Dr Bublee's Derma Beauty
Dr Sharmin Reza Bublee is the Managing Director of Flawless Famina Aesthetic Center. She also done Special training in Aesthetic Surgery from VLCC, India.
Dr Sharmin Reza Bublee is completed her MBBS degree from Z H Shikder Women's Medical College. She went to England and completed her Diploma in Dermatology from Queen Mary University Of London. Then she went to Thailand, the land of beauty and completed two fellowship training in laser surgery from Siri Raj Hospital, Bangokok and Ramathibody Hospital,Bangkok, Thailand. She is working as a Consultant Dermatology, in VLCC Bangladesh now.
06/06/2026
খাবার খাওয়ার পর যখন সুগার স্পাইক করে এই সুগার বা চিনির কিছু অংশ ত্বকের কোলাজেনসহ বিভিন্ন প্রোটিনের সঙ্গে জুড়ে যায়। এই প্রক্রিয়া কে মেইলার্ড বিক্রিয়া (Maillard reaction) বা গ্লাইকেশন (Glycation) বলা হয়।প্রতিটি Blood Sugar Spike আপনার কোলাজেনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ত্বক আপনার প্রতিটি খাবারের মেমোরি ধরে রাখে আর তার ছাপ দেখা যায় মুখে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রক্রিয়া কোলাজেনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা যে ভাত, রুটি, পাস্তা বা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেট খাই, সেগুলো হজম হয়ে শেষ পর্যন্ত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়। যখন এই গ্লুকোজ কোলাজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন AGEs (Advanced Glycation End-products) নামে কিছু ক্ষতিকর যৌগ তৈরি হয় । AGEs জমতে থাকলে কোলাজেনের স্বাভাবিক গঠন ও কার্যকারিতা ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে।
এর ফলে কী হতে পারে?
1. ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা কমে যেতে পারে
গ্লাইকেশনের ফলে কোলাজেন ধীরে ধীরে শক্ত ও ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। ফলে ত্বক আগের মতো সহজে টানটান অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না এবং বয়সের ছাপ তুলনামূলক দ্রুত দেখা যায়।
2. ত্বক মলিন বা হলদেটে দেখাতে পারে
গ্লাইকেশন সেই একই ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার অংশ, যা রান্নার সময় রুটি বাদামি বা পেঁয়াজ ক্যারামেলাইজড করে। দীর্ঘদিন ধরে AGEs জমতে থাকলে ত্বকে কিছুটা হলদেটে বা নিস্তেজ ভাব দেখায়।
4. ক্ষতিগ্রস্ত কোলাজেন সহজে সরানো যায় না
স্বাভাবিকভাবে শরীর পুরোনো বা ক্ষতিগ্রস্ত প্রোটিন ভেঙে নতুন প্রোটিন তৈরি করে। কিন্তু গ্লাইকেশনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোলাজেন অনেক বেশি সময় ধরে থেকে যেতে পারে, ফলে ধীরে ধীরে সমস্যাগুলো জমতে থাকে।
বিশেষ করে 30 বছরের পর, যখন শরীরের কোলাজেন উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই কমতে শুরু করে, তখন গ্লাইকেশন ত্বকের বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করে ।
গ্লাইকেশন কমানোর জন্য কী করা যেতে পারে?
1. প্রতিটি খাবারে এর সাথে প্রোটিন খান...ডিম, মাছ, মাংস, ডাল বা দই দিয়ে খাবার শুরু করলে রক্তে সুগার স্পাইক অনেকাংশেই কন্ট্রোলড থাকে। আগেই পোস্টই লিখেছিলাম সকাল এর প্রোটিন কেন ইম্পর্টান্ট । এই একটা চেঞ্জ আপনার সারাদিন এর স্পাইক ড্রামাটিক ভাবে চেঞ্জ করে দিবে।
2. খাওয়ার পর ১০ মিনিট হাঁটুন
খাওয়ার পর হাঁটলে GLUT4 সক্রিয় হয়ে পেশীতে গ্লুকোজ গ্রহণ বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে রক্তে অতিরিক্ত শর্করা/সুগার দ্রুত কমতে পারে।
3. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিনেগার ব্যবহার করা যেতে পারে
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের আগে অল্প পরিমাণ অ্যাপল সিডার ভিনেগার বা অন্য খাবার ভিনিগার রক্তে সুগার স্পাইক বৃদ্ধি কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
4. চিনি যতটা সম্ভব কমান
সফট ড্রিংক, মিষ্টি জুস, এনার্জি ড্রিংক বা অতিরিক্ত চিনি মেশানো পানীয় রক্তে শর্করা খুব দ্রুত বাড়ায়। এগুলো কমানো গ্লাইকেশন নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর একটি হতে পারে।
মনে রাখুন
একবার তৈরি হওয়া AGEs পুরোপুরি দূর করা সহজ নয়। তাই ত্বক ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো কৌশল হলো রক্তে শর্করার অপ্রয়োজনীয় ওঠানামা যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখা। এতে শুধু ত্বকই নয়, দীর্ঘমেয়াদে পুরো শরীরই উপকৃত হয়...
