Mohammad Masum Tiens
সপ্ন সেটা নয়
যা মানুষ ঘুমিয়ে দেখে,
সপ্?
27/08/2018
ক) সেপ্টেম্বর ২০১৮ ক্লোজিং মাসে পণ্য পমোশন পলিসি:
১) ১ টা ফস সলিড ড্রিংক কিনলে ১টি ফ্রি
২) ২টি জিমনেমা কিনলে ১টি ফ্রি
৩) ২টি সেল রিজুভেনেশন কিনলে ১টি ফ্রি
→
#মেয়েকে দ্বীন শিক্ষায় মায়ের গল্প...
মেয়ে বলতেছে আম্মু, আমরা বোরকা পড়ি
কেন ?
মা বলতেছেন,
আমাদের যিনি সৃষ্টি করেছেন, তাঁর হুকুমপালন করি ।
মেয়ে বললেন, আমার সম- বয়সের
অনেকেই তো বোরকা পড়ে না ।
তাহলে আমাকে পড়তে হবে কেন আম্মু ?
মা বললেন শুনো, তাহলে তোমাকে আমি
ছোট্ট একটা গল্প বলি,
তুমি বুঝবে আমরা কেন বোরকা পড়ি ।
আচ্ছা মা মনি বল তো, হরিন সুন্দর না ছাগল
সুন্দর ?""'
অবশ্যই আম্মু হরিন সুন্দর । তুমি কি সব সময়
হরিন কে দেখতে পাও ? না আম্মু । হরিন
তো বনে বাস করে । তুমিই তো সে দিন
আমাকে পড়ালে হরিনের একটি
মৃগ নাভি আছে যা থেকে কস্তুরি নামের সুগন্ধ
মুগ্ধ করে চারপাশ ।
তার মানে হরিন খুব দামি প্রানি । এরা
সচারচর সবার সামনে ঘুরা ঘুরি করে না ।
আর ছাগল, সবাই তার কাছে যায়, তাকে সবাই আদর
করতে পারে ।
এইটা দেখে কেউ আশ্চর্যবোধ করে না ।
তেমনি মা, তোমাকে আমাকে আল্লাহ
সবচেয়ে
দামি করে বানিয়েছেন । আমাদের
জান্নাতে যাবার মত এটাই হল সহজ পথ ।
মা বলেলন,লক্ষি মা মনি এবার বল, তুমি দামি হয়ে
থাকতে
চাও ? না কম দামি ?
মেয়ে বলল,জি না আম্মু, আমি জীবনে
কক্ষনো কম
দামি হতে চাই না ।
আমাকে তুমি তোমার মত করে বোরকা পড়িয়ে
দিবে।
বোরকা পড়া মেয়েরা হচ্ছে Beautiful( জান্নাত
হচ্ছে Beautiful )
আমি তোমার জান্নাতে যেতে চাই,,,,
হে বোনেরা.....
নিজেদেরকে যদি কম দামী মনে না করেন,
তাহলে আজ থেকে পর্দা করা শুরু করেন ।
কে জানে,হয়ত,এই পর্দাই একদিন আপনাকে
জান্নাতে নিয়ে যেতে সাহায্য করতে পারে!!!!!!
আল্লাহ সকল মা বোনদের হেদায়েত দান করুক,............আমিন
11/10/2017
#কোলেস্টেরল_কি ?
খুব বেশি চর্বিযুক্ত খাবারে সঙ্গে আমরা প্রায়শ: কোলেস্টেরলকেও যুক্ত করি। তবে বেশিরভাগ কোলেস্টেরল; এই মোমসৃদর্শ বস্তুটি তৈরি হয় দেহের ভেতরেই। রক্তে বহমান কোলেস্টেরলের ৭৫% ভাগই তৈরি হয় যকৃতে। বাকি ২৫% আসে খাদ্য থেকে। স্বাভাবিক মান বজায় থাকলে কোলেস্টেরল দেহের জন্য সব উপকারী জিনিষ করতে থাকে। তবে পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য লোকের রক্তে কোলেস্টেরল মান বেশি।
রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে কোনও লক্ষণ বা উপসর্গ হয়না। কিন্তু দেহের গভীরে ক্ষতিতো হতেই থাকে। কালক্রমে খুব বেশি কোলেস্টেরল রক্তে ধীরে ধীরে ধমনীর ভেতর চর্বিপুঞ্জ জমতে থাকে। ধমনী দৃঢ় ও কঠিন হয়ে যায়। একে বলে চিকিত্সা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘এথারোস্ক্রোরোসিস’। এমন হলে করোনারি ধমনী দিয়ে রক্ত চলাচল ক্ষীণ হয়ে যায়। পরিনতিতে এক সময় হার্ট এ্যাটাক হয়। সুসংবাদ হলো উচুমান কোলেস্টেরল সনাক্ত করা সহজ। আর একে নামানোরও রয়েছে নানা উপায়।
কোলেস্টেরল টেস্ট
২০ বছরের বেশি বয়স হলে কোলেস্টেরল চেক্ করানো উচিত এবং পাঁচ বছরে একবার করে টেস্ট করানো ভালো। টেস্টের নাম হলো ফাস্টিং লিপিড প্রোফাইল। ৯-১২ ঘন্টা উপবাস থাকার পর রক্তের নমুনায় বহমান বিভিন্ন ধরণের কোলেস্টেরল পরিমাপ করা। এই ফলাফল থেকে পাওয়া যাবে মোট কোলেস্টেরল, ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এল.ডি.এল, হিতকর কোলেস্টেরল এইচ.ডি.এল মান ও ট্রাইগ্লিসারাইড মান।
ক্ষতিকর কোলেস্টেরল
