা বানিয়ে দেয়
বিয়ে পিরিওড সম্মন্ধ আসা সব কিছু বন্ধ করে দেয় ফলে বুয়ে হয় না। আমার বোনেদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের নিকৃষ্ট মন্তব্যপর শিকার হয়।
তাই পিরিওড অফ হলে সর্ব প্রথম ডক্টরের কাছে যায়। ওষুধ খেলে ভালো না খেলে আগের মত হলে কোনো ভালো রাক্বির কাছে যান
মনে রাখবেন মহিরাদের পিরিয়ড ৪৫-৫৫ বছর বয়স এর পর অফ হয় যদি এর আগে অফ হয় তাহলে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরী।
যে কোনো পরামর্শ নিতে 01851422816

26/07/2026

দ্রুত বিয়ে এবং বিয়ের জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার কিছু আমল!

১/ বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করা
২/ তাহাজ্জুদ ও সালাতুল হাজতের নামাজ পড়বেন।( রেগুলার)
৩/ বেশি বেশি এস্তেগফার পড়া । ( استغفر الله) উচ্চারণ আস্তাগফিরুল্লাহ৪/ বেশি বেশি এই আয়াত টি পড়বেন
সূরা আল-কাসাস আয়াত ২৪
َ رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।
৪/ এই আয়াত টি বেশি বেশি পড়বেন।
সূরা আল-ফুরকান আয়াত ৭৪
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
রাব্বানা-হাবলানা-মিন­ আঝওয়া-জিনা-ওয়া যুররিইইয়া-তিনা কুররাতা আ‘ইউনিওঁ ওয়াজ‘আলনা-লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা-।

৫/. প্রতিদিন ফজরের নামাযে পর يافتاح (ইয়া ফাত্তাহু) বাম হাতের উপর ডাম হাত রেখে আল্লাহর এই নামটি ৪০ বার পড়বেন। এভাবে ৪০ দিন পড়লে ইনশাআল্লাহ ফল পাওয়া যাবে। (পিরিয়ড থাকলেও এই আমল করবেন ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে )

৬/. বেশি বেশি তিলাওয়াতের অভ্যাস করুন।
৭/. আইয়ামে বীযসহ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সিয়াম পালন করুন।
৮/. এই দুয়াটা বেশি বেশি পড়ুন-
اللَّهمَّ اكْفِني بحلالِكَ عَن حَرَامِكَ، وَاغْنِني بِفَضلِكَ عَمَّن سِوَاكَ
আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।

ইনশা আল্লাহ দ্রুত আল্লাহ
উত্তম সঙ্গী মিলিয়ে দিবেন।

এমনকি বিবাহিত বোনেরাও এই দোয়া/আমল গুলো করতে পারেন। দাম্পত্য জীবন হবে আরও প্রশান্তির হবে ইন শা আল্লাহ।
পড়ার সুবিধার জন্য ডায়রীতে দোয়াটা লিখে রাখতে পারেন।
মনে রাখবেন, যেকোন দোয়া কবুলের শর্ত হল খুব আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর কাছে চাওয়া, আল্লাহর প্রশংসা করা, দুরুদ পাঠ করা এবং একজন নিঃস্ব-অসহায় হিসেবে আল্লাহর সামনে নিজেকে উপস্থাপন করা।
নিজের প্রয়োজনীয় ব্যাপার গুলো চাওয়ার পর দুরুদ ও আল্লাহর প্রশংসা দ্বারা দোয়া শেষ করা। দোয়া করার পর ধৈর্য্য ও বিশ্বাসের সাথে দোয়া কবুলের জন্য অপেক্ষা করা।
পাশাপাশি সকল হারাম ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
আরেকটি দোয়া
"হে আমার প্রতিপালক ,
নিশ্চয়ই তুমি অসীম দয়ালু , পরম করুনাময়।
মহান রব সবাইকে উওম জীবনসঙ্গী দান করুক।

26/07/2026

১. আপনার কাপড় চাইবে,
২. আপনার কোন অংশ (যেমন চুল, নখ চাইবে)
৩. আপনার নাম এবং মায়ের নাম জিজ্ঞেস করবে।

অনেকে প্রশ্ন করেন, অনেক আলেম মানুষও তো এরকম করেন। তাদের ব্যাপারে কি বলবেন?
অমুক বড় মাদরাসার মুফতি সাহেব এভাবে এভাবে করেন, তার ব্যাপারে কি বলবেন?

খুব পরিচিত একজন মুত্তাকী আলেম আছেন, যিনি সংখ্যা দিয়ে তাবিজ লেখেন, এবং টাকাও নেন না। তার ব্যাপারে কি বলবেন?

প্রিয় ভাই! এখানে কয়েকটা পয়েন্ট মাথায় ঢুকিয়ে নিলে আশা করি ব্যাপারটা সহজ হয়ে যাবে-

১. ‘রুকইয়াহ শারইয়্যাহ এবং শিরকিয়্যাহ’ একটা স্বতন্ত্র বিষয়। এই বিষয়ে ক্লাস নিতে চাইলে, ৪ মাসের এক সেমিস্টার পুরোটা ক্লাস নিয়েও আলোচনা শেষ করা মুশকিল।

২. একজন ব্যক্তি মুহাদ্দিস সাহেব অথবা মুফতি সাহেব হতে পারেন, কিন্তু তার মানেই উনি তাবিজ-কবচ বিষয়ে খুব গভীর ধারণা রাখবেন এমন তো না। উনি মাদরাসায় পড়েছেন ফিকহে ইসলামি অথবা উলুমে হাদিস বিষয়ে, বদনা চালান দেয়া তো দারুল ইফতায় শিখেননি।

৩. “উনি কাওমি মাদরাসায় পড়েছেন, উনি যে তাবিজ লেখেন!” – এর উত্তরে আমি বলি “দুঃখিত ভাই! কাওমি মাদরাসায় তাবিজ লেখা শিখানো হয় না। এটা উনি অন্য কোথাও শিখেছেন।”

৪. বাস্তবতা হচ্ছে, যারা এসব করেন, তাদের খুবই কম সংখ্যক এসবের গভীর জ্ঞান রাখেন। হয়তো একটা বই পেয়েছে কোন দোকানে বা ফুটপাথে, পড়ার পর আগ্রহ জন্মেছে। ব্যস! শুরু করে দিয়েছেন।

এজন্যই আমরা অহরহ দেখি “বশ করার তাবিজ করতে গিয়ে ভুল করেছিল, এখন পাগল হয়ে গেছে, কিংবা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছে।”

৫. গভীর জ্ঞান না রাখা একটা কারণ, দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে- এব্যাপারে বিজ্ঞ আলেমদের মতামত জানতে না চাওয়া, তাদের শরণাপন্ন না হওয়া।

৬. তৃতীয় কারণ হচ্ছে, এব্যাপারে শরিয়ত সমর্থিত পদ্ধতির প্রচলন না থাকা। যার কারণে, লোকেরা ধীরে ধীরে কুফরি যাদুটোনা আর তাবিজের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে।

স্মরণ করুন, আলী রা. এর প্রসিদ্ধ উক্তি – “আহলে হক যখন চুপ থাকে, তখন আহলে বাতিল ধারণা করে, তারাই হক!”

Category

Website

Address

হাটহাজারী মাদরাসার সাথেই
Hathazari

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raqi Usama Kobir. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Hathazari.