ফান ফ্যাক্ট
The Ordinary Glycolic Acid , রেটিনল জনপ্রিয় টোনার, যা মৃত কোষ দূর করে ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে। গ্লাইকোলিক অ্যাসিড ত্বকের টেক্সচার ও উজ্জ্বলতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু গ্লাইকেশনের ফলে কোলাজেনে হওয়া ক্ষতি সরাসরি দূর করতে পারে না ভিতর থেকে । অনেকটা কনসিলার দিয়ে সাময়িকভাবে মেকআপ করার মতো।
এমন কিছু এসথেটিক চিকিৎসা বর্তমানে করা গয় যা দিয়ে কিছুটা কোলাজেন নতুন করে তৈরি করা সম্ভব হয়। একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে আপনারা উপকার পাবেন।
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন না আনলে ভেতর থেকে গ্লাইকেশন কমবে না। আর যদি খাদ্যাভ্যাস, ঘুম, ব্যায়াম ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কসমেটিক পণ্যের প্রয়োজনও তুলনামূলক কমে যেতে পারে....
আপনাদের ত্বক ও চুলের কোন সমস্যা টার সমাধান জানতে চান?
29/01/2026
একজন পারদর্শী ডাক্তার সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে আপনাকে আপনার সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। তাই নিজের চিকিৎসার জন্য বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিবেন।
Hypothyroid and Hairfall:
(Telogen Effluvium)
চুল পড়া Hypothyroid এর সবচেয়ে কমন আর painful symptoms গুলার একটা। খুব কম মানুষ কে আমি জানি including myself যাদের Hypothyroid আছে কিন্তু চুল পড়ার সমস্যা একবার হলেও face করে নাই।
চুল পড়া শুরু হলে আমাদের প্রথম প্রশ্ন থাকে - আমি তো নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছি, TSH level ও ঠিক আছে… তাহলে চুল কেন পড়ছে 😡😭??”
এই চুল হারানোর চিন্তা আমদের স্ট্রেস লেভেল কে double করে দেয় 😢।
এটার কিন্তু ইন্টারস্টিং একটা সাইন্টিফিক এক্সপ্লানেশন আছে। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি অনেকের চুল পড়া নিয়ে স্ট্রেস, টেনশন আর ভয় টা একটু হলেও কমবে। আমি লিখা টা ২ টা পার্ট এ দিব।
তো মূল কথায় আসি 🙂।
আমাদের মাথার প্রতিটা hair follicle এ প্রতিটা চুলের একটা lifecycle আছে। ৩ ta phase এর ভিতর দিয়ে একটা চুল এর lifecycle ঘোরাফেরা করে । Phase গুলি হচ্ছে:
Anagen (Growth phase: ২–৬ বছর) এই সময়ে চুল দ্রুত বাড়ে। আমাদের মাথার ৮৫–৯০% চুল থাকে Growth phase-এ।
থাইরয়েড হরমোন কমে গেলে এই growth phase ও slow হয়ে যায়। ফলে নতুন চুল ঠিকমতো বাড়তে পারে না।
Catagen (Transition phase: ২–৩ সপ্তাহ) এই phase এ কোনো সমস্যা হয় না—shortest phase. থাইরয়েড হরমোন এর তেমন কোনও প্রভাব নাই এই phase এর উপর।
Telogen (Resting + shedding phase: ৩ মাস) আমাদের মাথার ১০–১৫% চুল থাকে resting/shedding phase এ।
আর এখানেই মূল সমস্যা দেখা দেয় যাদের hypothyroid থাকে।
Hypothyroid এ metabolic slow-down এর কারণে অনেক অনেক চুল prematurely telogen phase এ ঢুকে যায়। এছাড়াও শরীরে বড় যেকোনো stress হলে রোগ, সার্জারি, জ্বর, Vitamin deficiency—অনেক চুল একসাথে Telogen phase-এ ঢুকে পড়ে। এটাকে মেডিক্যাল টার্ম এ Telogen Effluvium বলে।
Thyroid imbalance এর জন্য যেটা হয় স্ক্যাল্প এ ব্লাড সার্কুলেশন কমে যায়, ফলে চুলের follicle দুর্বল হয়ে যায় এবং Telogen Effluvium-এর কারণে অনেক চুল একসাথে shedding mode-এ চলে যায়। তাই ২–৩ মাস পরে হঠাৎ করে চুল “ঝরঝর করে” পড়তে শুরু হয় 😭😭😭।
মেডিসিন শুরু করার পর TSH level ঠিক হওয়ার পর ও নতুন চুল আসতে কেন এত সময় লাগে?