রক্তের বেশিরভাগ কোলেস্টেরল যে প্রোটিন বহন করে একে বলে লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এলডিএল। একে বলে খারাপ কোলেস্টেরল। কারণ এটি অন্যান্য বস্তুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অবরুদ্ধ করে রক্তনালী পথ। স্যাচুরেড ফ্যাট ও ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে রক্তে বেড়ে যায় এল.ডি.এল। বেশিরভাগ লোকের ক্ষেত্রে এলডিএল মান ১০০-এর নিচে হলে তা স্বাস্থ্যকর। তবে যাদের হূদরোগ তাদের এলডিএল মান এর চেয়ে কম হওয়া ভালো।
ভালো কোলেস্টেরল
রক্তের কোলেস্টেরলের প্রায় এক তৃতীয়াংশ বহন করে হাই-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এইচডিএল। একে বলে ভালো কোলেস্টেরল। কারণ ক্ষতিকর কোলোস্টেরল অপসারণে সহায়তা করে এইচডিএল। তাই ধমনীর দেয়ালে এটি জমা হবার সুযোগ পায়না। এইচডিএল মান যত উঁচু তত ভালো। যাদের রক্তে এইচডিএল খুব কম এদের হূদরোগ হবার সম্ভাবনা বেশি। স্বাস্থ্যকর চর্বি যেমন জলপাই তেল গ্রহণ করলে এইচডিএল বাড়তে পারে।
ট্রাইগ্লিসারাইড
শরীর বাড়তি ক্যালোরি, চিনি এবং এলকোহলকে ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তরিত করে। ট্রাইগ্লিসারাইড বা চর্বি রক্তে বহমান হয়ে সারা শরীরে মেদকোষে জমা হয়। যাদের শরীরে ওজন বেশি, নিষ্ক্রিয় যারা, ধূমপায়ী বা মদ্যপায়ী এদের রক্তে অনেক বেশি ট্রাইগ্লিসারাইড। যারা খুব বেশি শর্করা খান তাদের রক্তেও ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি। ট্রাইগ্লিসারাইড মান ১৫০ এর বেশি হলে ঝুঁকি থাকে মেটাবলিক সিনড্রোমের। এই রোগ সমষ্টির জোরালো সম্পর্ক রয়েছে হূদরোগ ও ডায়াবেটিসের সঙ্গে।
মোট কোলেস্টেরল
রক্তে বহমান লাইপোপ্রোটিন কনা এলডিএল, এইচডিএল ও ডিএলডিএল একত্রে হলো কোলেস্টেরল। ক্ষতিকর এলডিএল কনার পূর্বরূপ হলো ডিএলডিএল। ভিএলডিএল তৈরি হয় যকৃতে এবং তা রূপান্তরিত হয় এলডিএল কনায়। সাধারণত: রক্তে মোটে কোলেস্টেরল মান ২০০ এর নিচে হলে তা স্বাস্থ্যকর। এর বেশি থাকলে হূদরোগের প্রচুর সম্ভাবনা থাকে। মোট কোলেস্টেরল= এলডিএল+এইচডিএল+ভিএলডিএল।
কোলেস্টেরল অনুপাত
কোলেস্টেরল অনুপাত গণনা করার জন্য মোট কোলেস্টেরল মানকে এইচডিএল মান দিয়ে ভাগ করতে হবে। যেমন মোট কোলেস্টেরল ২০০ এবং এইচডিএল ৫০; তাই কোলেস্টেরল অনুপাত হলো ৪:১। চিকিত্সকের পরামর্শ অনুপাতটি ৪:১ বা এর নিচে থাকলো ভালো। অনুপাত যত কম তত ভালো। এই অনুপাতটি হূদরোগের ঝুঁকি অনুমানে উপকারী। তবে চিকিত্সা প্রদানে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক নয়। চিকিত্সা দেওয়া ও ফলোআপের জন্য রক্তের মোট কোলেস্টেরল, এইচডিএল ও এলডিএল মান প্রয়োজন।
খাদ্যে কোলেস্টেরল
কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ খাদ্য চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, ডিমের কুসুম। কিন্তু এগুলো নিষিদ্ধ খাবার নয়। সীমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যে কোলেস্টেরল আমরা খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করি এর সামান্যই প্রভাব পড়ে রক্তের কোলেস্টেরল মানের উপর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। কিন্তু মানুষের উপর প্রভাব পড়ে বটে। তবে বেশিরভাগ মানুষের জন্য বড় বিপদ হলো স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট। সুস্থ মানুষের দৈনিক কোলেস্টেরল গ্রহণ মাত্রা হলো ৩০০ মিলিগ্রাম এবং যাদের খুব ঝুঁকি এদের জন্য ২০০ মিলিগ্রাম। একটি ডিমের কুসুমে আছে ১৮৫ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল।
কোলেস্টেরল ইতিহাস
