Amran Journalist

Amran Journalist

Share

মানুষ হও, মৃত্যুর পরও বেঁচে থাকবে

31/07/2026

পাটওয়ারী-সারজিসের বিরুদ্ধে আইফোন ছি-নতাইয়ের মামলা দিয়েছে ছাত্রদল

31/07/2026

এদের কাজ হইলো কত দামী লেডিস ব্যাগ, কত দামী জুতা এসব বলে বেড়ানো। এইগুলা কি কোন ব্যাক্তিত্বের মধ্যে পরে? কোন কস্টিউমস কত দামের এই বা/লের কথা কেউ শুনতে চায় তোদের কাছ থেকে।

একেকটা লেডিস নিজেদের সুদর্শন পুরুষ দাবী কইরা বইসা আছে। কেউ নিজেকে ১নম্বর আবার কেউ ২য় সুদর্শন দাবী করে।

এই ভক্সোদগুলো খালি গায়ে ব্লেজার পইড়া নিজেকে সুদর্শন দাবী করলেও এরা ছাগু ছাড়া আর কিছুই না। এই ভক্সোদগুলার ভি/ডিও সামনে আসে কেন বুঝিনা। এত এত নট ইন্টারেস্ট দেওয়ার পরও এদের থেকে মুক্তি নাই....!!!!!!!

বিরক্ত!

31/07/2026

৬ বছর বয়সী এক অবুঝ শিশুকে উ/ত্ত্য/ক্ত করে সেই ঘটনার ভিডিও টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ভিডিওটি ভাইরাল হলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয় এরপর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত মোজাম্মেল হোসেন ওরফে হোসাইন ২০-কে বৃহস্পতিবার রাতে ফেনী শহরতলির লালপোল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৮ জুলাই দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায়। স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তিন যুবক শিশুটির পথরোধ করে। তাদের মধ্যে দুজন শিশুটিকে হাত ধরে টানাটানি ও অ/শা/লী/ন আ'চ'রণ করে, আর মূল অভিযুক্ত মোজাম্মেল পুরো ঘটনা ভিডিও করে টিকটকে ভিডিও প্রকাশ করে।

ভ*য়ে শিশুটি বাড়ি ফিরে বাবাকে বিষয়টি জানায়। পরে ৩০ জুলাই টিকটকে ভিডিওটি পরিবারের নজরে এলে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে শিশুটির বাবা ফেনী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঘটনার পর থেকে শিশুটি চরম আ/ত/ঙ্ক ও মা'ন'সিক ট্র'মা'য় রয়েছে। মামলার অপর দুই অভিযুক্ত হলেন পশ্চিম ছিলোনীয়া এলাকার সালমান এবং যাত্রাসিদ্ধি এলাকার মাহফুজ।

ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিসা তাবাসসুম জানান, ভিডিওটি নজরে আসার পর বিশেষ অভিযানে মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং বাকি দুই আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এমন নেক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে ফেনী সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায়....!!!!!

31/07/2026

‘আমাকে এরেস্ট করেন, তবুও এদের (শিক্ষার্থীদের) ছেড়ে দেন। এদের কোনো অপরাধ নাই।’

জুলাইয়ের সে দুঃসাহসিক আইনজীবীর কথা ভুলে গেছেন?
মনে হয় না কেউ-ই ভুলে যাওয়ার কথা, শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ে আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যানের সামনে দু’হাত মেলে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

আজকের দিনে সেই অমর ইতিহাস রচনা করেছিলেন উনি।

সেদিন তিনি শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার প্রতিরোধ করতে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। পুলিশ বারবার বলে আপনি সরে যান স্যার, আমাদেরকে কাজ করতে দেন; কিন্তু তিনি সরেন নাই। শেষ পর্যন্ত পুলিশ বাধ্য হয় প্রিজনভ্যানে থাকা সকল শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিতে।

ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বছর দুয়েক আগে এসময় আইনজীবী হয়ে রাজপথ এমনকি কোর্টে লড়াই করেছিলেন ছাত্রদের পক্ষে আজকে উনি সংসদে দেশের আইনপ্রণেতা।

ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট করে যখন হত্যাযজ্ঞ চালায় দেশের ছাত্র-জনতার ওপরে, তখন বহির্বিশ্বের চাপ তৈরি হওয়ায় হাসিনার খুনী আইপিজিকে সঙ্গে নিয়ে পলাতক ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ’এখানে কোনো শিশু মারা যায়নি, হয়ত দু—একজন কিশোর মারা গেছেন।’

৩ আগস্ট এই মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ার পরদিন ৪ আগস্টে আবারো আদালতে দাঁড়ান এই ব্যারিস্টার মাহবুব খোকন। সেদিন তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন কোনো শিশু মারা যায় নাই, হয়ত কয়জন কিশোর মারা গেছেন। উনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উনি জানেন না শিশুর সংজ্ঞা!

মানবাধিকার কমিশন বলে একটা সংগঠন আছে দেশে, এটার কাজ কী কেউ জানে না৷ কতজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে তার তালিকা তারা প্রকাশ করতে পারে নাই। তাদের কাজ কী?’

এরকম গাটস্ দেখানো আইনজীবী আমরা হাতেগোনা অল্প কয়জনকে পেয়েছি জুলাইয়ে। যারা আমাদেরকে চেনালেন সত্য এবং মিথ্যার সংঘাত যখন চলে তখন নিরবতা পালন করা অপরাধ এবং যারা ন্যায়ের পথে থেকে লড়াই করেন, তারাই হলেন আসল মানুষ।

ব্যারিস্টার খোকনের চেহারাটা চেনেন, রাজনৈতিক পরিচয় জানেন? অবশ্য সেটা জানার প্রয়োজন নাই!