এর কারণ হলো:
Body প্রথমে damage থামায়
Dose এডজাস্ট হওয়ার পর হরমোন balance এ আসতে ৪–৮ সপ্তাহ লাগে। এই সময়ে shedding টা একটু কমে।
তারপর Regrowth শুরু হয়
নতুন চুল “active growth phase বা Anagen phase”-এ ঢুকতে কমপক্ষে আরও ৬০–৯০ দিন লাগে। এটা normal biology, speed-up করা যায় না।
New baby hair visible হতে সময় লাগে, নতুন চুল mm-by-mm বাড়ে। আমরা চোখে দেখে বুঝতে পারি সাধারণত ১০–১২ সপ্তাহে।
তাই মোট সময়: Damage → Repair → Regrowth = ৩–৬ মাসের মতো লেগে যায়।
এজন্যই medicine শুরু করার পর তাৎক্ষণিক improvement দেখা যায় না।
আরও কিছু underlying cause আছে (Ferritin, Vitamin D, stress, scalp inflammation) যেগুলো regrowth আরও slow করে দেয়।
যদি চান পরের পোস্টে এগুলো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করব। কমেন্ট এ আপনাদের মতামত জানাবেন।
21/01/2026
চুল পড়া রোধে আধুনিক চিকিৎসা | EP 5755 | Shastho Protidin | স্বাস্থ্য প্রতিদিন চুল পড়া এখন একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা। এই ভিডিওতে NTV Health অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আলোচ.....
⸻
🧬 চুল পড়া নিয়ে নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার—এর প্রকৃত অর্থ কী?
বিজ্ঞানীরা MCL1 নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ অণু (molecule) শনাক্ত করেছেন, যা চুল গজানোর জন্য দায়ী স্টেম সেলগুলোকে সুরক্ষা দেয়। এই হেয়ার ফলিকল স্টেম সেলগুলো মাথার ত্বকের নিচে ছোট ছোট অংশে অবস্থান করে এবং চুলের পুনর্জন্মের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
যখন স্ট্রেস, বয়স বৃদ্ধি, কিছু ওষুধ বা জেনেটিক কারণে MCL1-এর মাত্রা কমে যায়, তখন এই স্টেম সেলগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে। স্টেম সেল নষ্ট হয়ে গেলে নতুন চুল গজানো সম্ভব হয় না, যার ফলে সময়ের সাথে সাথে চুল পাতলা হয়ে যায় বা টাক পড়ে।
গবেষণাগারে করা পরীক্ষায় দেখা গেছে, যখন MCL1 ব্লক করা হয়, তখন চুল উৎপাদনকারী কোষগুলো P53 নামে একটি স্ট্রেস-রেসপন্স অণু সক্রিয় করে, যা কোষগুলোকে আত্মবিনাশ (self-destruct) করতে বাধ্য করে। এই আবিষ্কারটি চুল পড়ার পেছনের একটি নতুন জৈবিক পথ (pathway) নির্দেশ করে।
এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে, MCL1-এর মাত্রা বজায় রাখা বা P53-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা গেলে, এই গুরুত্বপূর্ণ স্টেম সেলগুলোকে অকাল মৃত্যু থেকে রক্ষা করা সম্ভব হতে পারে। অর্থাৎ, চুল পড়ে যাওয়ার পর চিকিৎসা না করে, ভবিষ্যতে চুল পড়া প্রতিরোধ করাই হতে পারে চিকিৎসার মূল লক্ষ্য।
যদিও এই গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, বিজ্ঞানীরা মনে করছেন ভবিষ্যতে এমন চিকিৎসা পদ্ধতি আসতে পারে যা চুলের ফলিকলকে সুস্থ ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করবে। হরমোন-ভিত্তিক বা শুধু উপরের স্তরে কাজ করা চিকিৎসার বদলে, ভবিষ্যতের থেরাপি চুলের গভীরে থাকা এই পুনর্জন্মকারী স্টেম সেলগুলোর সুরক্ষার ওপর জোর দেবে—যাতে প্রাকৃতিকভাবে চুল দীর্ঘদিন সুস্থ থাকে।
01/01/2026
Happy New Year 2026
30/12/2025
We are mourn
Category
Contact the business
Website
Address
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Dr Bublee's Derma Beauty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.