কোলেস্টেরল আসে দুইটি উত্স থেকে। শরীর এবং খাদ্য। দুটোই প্রভাব বিস্তার করে রক্তের কোলেস্টেরলের উপর। কোন কোন লোক এমন জীন উত্তরাধিকার হিসেবে পায় যা বেশি বেশি কোলেস্টেরল তৈরি হওয়াকে প্রনোদিত করে। অন্যদের জন্য খাদ্য থেকে কোলেস্টেরল একটি পথ, কোলেস্টেরল রক্তে বেড়ে যাওয়ার। স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল থাকে প্রাণীজ খাদ্যে: যেমন মাংস, কলিজা, মগজ, দুধজাত দ্রব্য, ডিম থেকে। খাদ্য ও জীনগত উত্তরাধিকার দুটো মিলে অনেক সময় রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ায়।
কিসে বাড়ে ঝুঁকি
স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ খাদ্য
উচু কোলেস্টেরল মানের পারিবারিক ইতিহাস
ভারি ওজন বা স্থূল শরীর
বয়স্ক হওয়া
কোলেস্টেরল ও জেন্ডার
রজ:নিবৃত্তির কার্য পর্যন্ত সমবয়সী পুরুষদের চেয়ে কম কোলেস্টেরল থাকে মহিলাদের। তাদের রক্তে হিতকরী কোলেস্টেরল এইচডিএলও বেশি থাকতে পালে এর একটি কারণ হলো স্ত্রী হরমোন ইস্ট্রোজেন। সন্তান ধারণক্ষম বছরগুলোতে নারীদের ইস্ট্রোজেন মান থাকে তুঙ্গে। এর পর তা নেমে আসে রজ:নিবৃত্তি হলে। ৫৫ বছর উর্দ্দে নারীদের রক্তে উচু মান কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
কোলেস্টেরল ও শিশুরা
এমন তথ্য প্রমাণ আছে কোলেস্টেরল রক্তনালী পথে অবরোধ স্বষ্প করতে পারে শৈশব থেকেই। পরবর্তী জীবনে যা এথারোস্ক্রোরোসিস ও হার্ট এ্যাটাকে পর্যবসিত হয়। আমেরিকান হূদরোগ সমিতির পরামর্শ শিশু ও টিনএজার যাদের রক্তে উচুমান কোলেস্টেরল, এদের তা নামানো উচিত। আদর্শ:২-১৯ বছর বয়সীদের রক্তে মোট কোলেস্টেরল ১৭০ এর নিচে থাকা উচিত।
উচুমান কোলেস্টেরল কেন বিপদের কারণ
উচুমান কোলেস্টেরল হল করোনারি হূদরোগ, হার্ট এ্যাটাক ও স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি। আলঝাইমার রোগের ঝুঁকিও উচুমান কোলেস্টেরল। আমরা জানি রক্তে উচুমান কোলেস্টেরল থাকলে ধমনীগ্রাত্রে চর্বি জমে, অবরুদ্ধ হয় রক্ত প্রবাহ। হূদরোগে পর্যবসিত হতে পারে তা। হূদপেশির বিশেষ অঞ্চলে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে সে অংশটিতে ঘটে হার্ট এ্যাটাক।
কোলেস্টেরল কমানো চাই
কোলেস্টেরল মান কমাতে খাদ্যবিধি একটি উত্তম পন্থা। আঁশযুক্ত শস্য বেশ হূদবান্ধব। কিছু কিছু খাবারের দ্রবনীয় আঁশ, রক্তের এলডিএল কমাতে সহায়ক। দ্রবনীয় আঁশের ভালো উত্স হলো আটার রুটি, লাল ও হোলগ্রেন শস্য, ওটমিল, ফল, শাক সবজি ও কিডনি বীনস্।
চিনতে হবে চর্বিকে
প্রতিদিনে মোট ক্যালোরির ৩৫% এর বেশি আসা উচিত নয় চর্বি থেকে। তবে সব চর্বি যে সমান, তাতো নয়। স্যাচুরেটেড ফ্যাট তা প্রাণীজ হোক বা উদ্ভিজ তৈল হোক বেশি গ্রহণ করলে বাড়ে রক্তে এলডিএল এবং কমায় হিতকর এইচডিএল।
এই দুটো মন্দ চর্বি পাওয়া যায় বেকারিতে প্রস্তুত খাদ্য, ভাজা খাবার, ডোনাট, থ্রাই, চিপস, স্টিক মার্জাবিন এবং কুকিস বিস্কুটে। অসম্পূর্ন চর্বি কমায় এলডিএল এবং করে হিতকর কাজও। জলপাইতেল ও পিনাট তেলে আছে তেমন চর্বি।
প্রোটিন
মাংস এবং পুরোচর্বিসহ দুধে আছে প্রচুর প্রোটিন। তবে আচে কোলেস্টেরলও। বরং সোয়াপ্রোটিন খেলে এলডিএল কমার সম্ভাবনা বাড়ে। আর একটি ভালো পছন্দ হলো মাছ। এতে আছে ওমেগা-৩ ও মেদঅম্ল; হূদবান্ধব। সপ্তাহে অন্তত: দুদিন মাছ খেতে পরামর্শ আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের।
লোকার্বোহাইডেট ডায়েট
এমন তথ্য প্রমাণ আছে যে, কোলেস্টেরলের উচুমান কমাতে লো-ফ্যাট ডায়েটের চেয়েও লো-কার্ব ডায়েট ভালো। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের দু’বছরের এক গবেষণা থেকে জানা যায়, লোফ্যাট খাদ্য গ্রহণ করেছেন যারা তাদের চেয়ে লো-কার্ব খাদ্য বা কম শর্করা খাবার খেয়েছেন যারা তাদের হিতকর এইচডিএল মান অনেক ভালো।