পান থেকে চুন খসলে যারা বলে বেড়ান জুলাইয়ে বিএনপি গর্তে ছিল, তাদের কোনো অবদান নাই। ১৭ বছর পর তারা মুক্ত বাতাস দেখতে পেরেছে এই অমুক, তমুকদের কল্যাণে, তাদের জন্য ব্যারিস্টার খোকনদের রাজনৈতিক পরিচয়টা সামনে তোলে ধরা অস্বস্তির কারণ হতে পারে...!!!!!

31/07/2026

২০০৩ সালের ২৪ জুলাই রাতে চট্টগ্রামের চকবাজার থেকে বাসায় ফিরছিলেন ব্যবসায়ী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহসভাপতি জামাল উদ্দিন চৌধুরী। কিন্তু তিনি আর কখনো ঘরে ফিরতে পারেননি।

অপহরণকারীরা ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল। পরিবার শেষ পর্যন্ত ২৫ লাখ টাকা জোগাড় করে দিয়েছিল—একটাই আশা, মানুষটা অন্তত জীবিত ফিরে আসবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষা আর শেষ হয়নি।

দুই বছর পর ফটিকছড়ির একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে উদ্ধার হয় একটি কঙ্কাল। পরে সিঙ্গাপুরে ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি জামাল উদ্দিনেরই।

এরপর শুরু হয় আরেক দীর্ঘ অধ্যায়—বিচারের অপেক্ষা।

এই মামলার তদন্ত করেছেন পুলিশের ৯ কর্মকর্তা। হয়েছে অভিযোগপত্র, নারাজি আবেদন, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ, বছরের পর বছর আইনি জটিলতা। কিন্তু ২৩ বছর পেরিয়েও মামলাটি এখনো সাক্ষ্য গ্রহণের ধাপই পুরোপুরি শেষ করতে পারেনি।

সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয়, বিচার দেখে যেতে পারেননি জামাল উদ্দিনের ছোট ছেলে। গত বছর তিনি মারা যান।

আর বড় ছেলে, যিনি দীর্ঘ ১৪ বছর আদালত, থানা ও প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন, তিনিও গত ৯ বছর ধরে আদালতে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ—প্রকৃত অভিযুক্তদের বাদ দিয়ে যে বিচার চলছে, তাতে তাঁদের আর আস্থা নেই।

একজন স্ত্রী আজও সেই রাতের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন। মুক্তিপণের টাকা দিয়েও স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে পারেননি। একজন ছেলে বাবার বিচার না দেখেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। আরেক ছেলে এখনও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়।

জামাল উদ্দিন হত্যা মামলা এখন শুধু একটি অপহরণ ও হত্যার ঘটনা নয়। এটি একটি পরিবারের ২৩ বছরের অপেক্ষা, হারানোর বেদনা এবং ন্যায়বিচারের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রতীক....!!!!

31/07/2026

আজ দেখলাম চুরি করতে আইসা বাইসাইকেল , জুতা ,ছাতা রেখে পালালো চোর।
ঘটনাটি ঘটছে শরীয়তপুরে। গভীর রাতে মোটরসাইকেল চুরি করতে আসে বাট মোটরসাইকেলে সিকিউরিটি লক ও সাউন্ড থাকায় টাচ করার সাথে সাথে সাইরেন্ট বাজা শুরু আর বারির লোকজন ধাওয়া করলে চোরের সকল জিনিসপত্র ফেলে রেখে পালালো চোর। চোরের কি দুর্দিন আসলো কিছু ইনকামের ধান্দায় আইসা আরো পোংটা ম্রা খাইলো। এখন ভয়ের বিষয় হলো সোস্যাল মিডিয়ায় যেহেতু জানাজানি হইছে না জানি এই জোতা অ সাইকেল দেখে চোরকে কেউ চিনে ফেলে 😅

31/07/2026

গুলশানের মত জায়গায় বাস থেকে নেমেই মধ্যরাতে ছিন/তাই এর শিকার এক যুবক! যারা এসব ছিন/তাই করে তারা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সুসম্পর্ক রাখে।

ফলে পুলিশ ধরলেও দ্রুতই বের হয়ে যায়। বেশিভাগ ক্ষেত্রেই এরা জু/য়ায় আস/ক্ত অথবা নে/শায় আ/সক্ত হয়ে এই কাজ করে।

গুলশানের মত নিরাপদ জায়গায় যদি এমন কাজ অহরহ হয় তাহলে অন্য এলাকার কি অবস্থা হবে ভাবাই যায়না।

সবার উচিত রাত ১০ টার মধ্যেই বাসায় প্রবেশ করা। অন্তত তখন রাস্তায় লোকজন থাকবে। ছিন/তাই হওয়ার সম্ভাবনা কম...!!!!!

31/07/2026

মাহমুদুর রহমান রবিন জুলাই মাসের ৪ তারিখে রিয়াদ থেকে সর্বশেষ কথা বলেছে। তার লাস্ট কথা ছিল আমি এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্য বের হচ্ছি। সে সাইপ্রাস থেকে সৌদি এসেছিলো জুলাই ১ তারিখে। সৌদিতে ছিল ৪ দিন তারপর তার জার্মানি যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তাকে আমরা আর জার্মানিতে যোগাযোগ করে পাচ্ছি না। সে সৌদি এয়ারপোর্টে ঢুকেছে কিনা এটাও আমরা সিওর না। তার কাছে সৌদির ইকামা ছিল। যদি কেউ আমার ভাইয়ের সন্ধান পেয়ে থাকেন দয়া করে পোষ্টের কমেন্টে কিংবা পেইজের ইনবক্সে জানালে আমাদের খুব উপকার হবে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka
1212