বাড়তি ওজন কমাতে হবে শরীরের ওজন বেশি হলে শরীরে ওজন হ্রাসের প্রোগ্রাম শুরু করতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে। বাড়তি ওজন কমালে কমবে ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল ও মোট কোলেস্টেরল।
মাত্র কয়েক পাউন্ড শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলতেও হিতকর কোলেস্টেরল বাড়ে, ৬ পাউন্ড ওজন কমালে বাড়ে এক পয়েন্ট।
ধূমপান ছাড়তে হবে
ধূমপান ছাড়া কঠিন হলেও ছাড়তে পারলে অনেক লাভ। ধূমপান ছেড়ে দিলে হিতকর এইচডিএল বেড়ে যাবে ১০%।
ব্যায়াম হলো ভালো দাওয়াই
সুস্থ আছেন তবে সক্রিয় নন জীবন যাপনে। এমন কেউ যদি এরোবিক ব্যায়াম প্রোগ্রাম শুরু করেন তাহলে প্রথম দুই মাসের মধ্যেই হিতকর কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে ৫%। নিয়মিত ব্যায়ামে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলও কমে।
সংগ্রহীত
আছে ৯৯%৯৯ সমাধান, সম্পুর্ণ প্রকৃতিক প্রডাক্ট,
গবেষকদের মতে এক বোতল আঙ্গুর রসের তুলনায় এক টি ভাইগোরোস/ গ্রাপ এক্সত্রাক ক্যাপসুলে বেশি পরিমান রেসভারেট্রল আছে।
প্রতি বছর হাইপারলিপিডেমিয়ার কারনে হার্টে অসুখে ১৫,০০০,০০০ লোক মারা যায়।মুক্ত মূলক বা ফ্রি রেডিক্যাল গুলো অকাটকর করে দেয়।
1. স্ট্রোক ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি হ্রাস করে।
2. শিরা ধ্বমনির দেয়াল কোলেস্টেরল মুক্ত রাখে।
3. অনুচক্রিকার ভাঙ্গন রোধ করে এবং রক্ত জমাটবদ্ধতা দূর করে।
4. মস্তিষ্ক ও হৃৎপিন্ডে রক্তবাহী নালী সমূহের রোগ প্রতিরোধ করে।
5. অকাল বার্ধক্য রোধ করে।
6. এটা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া, বিরোধী প্রদাহজনক, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন. এন্টি-অক্সিডেন্ট উপকারিতা আছে
7. কার্ডিওভাসকুলার রোগ জন্য ঝুঁকি হ্রাস করে.
8. আপনার হাত, পা এবং ছোট চোখ কৈশিক প্রচলন সমর্থন করে.
স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত একমাত্র পণ্য।
#সেবন_বিধিঃ
প্রতিদিন ১/২ বার ২টি করে ক্যাপসুল খাবারের পর।
বি দ্র : এটি কোন ঔষধ নই,উচ্চ মানসম্পূর্ণ খাদ্য।
বাংলাদেশের যেকোন জেলা ও উপ-জেলা থেকে পরিবহনের মাধ্যমে পণ্য ডেলিভারি দেওয়া হয়। ডেলিভারি চার্জ আলাদা প্রদান করতে হবে। বিস্তারিত জানার জন্য ফোন করুন। Call- 01719656020
অভিনন্দন পত্র
সুধী,
আমি টিয়েন্স গ্রুপের পক্ষ থেকে
আপনাদেরকে টিয়েন্স পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিদিন ১৯০ টিরও অধিক দেশ ও অঞ্চলে ৪০ মিলিয়নেরও বেশি ভোক্তা বিভিন্ন রকমের পরিবেশ বান্ধব ও স্বাস্থ্য সম্মত পন্য ভোগ করছে যা ৫০০০ বছরের চীনা ঐতিহ্য ও আধুনিক জৈবপ্রযুক্তির সমন্বয়ে প্রস্ততকৃত এবং যা নিরাপদ এবং স্বাস্থ্য সম্মত জীবনের নিশ্চয়তা প্রদান করে। বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের দক্ষ ব্যবস্থাপকগণ এর প্রসারে বিশ্বব্যাপী নিরবিচ্ছিন্নভাব
ে কাজ করে যাচ্ছে এবং স্বাস্থ্য, সৌভাগ্য, আশার বাণী, ও ভালোবাসা বিতরণ করছে। পৃথিবীর সমগ্র বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান সমূহের সাথে টিয়েন্স কৌশলগত অংশিদারীত্বের ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের সম্পদের সমন্বয়ের মাধ্যমে পৃথিবী ব্যাপী অবদান রেখে চলেছে। একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের নিজেদেরই একটি লক্ষ্য রয়েছে। "এক পৃথিবী, এক পরিবার" এই মূলমনন্ত্র নিয়ে আমাদের টিয়েন্সের সদস্যরা সারা বিশ্বজুড়ে অসাধারণ নতুনত্ব, সুউচ্চ দায়িত্বশীলতা এবং এই চমৎকার টিয়েন্স মূলমন্ত্রকে সমুন্নত রেখেছে আমাদের ব্যবসায়ীক স্লোগান "সঙ্গতি - ঐক্যতা - সমৃদ্ধি" এবং "বেটার টিয়েন্স, বেটার লাইফ" কে সুচ্চার মাধ্যমে। সারাবিশ্বের ভোক্তাদের মানসম্মত পন্য এবং গুণগত শিক্ষা ও ব্যবসায়িক সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যকে সামনে রেখে একটি সুসমন্বিত সমাজ গঠনের মাধ্যমে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন করে টিয়েন্স সারা বিশ্বের টিয়েন্স পরিবারের সদস্যদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে সহয়তা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। "একে অপরের হাত ধরে সামনে এগিয়ে চলো এবং পৃথিবীর সর্বত্র বিস্তৃত হও" এই মানসিকতার পৃষ্ঠপোষকতা করার মাধ্যমে এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ টিয়েন্সকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ৫০০ কোম্পানীর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করার প্রতিজ্ঞা করেছে। টিয়েন্স বিশ্বব্যাপী ভোক্তাদের মধ্যে একটা উদার দৃষ্ঠিভঙ্গি সম্পন্ন প্রতীকে পরিনত হয়েছে। আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি যে, টিয়েন্স গ্রুপের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় উন্নতির চক্র "স্বপ্নকে আলিঙ্গন, স্বপ্নের পেছনে দৌড়ানো, স্বপ্নকে অনুধাবন, স্বপ্নকে অতিক্রম" করে পৃথিবী ব্যাপী ডিস্ট্রিবিউটরগণ অসীম মর্যাদা ও সম্মান সৃষ্টির আলোক বর্তিকা বহন করবেন। আমি টিয়েন্স পরিবারের সকল সদস্যের ব্যবসায়িক, শারীরিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক উন্নতি এবং সারাবিশ্বের সকল মানুষের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
Better Tiens
Better Life.
Mr.Li Jinyuan
01/10/2017
যদি হাইস্কুলের বাস্কেটবল
টিম থেকে বাদ পড়া ছেলে
পরের দুই যুগে বাস্কেটবল
ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম প্লেয়ার
মাইকেল জর্ডান হতে পারে
তাহলে আজকের ব্যার্থ তুমিও
একদিন কিছু হতে পার
যদি ভার্সিটিতে
সিনেম্যাটিক আর্টসে ভর্তি
হতে ব্যার্থ হওয়া ছেলে
আজকের ইন্সটিউট অফ সিনেমা
লেজেন্ডারি স্টিভেন
স্পিলবার্গ হইতে পারে
তাহলে তোমারও পাবলিকে
না টেকা তোমার সাফল্য কে
আটকে রাখতে পারবে না
যদি ৯ বছর বয়সে চাচা ,চাচাত
ভাইদের কাছে সেক্সুয়াল
অ্যাসল্টের স্বীকার হওয়া
দরিদ্র মায়ের মেয়ে একদিন
যেয়ে টিভি লেজেন্ড অপরা
উইনফ্রে হতে পারে তাহলে
তোমার পরিবারের
দারিদ্রতা তোমার এগিয়ে
যাওয়াতে বাধা হতে
পারবেনা
যদি মাথার মধ্যে
ক্রিয়েটিভিটির অভাব দুর্নাম
নিয়ে চাকরি থেকে ব্যার্থ
যুবকটি এর পরবর্তীতে
নিজেকে বিংশ শতাব্দীর
অন্যতম ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট
ওয়াল্ট ডিজনি নামে
পরিচিত হতে পারে তাহলে
তোমার বিসিএসে ব্যার্থতা
তোমার ক্যারিয়ারের ফুলস্টপ
হতে পারেনা
যদি ওয়েইট্রেসের কাজ করা
সিঙ্গেল মাদার মহিলাটি
নিজের লেখা
পান্ডুলিপিটি নিয়ে ২৭ জন
প্রকাশকের কাছে ঘুরে ব্যার্থ
হয়ে শেষ পর্যন্ত এক প্রকাশকের
৮ বছরের বাচ্চা মেয়ের
অনুরোধে প্রকাশিত হওয়ার পর
তার সেই বই হ্যারি পটার আর
তার নাম জে কে রওলিং হতে
পারে তাহলে তোমার
জীবনেও একদিন সূর্য উঠতে
পারে
যদি চার বছর বয়স পর্যন্ত মুখে
বুলি না ফোটা সাত বছর বয়স
পর্যন্ত রিডিং পড়তে অক্ষম
মানসিক প্রতিবন্ধি হিসেবে
ধরে নেয়া বালক একদিন
গিয়ে আলবার্ট আইনস্টাইন
হতে পারে তাহলে তুমি যে
গুড ফর নাথিং এই কথা তুমি
বলতে পারোনা
যদি ছেলেবেলায় হরমোন
ডেফিশিয়েন্সি, অপুষ্টির
স্বীকার সে ছেলেটি একদিন
গিয়ে সাফল্যে আকাশ ছুতে
পারে লিওনেল মেসি হয়ে
তাহলে তুমি মেসি না হও
তোমার ক্ষেত্রে তুমিও আইকন
হতে পার
যদি পেটে ভাত জোগাতে
প্রিয় কুকুরটিকে ৫০ ডলারে
বিক্রি করে দেয়া অভাবে
যার স্ত্রী তাকে ছেড়ে
দিয়েছিল সে আজকে
সর্বকালের অন্যতম সেরা
অ্যাকশন হিরো সিলভেস্টার
স্ট্যালোন হতে পারে তাহলে
তোমার দ্বারা কিছু হবেনা
একদিন এই কথা ভুল প্রমাণিত
হবেই
সারাজীবনে নিজের মাত্র
একটা পেইন্টিং বিক্রি
করতে পারে মিডিওকার
আর্টিস্ট যদি পরবর্তীতে
মায়েস্ট্রো ভিনসেন্ট ভ্যান
গগ হতে পারে তাহলে
তোমার লাইফেও কিছু একটা
হতে পারে
যদি নিজের কোম্পানি
থেকে নিজেই বরখাস্ত হওয়া
দুর্ভাগা ব্যাক্তিটি
পরবর্তীতে বিশ্বকে পাল্টে
দেওয়া স্টিভ জবস হতে পারে
তোমার আজকের সাময়িক
ব্যার্থ তোমার উঠে দাড়ান
একদিন অন্য কারো
ইন্সপিরেশনের বিষয় বস্তু হতে
পারে
যদি কালো বলে শেতাঙ্গদের
ট্রেনে জায়গা না পাওয়া
ছোটখাট মানুষটি একদিন
মহাত্মা গান্ধী হতে পারে
তাহলে তোমার আজকের
অপমান একদিন তোমাকে আইকন
বানাতে পারে
যদি নেলসন ম্যান্ডেলা নামক
মানুষটি সাতাশ বছর নির্জন
দ্বীপে কারাবাস করার পর
ফিরে এসে দেশের
প্রেসিডেন্ট হতে পারে
তাহলে তুমিও একদিন দ্বিগুণ
উদ্যমে ফিরে আসতে পার
যদি টুঙ্গিপাড়া নামক এক
নিভৃত গ্রামের বালক একদিন
বঙ্গের বন্ধু হয়ে রেসকোর্সে
দাড়িয়ে আঙ্গুলের ইশারায়
সাত কোটি মানুষ কে
নাচাতে পারে তাহলে
ইম্পবসিবল নামক শব্দ তোমার
ডিকশনারিতে থাকতে
পারবে না
যদি দু পায়ে সাত বার
সার্জারি হওয়া ছেলেটি
ক্যারিয়ার যার শেষ ধরে
নেয়া হয়েছিল ফিরে এসে
নিজের দেশকে সামনে
থেকে নেতৃত্ব দেয়া
মাশরাফি বিন মর্তুজা হতে
পারে তাহলে তুই পাগলা
যতবার পরবি ততবারি উঠে
দাড়াবি
পারব না আবার কিরে
পাগলা। সাহস টা বুকে রাখ ,তুই
যেখানে দাড়াবি সাকসেস
সেখান থেকেই শুরু হবে....
24/09/2017
ছেলে মা কে বলছে মা তুমি আমার জন্য । জীবনে অনেক কস্ট করছো । বলো তোমার কি খেতে মন চায়। আমি আজ তোমার ঋন শোধ করবো। মা বলছে বাবা তাহলে বাজার থেকে ১ টি কলা নিয়ে আসো। তার পর ছেলে রাতে কলা নিয়ে এলে। মা বলছে বাবা কলাটি তোমার বুকের উপারে রাখো। যখন আমি চাইবো তখন দিওয়ো। ছেলে ঘুমিয়ে গেলে পিঠের নিচে পড়ে কলাটি চ্যাপটা হয়ে যায়। সকাল বেলা মা এসে কলা চাচ্ছে। ছেলে বলছে মা কলা পিঠের নিচে পরে চ্যাপটা হয়ে গেছে। মা প্রয়োজনে আমি তোমাকে আরো ১ টা কলা এনে দিবো মা বলছে । বাবারে তোমাকে আমি পৌষ মাসে শীতে ডান কাদে শুয়াইছি। প্রসাব করে দিয়েছিলে। বাম কাদে শুয়াইছি প্রসাব করে দিয়েছো তার পর বুকে শুয়াইছি প্রসাব করে দিয়েছিলে। কই ১ দিনের জন্য তো পিঠের নিচে তোকে ফালাইনি। তুই কি করে বলিস মায়ের ঋন শোধ করে দিবি। পৃথিবিতে কেবল মাএ বাবা মা তার সন্তানকে সার্থহীন ভাবে ভালোবাসে ........................................................??????? ♥I LOVE You MAA
একটু ভেবে দেখুন এবং কৃতজ্ঞ হোন
আপনার প্রতি আল্লাহ্ তা'য়ালার অসংখ্য অনুগ্রহের কথা স্মরণ করুন- কীভাবে অনুগ্রহসমূহ আপনাকে আপাদমস্তক বেষ্টন করে রেখেছে। চারিদিক থেকেই অনুগ্রহ আমাদের ঘিরে রেখেছে নিরবচ্ছিন্নভাবে।
وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَتَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا
“যদি তুমি আল্লাহর নিয়ামতরাজিকে গণনা করতে চাও তবে তা কখনও গুণে শেষ করতে পারবে না।" (১৪-সূরা ইবরাহীম: আয়াত-৩৪)
🔷 সুস্থতা, নিরাপত্তা, খাদ্য, বস্ত্র, বায়ু ও পানি সবকিছুই দুনিয়াটাকে আপনার বলে ঘোষণা দিচ্ছে - তবুও কি আপনি বুঝতে পারছেন না?
জীবন ধারণের জন্যে অপরিহার্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই আপনার আছে- তবুও আপনি কেন অজ্ঞই থেকে গেলেন? !
وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً
“তিনি তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নেয়ামতসমূহ পরিপূর্ন করে দিয়েছেন " (৩১-সূরা লুকমান: আয়াত-২০)
🔷 সম্পূর্ণ নিজ আয়ত্তে আপনাকে চোখ, জিহ্বা, ঠোট, হাত আর পা দেয়া হয়েছে। যদি এগুলো অন্যের আয়ত্তাধীন থাকত? একটু কি ভেবে দেখা গেছে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
“(ওহে মানব ও জ্বীন জাতি!) তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করতে পারবে? (৫৫-সূরা আর রাহমান: আয়াত-১৩)
🔷 পা ছাড়া হাটার কথা কল্পনা করতে পারেন?
আপনি সুখে নিদ্রা যাচ্ছেন অথচ দুঃখ-যাতনা, দুর্দশা ও দুরবস্থা বহুলোকের নিদ্রা কেড়ে নিয়েছে - বিষয়টি কি এতই হালকা ?
✔️ আপনি সুস্বাদু খাদ্য ও শীতল পানীয় দিয়ে উদর পূর্তি করছেন অথচ রোগের কারণে কিছু মানুষের পক্ষে সুখাদ্য ও সুপেয় পানির উপভোগ অসম্ভব হয়ে আছে- আপনি কিভাবে এটা ভুলে থাকতে পারেন?!
✔️ নিজ শ্রবণশক্তি ও দর্শনশক্তির কথা ভেবে দেখুন! সুস্থ ত্বকের দিকে একটু তাকান। আপনি যে চর্মরোগ থেকে মুক্ত আছেন এজন্যে কি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করবেন না?
✔️ নিজস্ব বিবেক-বিবেচনা শক্তির কথা গভীরভাবে ভাবুন তো! যারা মানসিক রোগে ভুগছে তাদের কষ্টের কথা একটুখানি কি মনে করা যায়? !
⭐ উহুদ পাহাড়সম স্বর্ণের বিনিময়ে আপনি কি আপনাকে প্রদত্ত সব অনুগ্রহ, শ্রম ও দেখতে পাবার ক্ষমতা বিক্রি করে দিতে পারবেন?
⭐ আপনার কথা বলার ক্ষমতা বিশাল বিশাল অট্টালিকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিতে রাজি হবেন?
⭐ দেখতেই পাচ্ছেন আপনাকে প্রচুর অনুগ্রহ দান করা হয়েছে, তবুও কেন আপনি না জানার ভান করে আছেন?!
⭐ টাটকা খাবার, শীতল পানি, সুখপ্রদ নিদ্রা এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও আপনি হতাশ ও বিষন্ন থাকছেন।
⭐ যা নেই তা নিয়ে হা-পিত্যেশ করছেন। যা আপনাকে দান করা হয়েছে তার নিমিত্তে কৃতজ্ঞ না হয়ে হচ্ছেন অকৃতজ্ঞ!
সম্পদের ক্ষতি নিয়ে আপনি বিব্রত, তথাপি অনেক কল্যাণের চাবিকাঠিও কিন্তু আপনার হাতে ন্যস্ত।
وَفِي أَنْفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ
“এবং তোমাদের দেহের মাঝেও আমার (অসংখ্য) নিদর্শন রয়েছে তোমরা কি (তা) দেখতে পাও না?” (৫১-সূরা যারিয়াত: আয়াত-২১)
⭐ নিজের কথা, পরিবারের কথা, বন্ধু-বান্ধব এবং চারপাশের গোটা দুনিয়ার কথা একটু গভীরভাবে চিন্তা-গবেষণা করুন।
يَعْرِفُونَ نِعْمَتَ اللَّهِ ثُمَّ يُنكِرُونَهَا وَأَكْثَرُهُمُ الْكَافِرُونَ
তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ভালভাবেই জানে, এরপর (জেনেও) অস্বীকার করে এবং তাদের অধিকাংশই অকৃতজ্ঞ। (১৬-সূরা আন নাহল: আয়াত-৮৩)
👉একটু ভেবে দেখুন এবং কৃতজ্ঞ হোন।👈
22/09/2017
জীবনে ভালো থাকার জন্য যা করতে হবে...
_______________________
♣"জীবনে যা ঘটেছে, তা ভালো হয়েছে। যা হচ্ছে, তা-ও ভালো হচ্ছে।
আর ভবিষ্যতে যা ঘটবে, তা-ও ভালোই হবে"
♣"নিজেকে কখনও অন্যের সাথে তুলনা করবেন না।
♣"নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা থেকে বিরত থাকুন। সবকিছুকে পজেটিভ ভাবে গ্রহন করতে চেষ্টা করুন।
♣"নিজেকে নিয়ে এবং কাছের মানুষদেরকে নিয়ে অনর্থক বেশি দুঃশ্চিন্তা করবেন না।
মনে রাখবেন, দুঃশ্চিন্তা কখনোই সমস্যার সমাধান করবেনা।
♣"অযথা আড্ডা দিয়ে সময়ের অপচয় করবেন না।
♣"শত্রুতা এবং অন্যের প্রতি ঘৃণা বজায় রাখবেন না। এতে কেবল দুঃশ্চিন্তা বাড়ে এবং মানসিক শান্তি নষ্ট হয়, যা আপনার স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
♣"নিজের এবং অন্যের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিন, শিক্ষাকে মনে রাখুন, ভুলকে ভুলে যান। অতীতের ভুল নিয়ে অতিরিক্ত ঘাটাঘাটি করে তিক্ততা বাড়িয়ে বর্তমানের সুন্দর সময়কে নষ্ট করবেন না।
♣"মনে রাখবেন, জীবন একটি বিদ্যালয় যেখানে আপনি শিখতে এসেছেন। জীবনের যত সমস্যা তা এই বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত, এ নিয়ে তাই চিন্তা না করে বীজগণিতের মত সমাধানের চেষ্টা করুন।
♣"প্রচুর পরিমাণে হাসুন এবং সবসময় হাসি-খুশী থাকার অভ্যাস করুন। সেই সাথে অন্যদেরকেও হাসি-খুশী রাখতে চেষ্টা করুন।
♣"জীবনের সব ক্ষেত্রে জয় লাভ করা অসম্ভব। তাই হার মেনে নিতে প্রস্তুত থাকুন। এটাও আপনার একটা মানসিক বিজয়।
♣"অন্যের দোষ-ত্রুটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করুন।
☛অন্যেরা আপনাকে নিয়ে কি ভাববে তা নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই। নিজের কাজ করে যান আত্মবিশ্বাস নিয়ে।
♣"সময়ের কাজ সময়ে করুন, কিছুতেই এখনকার কাজ পরে করার জন্যে ফেলে রাখবেন না।
♣"যেসব জিনিস চিত্তাকর্ষক ও আকর্ষণীয়, কিন্তু ও উপকারী নয়, তা থেকে দূরে থাকুন।
♣"সুসময় বা দুঃসময় যাই হোক না কেন, সবই বদলাবে, এটাই চিরন্তন নিয়ম, তাই কোনো কিছুতেই অতিরিক্ত উৎফুল্ল বা অতিরিক্ত দুঃখিত হবেন না।
♣"অনেক তো শুনলাম… এবার শুধু একটা কথা বলতে চাই… মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীন পবিত্র কুরআনে বলেছেনঃ
তোমরা ধৈর্য্য ও সালাতের সাহায্যে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে আছেন। (সূরা বাকারা: ১৫৩)
বি.দ্র--- জীবন চলার পথে অনেক বাঁধা আসবেই...সেই বাঁধা সাফল্যের সাথে পেরিয়ে যাওয়ার নামই হচ্ছে জীবন।
পোষ্টটি নিজে পড়ুন শেয়ার করে অন্যদেরও পড়ার সুযোগ করে দিন।
ধন্যবাদ সবাইকে
22/09/2017
ক্যালসিয়াম এর অভাব জনিত কারণে
আপনার দেহে ১০৯ ধরণের ও বেশী রোগ হতে পারে।
আপনার রোগ দরকার কতটি!!!
একটিও না?
রোগ হওয়ার মত হলে কিন্তু ১টি ই যথেষ্ঠ।
ক্যালসিয়াম এর অভাব পূরণে আপনি আজ থেকেই
তিয়ানশির ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন এবং সুস্থ থাকুন।
আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন এই ক্যালসিয়াম গ্রহন করে নিজে সুস্থ থাকুন অপরকে ও সুস্থ থাকতে সাহায্য করুন।
মাথা খাটিয়ে কাজ করো, বল খাটিয়ে নয়। এর মানে হলো, শুধু কাজপাগল হলেই হবে না, অযথা ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনে ১৮-২০ ঘণ্টা খেটে নিজের ক্ষতি করো না বরং সবচেয়ে কম খাটুনি দিয়ে কোন কাজ কীভাবে করা যায় সেটা খুঁজে বের করো। বুদ্ধিমান মানুষ শক্তি দিয়ে নয়, বুদ্ধির জোরে কাজ করে। সব সময় কেতাদুরস্ত হয়ে অফিসে বসে মিটিং করতে হবে তা নয়, যারা কাজ জানে তারা খেলাধুলা, হাসি-ঠাট্টার মধ্যেও নিজের কাজটা বের করে নেয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
3500